বেশি টাকা দিলে পাম্পে মিলছে ইচ্ছেমতো তেল, প্রশাসন খুঁজে পাচ্ছে না কিছুই
বিক্রয় রশিদ যখন দেওয়া হচ্ছে, তার মানে কী, এই টাকা পাম্প মালিকের খাতায় যাচ্ছে? নাকি এই কপি আলাদা ভাবেই বানিয়ে রাখছেন বিক্রয় প্রতিনিধি?
মেরাজ মেভিজ
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:১২ পিএমআপডেট : ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে চলছে মোবাইল কোর্টসহ স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান। তেল না দেয়া ও মজুতের কিছু ঘটনা এতে বের হয়ে এলেও তেলের দাম বাড়ানোর কোনো অভিযোগ খুঁজে পাচ্ছেন না তারা।
অথচ সরেজমিন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে আসছে নানান সব অভিযোগ।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাহাদ হোসেন আলাপ-কে জানালেন, তার ড্রাইভার গাড়ি ফুল ট্যাংক করতে চাইলে প্রথমে জানানো হয় ১০ লিটারের বেশি তেল পাবেন না তিনি। যদিও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) নির্দেশ অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাওয়ার কথা তার।
এরপর পাম্পের বিক্রয়কর্মীর পক্ষ থেকে চালককে বলা হয় ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিলে আইন-কানুন কোনো সমস্যা নয়, পুরো ট্যাংক ভরে তেল দেওয়া যাবে।
তাই হয়েছে, যা প্রাপ্য তার প্রায় দ্বিগুণ অকটেন দেওয়া হয়েছে। চার হাজার টাকার তেল দেয়া হলেও সাড়ে চার হাজার টাকার হিসাব মেলানো বিলও দেওয়া হয়েছে।
বিলের কপিতে লেখা রয়েছে ১২০ টাকা দরে ৩৭ দশমিক ৫ লিটার অক্টেনের মূল্য সাড়ে চার হাজার টাকা।
একইরকম অভিজ্ঞতার কথা আলাপকে জানালেন একটি বেসরকারি ব্যাংকের ফার্স্ট এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শরিফা সুলতানা।
দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে তেল পাওয়ার পর ড্রাইভার যখন তার কাছে টাকা চাইলেন অবাক তিনি। জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, কিছু ‘অতিরিক্ত টাকা দিয়ে’ ট্যাংক ফুল করে নিয়েছেন। তিনিও বিল পেয়েছেন হিসাব মিলিয়ে।
পেশায় প্রকোশলী ইফতেখারুল হক অবশ্য জানালেন এমন ঘটনা নতুন নয়। পাম্পগুলোতে প্রায়ই তার কাছে জানতে চাওয়া হয় বিল লাগবে কিনা? আর লাগলে সেখানে কত টাকার বিল দেখাতে হবে।
“সাধারণত আমি আমার এসইউভির (জিপ) জন্য নিজে তেল কিনলে বিল নেই না। তবে প্রায়ই পাম্পে তেল নিতে গেলে জানতে চাওয়া হয় ‘স্যার কত টাকার বিল দিব’?” আলাপ-কে মঙ্গলবার বলেছেন তিনি।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিক্রয় রশিদ যখন দেওয়া হচ্ছে, তার মানে কী, এই টাকা পাম্প মালিকের খাতায় যাচ্ছে? নাকি এই কপি আলাদা ভাবেই বানিয়ে রাখছেন বিক্রয় প্রতিনিধি?
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল হকের ভাষ্য, মালিকরা নয় এগুলো ‘পাম্পের দুষ্ট কর্মচারী এবং ক্রেতার যোগসাজশে’ হচ্ছে।
“সাধারণত স্লিপগুলো (ক্রয় রশিদ) এক জায়গায় থাকে, সেখান থেকে নিয়ে ওরা দেয়। বেশিরভাগ ক্রেতাই স্লিপ নেন না। এতে অনেক স্লিপ জমে যায়, সেখান থেকে নিয়ে কিছু দুষ্টু কর্মচারী এমনটা করে থাকতে পারে,” মঙ্গলবার আলাপ-কে বলেছেন তিনি।
মালিকরা পাম্পে থাকেন না আর বেশিরভাগ সময়ই কর্মীরাই তা পরিচালনা করে জানিয়ে নাজমুল যোগ করেন, “আর এখন যে অবস্থা চলছে তাতে এগুলো খতিয়ে দেখাটাও কঠিন।”
নরসিংদীর একটি ফিলিং স্টেশনের মালিক হেলাল উদ্দিন বলছেন ক্রেতাদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের পক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।
“প্রতি লিটারে আমার লাভ থাকে তিন টাকা। আমি যত বিক্রি করতে পারব আমার লাভ তত বেশি। কিন্তু যেহেতু সরকার এখন লিমিট ঠিক করে দিয়েছে, তাতে বেশি বিক্রি করার সুযোগ নেই। আবার এমন না যে আমি বিক্রি করতে পারছি না। বরং উলটো আমি তেল দিয়ে শেষ করতে পারছি না,” মঙ্গলবার আলাপ-কে বলেছেন তিনি।
সরকারের কড়াকড়ি সত্ত্বেও কিছু পেট্রোল পাম্প ও ফিলিং স্টেশনে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করছে।
এছাড়া বেশি লাভের আশায় তেল মজুত, খোলা বাজারে বিক্রি এবং পাচারের প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে জানিয়ে রবিবার জ্বালানি মন্ত্রণালয় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে।
তার পরদিন সোমবার দেশের সব ডিসিকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে রবিবার থেকেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চলছে।
শনিবার নারায়ণগঞ্জে বেশ কিছু ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নারায়ণগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারিফ আল তাওহীদ সেদিন গণমাধ্যমকে জানান, কিছু ভোক্তার অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবুও নির্ধারিত সীমার মধ্যেই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
অভিযানে উপস্থিত ভোক্তাদের সাথে কথা বলে কোনো ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে পরিচালিত অভিযানে স্টক রেজিস্টার যাচাই করেও তথ্যের অমিল পাওয়া যায়নি। ফলে কোনো পেট্রোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়নি।
এমনকি, রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন কালেও ভ্রাম্যমাণ আদালতও বিক্রয় স্লিপ ও স্টক যাচাই করে কোনো গরমিল পায়নি বলে জানিয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অকটেন বিক্রির হিসাবে বাংলাদেশে দিনে অকটেনের চাহিদা গড়ে ১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হবার পর প্রথম চার দিনে বাংলাদেশে গড়ে অকটেন বিক্রি হয়েছে ২ হাজার টনের বেশি।
অন্যদিকে দেশে পেট্রলের দৈনিক গড় চাহিদা ১ হাজার ৩০০ টনের আশপাশে। তবে ১লা থেকে ৪ঠা মার্চ পর্যন্ত হিসাবে দৈনিক চাহিদা ছাড়িয়েছে ২ হাজার ৩০০ টন।
আর বাংলাদেশে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা ১২ হাজার টনের আশপাশে হলেও এই সময়ে দৈনিক চাহিদা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টন।
বেশি টাকা দিলে পাম্পে মিলছে ইচ্ছেমতো তেল, প্রশাসন খুঁজে পাচ্ছে না কিছুই
বিক্রয় রশিদ যখন দেওয়া হচ্ছে, তার মানে কী, এই টাকা পাম্প মালিকের খাতায় যাচ্ছে? নাকি এই কপি আলাদা ভাবেই বানিয়ে রাখছেন বিক্রয় প্রতিনিধি?
ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে চলছে মোবাইল কোর্টসহ স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান। তেল না দেয়া ও মজুতের কিছু ঘটনা এতে বের হয়ে এলেও তেলের দাম বাড়ানোর কোনো অভিযোগ খুঁজে পাচ্ছেন না তারা।
অথচ সরেজমিন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে আসছে নানান সব অভিযোগ।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাহাদ হোসেন আলাপ-কে জানালেন, তার ড্রাইভার গাড়ি ফুল ট্যাংক করতে চাইলে প্রথমে জানানো হয় ১০ লিটারের বেশি তেল পাবেন না তিনি। যদিও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) নির্দেশ অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাওয়ার কথা তার।
এরপর পাম্পের বিক্রয়কর্মীর পক্ষ থেকে চালককে বলা হয় ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিলে আইন-কানুন কোনো সমস্যা নয়, পুরো ট্যাংক ভরে তেল দেওয়া যাবে।
তাই হয়েছে, যা প্রাপ্য তার প্রায় দ্বিগুণ অকটেন দেওয়া হয়েছে। চার হাজার টাকার তেল দেয়া হলেও সাড়ে চার হাজার টাকার হিসাব মেলানো বিলও দেওয়া হয়েছে।
বিলের কপিতে লেখা রয়েছে ১২০ টাকা দরে ৩৭ দশমিক ৫ লিটার অক্টেনের মূল্য সাড়ে চার হাজার টাকা।
একইরকম অভিজ্ঞতার কথা আলাপকে জানালেন একটি বেসরকারি ব্যাংকের ফার্স্ট এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শরিফা সুলতানা।
দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে তেল পাওয়ার পর ড্রাইভার যখন তার কাছে টাকা চাইলেন অবাক তিনি। জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, কিছু ‘অতিরিক্ত টাকা দিয়ে’ ট্যাংক ফুল করে নিয়েছেন। তিনিও বিল পেয়েছেন হিসাব মিলিয়ে।
পেশায় প্রকোশলী ইফতেখারুল হক অবশ্য জানালেন এমন ঘটনা নতুন নয়। পাম্পগুলোতে প্রায়ই তার কাছে জানতে চাওয়া হয় বিল লাগবে কিনা? আর লাগলে সেখানে কত টাকার বিল দেখাতে হবে।
“সাধারণত আমি আমার এসইউভির (জিপ) জন্য নিজে তেল কিনলে বিল নেই না। তবে প্রায়ই পাম্পে তেল নিতে গেলে জানতে চাওয়া হয় ‘স্যার কত টাকার বিল দিব’?” আলাপ-কে মঙ্গলবার বলেছেন তিনি।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিক্রয় রশিদ যখন দেওয়া হচ্ছে, তার মানে কী, এই টাকা পাম্প মালিকের খাতায় যাচ্ছে? নাকি এই কপি আলাদা ভাবেই বানিয়ে রাখছেন বিক্রয় প্রতিনিধি?
মালিকরা জানেন না?
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল হকের ভাষ্য, মালিকরা নয় এগুলো ‘পাম্পের দুষ্ট কর্মচারী এবং ক্রেতার যোগসাজশে’ হচ্ছে।
“সাধারণত স্লিপগুলো (ক্রয় রশিদ) এক জায়গায় থাকে, সেখান থেকে নিয়ে ওরা দেয়। বেশিরভাগ ক্রেতাই স্লিপ নেন না। এতে অনেক স্লিপ জমে যায়, সেখান থেকে নিয়ে কিছু দুষ্টু কর্মচারী এমনটা করে থাকতে পারে,” মঙ্গলবার আলাপ-কে বলেছেন তিনি।
মালিকরা পাম্পে থাকেন না আর বেশিরভাগ সময়ই কর্মীরাই তা পরিচালনা করে জানিয়ে নাজমুল যোগ করেন, “আর এখন যে অবস্থা চলছে তাতে এগুলো খতিয়ে দেখাটাও কঠিন।”
নরসিংদীর একটি ফিলিং স্টেশনের মালিক হেলাল উদ্দিন বলছেন ক্রেতাদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের পক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।
“প্রতি লিটারে আমার লাভ থাকে তিন টাকা। আমি যত বিক্রি করতে পারব আমার লাভ তত বেশি। কিন্তু যেহেতু সরকার এখন লিমিট ঠিক করে দিয়েছে, তাতে বেশি বিক্রি করার সুযোগ নেই। আবার এমন না যে আমি বিক্রি করতে পারছি না। বরং উলটো আমি তেল দিয়ে শেষ করতে পারছি না,” মঙ্গলবার আলাপ-কে বলেছেন তিনি।
অভিযানে মিলছে না অভিযোগের প্রমাণ
সরকারের কড়াকড়ি সত্ত্বেও কিছু পেট্রোল পাম্প ও ফিলিং স্টেশনে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করছে।
এছাড়া বেশি লাভের আশায় তেল মজুত, খোলা বাজারে বিক্রি এবং পাচারের প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে জানিয়ে রবিবার জ্বালানি মন্ত্রণালয় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে।
তার পরদিন সোমবার দেশের সব ডিসিকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে রবিবার থেকেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চলছে।
শনিবার নারায়ণগঞ্জে বেশ কিছু ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নারায়ণগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারিফ আল তাওহীদ সেদিন গণমাধ্যমকে জানান, কিছু ভোক্তার অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবুও নির্ধারিত সীমার মধ্যেই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
অভিযানে উপস্থিত ভোক্তাদের সাথে কথা বলে কোনো ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে পরিচালিত অভিযানে স্টক রেজিস্টার যাচাই করেও তথ্যের অমিল পাওয়া যায়নি। ফলে কোনো পেট্রোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়নি।
এমনকি, রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন কালেও ভ্রাম্যমাণ আদালতও বিক্রয় স্লিপ ও স্টক যাচাই করে কোনো গরমিল পায়নি বলে জানিয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অকটেন বিক্রির হিসাবে বাংলাদেশে দিনে অকটেনের চাহিদা গড়ে ১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হবার পর প্রথম চার দিনে বাংলাদেশে গড়ে অকটেন বিক্রি হয়েছে ২ হাজার টনের বেশি।
অন্যদিকে দেশে পেট্রলের দৈনিক গড় চাহিদা ১ হাজার ৩০০ টনের আশপাশে। তবে ১লা থেকে ৪ঠা মার্চ পর্যন্ত হিসাবে দৈনিক চাহিদা ছাড়িয়েছে ২ হাজার ৩০০ টন।
আর বাংলাদেশে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা ১২ হাজার টনের আশপাশে হলেও এই সময়ে দৈনিক চাহিদা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টন।