স্পেনের বিশ্বজয়ের রাতে ব্যক্তিগত পুরস্কারের বড় অংশও গেছে স্প্যানিশ ফুটবলারদের হাতে। আর সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার উঠেছে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের ঝুলিতে।
আলাপ স্পোর্টস
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৯ এএমআপডেট : ২০ জুলাই ২০২৬, ০২:১৩ পিএম
স্পেনের বিশ্বজয়ের রাতে ব্যক্তিগত পুরস্কারের বড় অংশও গেছে স্প্যানিশ ফুটবলারদের হাতে। আর সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার উঠেছে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের ঝুলিতে।
২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেনের খেলার ছন্দ, গতি, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণ গঠনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন তিনি। মাঠে তার উপস্থিতি ছিল একজন প্রকৃত পরিচালক বা অর্কেস্ট্রার কন্ডাক্টরের মতো। কখন খেলার গতি বাড়াতে হবে, কখন বল ধরে রেখে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, আর কখন প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভেঙে দিতে হবে, সবকিছুই নিখুঁতভাবে করেছেন তিনি।
ফাইনালেও স্পেনের মিডফিল্ডের নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি রদ্রির হাতে। তার শান্ত, পরিণত এবং বুদ্ধিদীপ্ত ফুটবল স্পেনকে বিশ্বকাপ জয়ের পথে নিয়ামক হিসাবে কাজ করেছে।
এই পুরস্কারের মাধ্যমে রদ্রি নিজের প্রজন্মের সেরা মিডফিল্ডারদের একজন হিসেবে অবস্থান আরও দৃঢ় করলেন। তার ট্রফির সংগ্রহ এখন ঈর্ষণীয়। এর আগে তিনি জিতেছেন ব্যালন ডি'অর, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, চারটি প্রিমিয়ার লিগ, ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং এবার যোগ হলো বিশ্বকাপ ও বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
এমবাপ্পের গোল্ডেন বুট
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জিতেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি করেছেন ১০ গোল, যা এই শতাব্দীতে কোনো একক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড।
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি পৌঁছে যান ১০ গোলের মাইলফলকে। এর আগে এক বিশ্বকাপে সর্বশেষ ১০ বা তার বেশি গোল করেছিলেন পশ্চিম জার্মানির কিংবদন্তি গার্ড মুলার, ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন ফুটবলার এক আসরে আট বা তার বেশি গোল করতে পেরেছেন। সেই তালিকায় আছেন জাস্ট ফন্টেইন, সান্দর কোকসিস, আদেমির, ইউসেবিও, গিয়ের্মো স্তাবিলে, রোনালদো, গার্ড মুলার এবং এমবাপ্পে। এবার ১০ গোল করে এমবাপ্পে নিজেকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ গোলদাতাদের কাতারে আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করলেন।
গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন উনাই সিমন
বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন স্পেনের উনাই সিমন। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেনের রক্ষণভাগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ ছিলেন তিনি।
সাত ম্যাচে সাতটি ক্লিন শিট রেখে পুরো বিশ্বকাপে মাত্র একটি গোল হজম করেছেন সিমন। তার দুর্দান্ত শট ঠেকানো, সঠিক অবস্থান নেওয়া এবং ডিফেন্সের পেছন থেকে খেলা গড়ে তোলার দক্ষতা স্পেনের সাফল্যের অন্যতম প্রধান কারণ।
এই বিশ্বকাপে তিনি একটি ঐতিহাসিক রেকর্ডও গড়েছেন। টানা ৬৫০ মিনিট গোল না খেয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় গোলবার অক্ষত রাখার রেকর্ড নিজের নামে লিখিয়েছেন তিনি। এর আগে এই রেকর্ড ছিল ইতালির ওয়াল্টার জেঙ্গার, যিনি ১৯৯০ বিশ্বকাপে টানা ৫১৭ মিনিট গোল হজম করেননি।
অবশেষে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের চার্লস ডি কেটেলারের হেডে তার সেই অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতার সমাপ্তি ঘটে। তবে ততক্ষণে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের নতুন মানদণ্ড তৈরি করে ফেলেছেন।
২৯ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক স্পেনের বাস্ক অঞ্চলের আমুরিও শহরের সন্তান। ২০১১ সালে অ্যাথলেটিক ক্লাবের একাডেমিতে যোগ দিয়ে ধাপে ধাপে মূল দলে জায়গা করে নেন। আধুনিক সুইপার কিপার হিসেবে বল পায়ে খেলায় যেমন স্বচ্ছন্দ, তেমনি গোললাইনেও অসাধারণ নির্ভরযোগ্য। জাতীয় দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের সঙ্গে তার সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। ২০১৫ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ একসঙ্গে জিতেছিলেন তারা।
সেরা তরুণ খেলোয়াড় পাউ কুবারসি
২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন স্পেনের ১৯ বছর বয়সী সেন্টার ব্যাক পাউ কুবারসি।
এই বিশ্বকাপে স্পেনের তরুণ তারকার কথা উঠলেই প্রথমে আসে লামিন ইয়ামালের নাম। কিন্তু অনেক ফুটবল বিশ্লেষকের মতে, স্পেনের বিশ্বজয়ের পথে ইয়ামালের মতোই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন কুবারসি।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা ছিল সেমিফাইনালে কিলিয়ান এমবাপ্পের বিপক্ষে। কিন্তু সেই ম্যাচে অসাধারণ শান্ত, আত্মবিশ্বাসী এবং পরিণত ফুটবল খেলেছেন কুবারসি। ফ্রান্সকে ২ শূন্য গোলে হারানো ম্যাচে তিনি সবচেয়ে বেশি ক্লিয়ারেন্স করেছেন। এমবাপ্পেকে করা তার একটি নিখুঁত ট্যাকল পুরো ম্যাচের প্রতীক হয়ে আছে।
পুরো টুর্নামেন্টে সাত ম্যাচে স্পেন ছয়টি ক্লিন শিট রেখেছে, যার পেছনে কুবারসির ভূমিকা ছিল অসাধারণ। বয়স মাত্র ১৯ হলেও তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, বল নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণভাগকে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা অভিজ্ঞ ফুটবলারের মতোই পরিণত।
বার্সেলোনার সাবেক ফুটবলার এবং কোচ অস্কার গার্সিয়া মনে করেন, কুবারসি ভবিষ্যতে ইতিহাসের সেরা পাঁচ সেন্টার ব্যাকের একজন হতে পারেন। তার ভাষায়, সাধারণত তরুণ একাডেমিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হন লামিন ইয়ামাল বা লিওনেল মেসির মতো আক্রমণভাগের ফুটবলাররা। কিন্তু একজন সেন্টার ব্যাক হয়েও কুবারসি যে প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন, তা সত্যিই অসাধারণ।
বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে আসা এই ডিফেন্ডার ইতোমধ্যেই ইউরোপের অন্যতম সম্ভাবনাময় ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিশ্বকাপের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার সেই স্বীকৃতিকেই আরও বড় করে তুলেছে।
বিশ্বকাপ ২০২৬
গোল্ডেন বল-গ্লাভস স্পেনের ঘরে, বুট নিলেন এমবাপ্পে
স্পেনের বিশ্বজয়ের রাতে ব্যক্তিগত পুরস্কারের বড় অংশও গেছে স্প্যানিশ ফুটবলারদের হাতে। আর সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার উঠেছে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের ঝুলিতে।
স্পেনের বিশ্বজয়ের রাতে ব্যক্তিগত পুরস্কারের বড় অংশও গেছে স্প্যানিশ ফুটবলারদের হাতে। আর সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার উঠেছে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের ঝুলিতে।
২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেনের খেলার ছন্দ, গতি, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণ গঠনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন তিনি। মাঠে তার উপস্থিতি ছিল একজন প্রকৃত পরিচালক বা অর্কেস্ট্রার কন্ডাক্টরের মতো। কখন খেলার গতি বাড়াতে হবে, কখন বল ধরে রেখে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, আর কখন প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভেঙে দিতে হবে, সবকিছুই নিখুঁতভাবে করেছেন তিনি।
ফাইনালেও স্পেনের মিডফিল্ডের নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি রদ্রির হাতে। তার শান্ত, পরিণত এবং বুদ্ধিদীপ্ত ফুটবল স্পেনকে বিশ্বকাপ জয়ের পথে নিয়ামক হিসাবে কাজ করেছে।
এই পুরস্কারের মাধ্যমে রদ্রি নিজের প্রজন্মের সেরা মিডফিল্ডারদের একজন হিসেবে অবস্থান আরও দৃঢ় করলেন। তার ট্রফির সংগ্রহ এখন ঈর্ষণীয়। এর আগে তিনি জিতেছেন ব্যালন ডি'অর, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, চারটি প্রিমিয়ার লিগ, ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং এবার যোগ হলো বিশ্বকাপ ও বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
এমবাপ্পের গোল্ডেন বুট
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জিতেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি করেছেন ১০ গোল, যা এই শতাব্দীতে কোনো একক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড।
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি পৌঁছে যান ১০ গোলের মাইলফলকে। এর আগে এক বিশ্বকাপে সর্বশেষ ১০ বা তার বেশি গোল করেছিলেন পশ্চিম জার্মানির কিংবদন্তি গার্ড মুলার, ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন ফুটবলার এক আসরে আট বা তার বেশি গোল করতে পেরেছেন। সেই তালিকায় আছেন জাস্ট ফন্টেইন, সান্দর কোকসিস, আদেমির, ইউসেবিও, গিয়ের্মো স্তাবিলে, রোনালদো, গার্ড মুলার এবং এমবাপ্পে। এবার ১০ গোল করে এমবাপ্পে নিজেকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ গোলদাতাদের কাতারে আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করলেন।
গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন উনাই সিমন
বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন স্পেনের উনাই সিমন। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেনের রক্ষণভাগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ ছিলেন তিনি।
সাত ম্যাচে সাতটি ক্লিন শিট রেখে পুরো বিশ্বকাপে মাত্র একটি গোল হজম করেছেন সিমন। তার দুর্দান্ত শট ঠেকানো, সঠিক অবস্থান নেওয়া এবং ডিফেন্সের পেছন থেকে খেলা গড়ে তোলার দক্ষতা স্পেনের সাফল্যের অন্যতম প্রধান কারণ।
এই বিশ্বকাপে তিনি একটি ঐতিহাসিক রেকর্ডও গড়েছেন। টানা ৬৫০ মিনিট গোল না খেয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় গোলবার অক্ষত রাখার রেকর্ড নিজের নামে লিখিয়েছেন তিনি। এর আগে এই রেকর্ড ছিল ইতালির ওয়াল্টার জেঙ্গার, যিনি ১৯৯০ বিশ্বকাপে টানা ৫১৭ মিনিট গোল হজম করেননি।
অবশেষে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের চার্লস ডি কেটেলারের হেডে তার সেই অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতার সমাপ্তি ঘটে। তবে ততক্ষণে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের নতুন মানদণ্ড তৈরি করে ফেলেছেন।
২৯ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক স্পেনের বাস্ক অঞ্চলের আমুরিও শহরের সন্তান। ২০১১ সালে অ্যাথলেটিক ক্লাবের একাডেমিতে যোগ দিয়ে ধাপে ধাপে মূল দলে জায়গা করে নেন। আধুনিক সুইপার কিপার হিসেবে বল পায়ে খেলায় যেমন স্বচ্ছন্দ, তেমনি গোললাইনেও অসাধারণ নির্ভরযোগ্য। জাতীয় দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের সঙ্গে তার সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। ২০১৫ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ একসঙ্গে জিতেছিলেন তারা।
সেরা তরুণ খেলোয়াড় পাউ কুবারসি
২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন স্পেনের ১৯ বছর বয়সী সেন্টার ব্যাক পাউ কুবারসি।
এই বিশ্বকাপে স্পেনের তরুণ তারকার কথা উঠলেই প্রথমে আসে লামিন ইয়ামালের নাম। কিন্তু অনেক ফুটবল বিশ্লেষকের মতে, স্পেনের বিশ্বজয়ের পথে ইয়ামালের মতোই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন কুবারসি।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা ছিল সেমিফাইনালে কিলিয়ান এমবাপ্পের বিপক্ষে। কিন্তু সেই ম্যাচে অসাধারণ শান্ত, আত্মবিশ্বাসী এবং পরিণত ফুটবল খেলেছেন কুবারসি। ফ্রান্সকে ২ শূন্য গোলে হারানো ম্যাচে তিনি সবচেয়ে বেশি ক্লিয়ারেন্স করেছেন। এমবাপ্পেকে করা তার একটি নিখুঁত ট্যাকল পুরো ম্যাচের প্রতীক হয়ে আছে।
পুরো টুর্নামেন্টে সাত ম্যাচে স্পেন ছয়টি ক্লিন শিট রেখেছে, যার পেছনে কুবারসির ভূমিকা ছিল অসাধারণ। বয়স মাত্র ১৯ হলেও তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, বল নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণভাগকে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা অভিজ্ঞ ফুটবলারের মতোই পরিণত।
বার্সেলোনার সাবেক ফুটবলার এবং কোচ অস্কার গার্সিয়া মনে করেন, কুবারসি ভবিষ্যতে ইতিহাসের সেরা পাঁচ সেন্টার ব্যাকের একজন হতে পারেন। তার ভাষায়, সাধারণত তরুণ একাডেমিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হন লামিন ইয়ামাল বা লিওনেল মেসির মতো আক্রমণভাগের ফুটবলাররা। কিন্তু একজন সেন্টার ব্যাক হয়েও কুবারসি যে প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন, তা সত্যিই অসাধারণ।
বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে আসা এই ডিফেন্ডার ইতোমধ্যেই ইউরোপের অন্যতম সম্ভাবনাময় ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিশ্বকাপের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার সেই স্বীকৃতিকেই আরও বড় করে তুলেছে।
বিষয়: