সবার দৃষ্টি ইসলামাবাদে, অস্থির যুদ্ধবিরতির মধ্যে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

যুদ্ধবিরতির শর্ত, লেবাননে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান ভিন্ন থাকায় আলোচনা কতটা এগোবে, তা নিয়ে রয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০০ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই শান্তি আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছে দুই দেশ। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দু। যুদ্ধ, অস্থির যুদ্ধবিরতি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের চাপের মধ্যে শুরু হতে যাওয়া এই বৈঠককে ঘিরে শহরজুড়ে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট। সেনাবাহিনীর সঙ্গে যু্ক্ত হয়েছে রেঞ্জার্স, ইসলামাবাদ পুলিশ ও পাঞ্জাব পুলিশ। 

এই আলোচনা শুধু দুই দেশের কূটনৈতিক বৈঠক নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাম্প্রতিক যুদ্ধের বিস্তৃত প্রভাবও।

খামেইনি নিহত হওয়ার পর শুরু হওয়া সংঘাত, তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনা, সব মিলিয়ে ইসলামাবাদের এই বৈঠককে দেখা হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ও গুরুত্বপূর্ণ এক প্রচেষ্টা হিসেবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম থেকে শুরু করে পাকিস্তানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমেও বৈঠক শুরুর সঠিক সময় স্পষ্ট নয়। তবে হোয়াইট হাউসের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার সকালে আলোচনা শুরু হতে পারে। 

প্রায় ছয় সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ খামেইনি নিহত হন। এরপর শুরু হয় বড় আকারের যুদ্ধ। নিহত হয় হাজারো মানুষ। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারেও পড়েছে প্রভাব।

অবশেষে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় ওয়াশিংটন ও তেহরান। তবে যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন ব্যাখ্যা ও লেবাননে ইসরায়েলের বোমা হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

কীভাবে চলবে  আলোচনা 

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দুই পক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।   

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বলেছে, আলোচনা ১৫ দিন পর্যন্ত চলতে পারে। অর্থাৎ প্রতিনিধি দলের কিছু সদস্য শনিবারের পরও ইসলামাবাদে থাকতে পারেন। আবার পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য ফিরে আসতেও পারেন।

মোজতাবা খামেইনি

অতিথিদের ইসলামাবাদের ঠিক করা হয়েছে সেরেনা হোটেল। এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশেই, রেড জোনে অবস্থিত।

বুধবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার পর্যন্ত হোটেলটি সরকারি কাজে নেওয়া হয়েছে। অতিথিদের কক্ষ খালি করতে বলা হয়েছে। 

কঠোর নিরাপত্তা 

নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ৯ই ও ১০ই এপ্রিল ইসলামাবাদে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ। রেড জোন সিল করে দেওয়া হয়েছে। 

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে পুলিশের প্রায় ৬ হাজার সদস্য। এর সঙ্গে থাকবে ৯০০ ফ্রন্টিয়ার কনস্ট্যাবুলারি সদস্য এবং ৩ হাজার পাঞ্জাব কনস্ট্যাবুলারি সদস্য। 

এ ছাড়া রেঞ্জার্স, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও এক হাজার ট্রাফিক পুলিশও মোতায়েন থাকবে।

সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্ব পালন করবে ইসলামাবাদ ট্রাফিক পুলিশ এবং ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড মোটরওয়ে পুলিশ।

রেড জোন ও উচ্চ নিরাপত্তা এলাকায় সেনাবাহিনী ও রেঞ্জার্সকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রেড জোনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে কুইক রেসপন্স ফোর্স।

নিরাপত্তার কারণে রেড জোনে প্রবেশের প্রায় সব পথ বন্ধ। এ ছাড়া রাজধানীর বেশ কিছু পথও বন্ধ রাখা হয়েছে।  

বিমানবন্দর থেকে প্রতিনিধিদলকে হোটেলে নেওয়ার জন্য আলাদা রুট নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব পথে দুই পাশে থাকবে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। অতিথিদের জন্য দেওয়া হবে ‘ব্লু বুক’ প্রোটোকল।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিভিআইপিদের নিরাপত্তায় থাকা ক্লোজ প্রোটেকশন টিম কোনো ধরনের গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারবে না। তাদের কাছে মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল ঘড়িও রাখা যাবে না।

উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আশপাশে যেন কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে। 

রাজধানী প্রশাসন ফায়ার ব্রিগেড, অ্যাম্বুলেন্স, আলোর ব্যবস্থা, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ এবং খাবারের ব্যবস্থা দেখভাল করবে।

কে থাকছে আলোচনায়

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সঙ্গে থাকবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার।

পাকিস্তান-কীভাবে-ইরান-আমেরিকা-যুদ্ধের-মধ_্যস্ততা-করছে.jpg

ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির। 

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের কেউ যোগ দেবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে গালিবাফ নিজেই আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার।

পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিনিধি দলগুলো আসার আগে কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। 

ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দাম এক্সে সংক্ষিপ্ত পোস্টে জানিয়েছিলেন, ৯ এপ্রিল ইরানি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে পৌঁছাবে। পরে তিনি সেই পোস্ট মুছে দেন।

ধারণা করা হচ্ছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী দুই পক্ষের সঙ্গে আলাদা প্রাথমিক বৈঠক করবেন। 

এরপর শনিবার মূল আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এই আলোচনায় থাকবেন কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সেনাবাহিনী এ বিষয়েকোনো মন্তব্য করেনি।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধি দল আলাদা কক্ষে বসবে। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করবেন।

এই বৈঠকে জেডি ভ্যান্সের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তারা উইটকফ ও কুশনারকে নিয়ে সতর্ক। 

কারণ ফেব্রুয়ারিতে মাস্কাট ও জেনেভায় তাদের সঙ্গে আলোচনার পরও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছিল। সে কারণে ভ্যান্সকে তুলনামূলকভাবে সংঘাত শেষ করতে বেশি আগ্রহী বলে মনে করা হচ্ছে।

২০২৮ সালের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার সম্ভাব্য মুখ হিসেবে দেখা হয় ভ্যান্সকে। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন সামরিক জড়িত থাকার বিষয়ে তিনি বরাবরই সতর্ক অবস্থানের কথা বলেছেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রচুর সাংবাদিক ভিসার আবেদন করেছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাত্র ২০ জন অনুমোদন পাচ্ছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ সদস্যের একটি নিরাপত্তা দল ইতিমধ্যে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। 

আলোচনায় বড় মতপার্থক্য

আলোচনায় বসার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইরান যে ১০ দফা শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। 

হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের তদারকি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে হামলার বন্ধের দাবি রয়েছে সেখানে।

যুক্তরাষ্ট্র এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব মেনে নেয়নি। তবে ডনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনাকে “কার্যকর হতে পারে” বলে মন্তব্য করেছেন।

হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ছেড়ে দিতে রাজি। তবে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জহানা যায়নি। 

আরেকটি বড় বিরোধের জায়গা লেবানন ইস্যু। সেখানে ইসরায়েলের হামলায় একদিনেই দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। 

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েলের হামলা চলতে থাকলে ইরান যুদ্ধবিরতি থেকে সরে আসতে পারে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা যুদ্ধবিরতি চায়, নাকি ইসরায়েলের মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়।

অন্যদিকে, জেডি ভ্যান্স বলেছেন, যুদ্ধবিরতির শর্তে লেবাননের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত নয়। হোয়াইট হাউসও একই অবস্থান নিয়েছে।

সাবেক পাকিস্তানি কূটনীতিক মাসুদ খালিদ বলেন, আলোচনা শুরুর আগেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে গেছে।

তার ভাষায়, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি খারাপ করছে, যেন আলোচনা ভেস্তে যায়।

তিনি বলেন, এতে দুই পক্ষ আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে। ফলে আলোচনা দীর্ঘ হতে পারে এবং ১৫ দিনের সময়সীমার বাইরে গড়াতে পারে।

ওয়াশিংটনে বিশ্লেষক সাহার খানও একই মত দিয়েছেন। তার মতে, দুই দেশের মধ্যে আস্থার অভাবই সবচেয়ে বড় বাধা।

তিনি বলেন, উভয় পক্ষই এখন নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে তুলে ধরছে। তবে তারা যদি আলোচনায় বসতে পারে, সেটাই বড় অগ্রগতি হবে।

কী ফল আসতে পারে  

দুই দেশের মধ্যে গভীর অবিশ্বাস এখনো বড় বাধা।  তাই স্বল্প সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। 

ইরানের রাষ্ট্রদূত ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইসরায়েলের হামলা আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হতে পারে।

লেবানন ইস্যুই এখন সবচেয়ে বড় বিরোধের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত খালিদ বলেন, পাকিস্তানের আমন্ত্রণে লেবাননের বিষয়টি উল্লেখ ছিল।

তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এটি প্রত্যাখ্যান করেন। পরে ট্রাম্পও যুদ্ধবিরতির বাইরে লেবাননকে রাখেন।

অন্যদিকে, ইরান জোর দিয়ে বলছে যে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করতে হবে। 

যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কিছু দেশও একই দাবি জানিয়েছে। 

এই ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনেকটাই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করছে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। 

সাহার খান মনে করেন, লেবানন ইস্যু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যেও বড় বিভেদ তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে তখনই, যখন ইসরায়েল হামলা বন্ধ করবে।

গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের নির্বাহী পরিচালক দানিয়া থাফার বলেন, আলোচনায় ইসরায়েলের অনুপস্থিতি একটি বড় সমস্যা।
কারণ যুদ্ধের একটি পক্ষ হয়েও তারা আলোচনায় নেই। এতে ভবিষ্যতে কোনো চুক্তি বাস্তবায়নে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির আলোচনা

সাবেক পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত মাসুদ খালিদের মতে, সময়ের সঙ্গে দুই পক্ষের কঠোর অবস্থান কিছুটা নরম হতে পারে।

তিনি বলেন, পারমাণবিক ইস্যুতে আংশিক সমঝোতা এবং হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়ে বহুপক্ষীয় সমাধান সম্ভব হতে পারে।

শান্তি চুক্তির গ্যারান্টি কে দেবে এই প্রশ্নেও অনিশ্চয়তা রয়েছে মন্তব্য করে  খালিদ বলেন, কোনো একক দেশ এই দায়িত্ব নিতে চাইবে না। চীনও এমন ঝুঁকি নিতে আগ্রহী নয়।

তিনি মনে করেন, যেকোনো চুক্তির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলো, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা এবং একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাব প্রয়োজন হবে।

তবে সাহার খান বলেন, এখনই গ্যারান্টির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয়। তার মতে, প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত আস্থা তৈরি করা।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলকে লেবাননে হামলা বন্ধ করতে রাজি করাতে পারে, সেটিই বড় অগ্রগতি হবে।

(আল-জাজিরা, ডন, বিবিসি অবলম্বনে)