ভারতে গ্রেপ্তার হাদী হত্যায় অভিযুক্তদের কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়েছে বাংলাদেশ
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৫ পিএমআপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
ভারতের গ্রেপ্তার হাদি হত্যায় অভিযুক্তের কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়েছে বাংলাদেশ
শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাদের সাথে কথা বলতে ও আইনি সহায়তা দিতে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ভারত সরকারের কাছে 'কনস্যুলার অ্যাকসেস' চেয়েছে।
বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফয়সাল ও আলমগীর নামে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি কলকাতা পুলিশ তাদের নিশ্চিত করেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম তাদের শরীফ ওসমান বিন হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে উপহাইকমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে।
শনিবার রাতে বনগাঁও সীমান্ত থেকে অনুপ্রবেশের অভিযোগে এসটিএফ তাদের গ্রেপ্তার করে এবং রবিবার স্থানীয় আদালতে হাজির হলে রিমান্ড মঞ্জুর হয়।।
কনস্যুলার অ্যাকসেস কী?
কনস্যুলার অ্যাকসেস হলো বিদেশে আটক কোনো নাগরিকের জন্য তার নিজ দেশের দূতাবাসের আইনি সহায়তা পাওয়ার আন্তর্জাতিক অধিকার।
আইন অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য দেশে গ্রেপ্তার বা আটক হন, তবে সেই দেশের সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দেশের দূতাবাসকে বিষয়টি জানাবেন। এর মাধ্যমে দূতাবাসের কর্মকর্তারা আটক ব্যক্তির সাথে সরাসরি দেখা করা, তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা এবং তাকে প্রয়োজনীয় আইনি বা পারিবারিক যোগাযোগ স্থাপনে তৈরিতে সহায়তা করার সুযোগ পান।
ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী, বিদেশি কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হলে যত দ্রুত সম্ভব দূতাবাসকে এই খবরটি দিতে হবে। এরপর কনস্যুলার প্রতিনিধি সেই ব্যক্তির সাথে কারাগারে গিয়ে দেখা করতে পারবেন। তিনি নিশ্চিত করবেন যে আটক ব্যক্তিটি ন্যায়বিচার পাচ্ছেন কি-না এবং প্রয়োজনে তার জন্য আইনজীবী নিয়োগ বা পরিবারের সাথে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেবেন।
ভারতে গ্রেপ্তার হাদী হত্যায় অভিযুক্তদের কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়েছে বাংলাদেশ
শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাদের সাথে কথা বলতে ও আইনি সহায়তা দিতে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ভারত সরকারের কাছে 'কনস্যুলার অ্যাকসেস' চেয়েছে।
বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফয়সাল ও আলমগীর নামে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি কলকাতা পুলিশ তাদের নিশ্চিত করেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম তাদের শরীফ ওসমান বিন হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে উপহাইকমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে।
শনিবার রাতে বনগাঁও সীমান্ত থেকে অনুপ্রবেশের অভিযোগে এসটিএফ তাদের গ্রেপ্তার করে এবং রবিবার স্থানীয় আদালতে হাজির হলে রিমান্ড মঞ্জুর হয়।।
কনস্যুলার অ্যাকসেস কী?
কনস্যুলার অ্যাকসেস হলো বিদেশে আটক কোনো নাগরিকের জন্য তার নিজ দেশের দূতাবাসের আইনি সহায়তা পাওয়ার আন্তর্জাতিক অধিকার।
আইন অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য দেশে গ্রেপ্তার বা আটক হন, তবে সেই দেশের সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দেশের দূতাবাসকে বিষয়টি জানাবেন। এর মাধ্যমে দূতাবাসের কর্মকর্তারা আটক ব্যক্তির সাথে সরাসরি দেখা করা, তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা এবং তাকে প্রয়োজনীয় আইনি বা পারিবারিক যোগাযোগ স্থাপনে তৈরিতে সহায়তা করার সুযোগ পান।
ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী, বিদেশি কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হলে যত দ্রুত সম্ভব দূতাবাসকে এই খবরটি দিতে হবে। এরপর কনস্যুলার প্রতিনিধি সেই ব্যক্তির সাথে কারাগারে গিয়ে দেখা করতে পারবেন। তিনি নিশ্চিত করবেন যে আটক ব্যক্তিটি ন্যায়বিচার পাচ্ছেন কি-না এবং প্রয়োজনে তার জন্য আইনজীবী নিয়োগ বা পরিবারের সাথে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেবেন।
বিষয়: