ক্যালিফোর্নিয়ার ইসলামিক সেন্টারে বন্দুক হামলা, ৫ জনের প্রাণহানি
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ১০:৩৬ এএমআপডেট : ১৯ মে ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
সোমবার দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগো (আইসিএসডি)-তে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগো শহরের একটি ইসলামিক সেন্টারে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় দুই সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে সম্ভাব্য ‘হেট ক্রাইম’ বা বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে।
সোমবার দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগো (আইসিএসডি)-তে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই দুই সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর মরদেহ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা আত্মঘাতী গুলিতে নিহত হয়েছে।
সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াল সাংবাদিকদের বলেন, মসজিদকে লক্ষ্যবস্তু করেই হামলাটি চালানো হয়েছে কি না, সেটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে ইসলামিক সেন্টারের এক নিরাপত্তাকর্মীও ছিলেন। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠা ঠেকাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীর বয়স আনুমানিক ১৭ ও ১৯ বছর। তবে তাদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। হামলায় নিহত বাকি তিনজনই প্রাপ্তবয়স্ক। এ ঘটনায় কোনো শিশু শারীরিকভাবে আহত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পর ইসলামিক সেন্টারের ইমাম তাহা হাসানে বলেন, এই কেন্দ্রটি শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং সব ধর্মের মানুষের জন্য উন্মুক্ত একটি উপাসনা ও শিক্ষার স্থান।
এমন জায়গাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো অত্যন্ত ন্যক্কারজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সান ডিয়েগোর মেয়র টড গ্লোরিয়া স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, “এই শহরে ঘৃণার কোনো স্থান নেই।”
একইসঙ্গে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাস দেন তিনি।
এ দিকে হামলার পর নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগও শহরের মসজিদগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। যদিও নিউইয়র্কের সঙ্গে এই ঘটনার সরাসরি কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি, তবুও অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাজনৈতিক নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের কার্যালয় জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনাকে “ভয়াবহ” বলে উল্লেখ করেছেন। একইসঙ্গে এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, তদন্তে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।
ক্যালিফোর্নিয়ার ইসলামিক সেন্টারে বন্দুক হামলা, ৫ জনের প্রাণহানি
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগো শহরের একটি ইসলামিক সেন্টারে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় দুই সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে সম্ভাব্য ‘হেট ক্রাইম’ বা বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে।
সোমবার দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগো (আইসিএসডি)-তে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই দুই সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর মরদেহ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা আত্মঘাতী গুলিতে নিহত হয়েছে।
সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াল সাংবাদিকদের বলেন, মসজিদকে লক্ষ্যবস্তু করেই হামলাটি চালানো হয়েছে কি না, সেটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে ইসলামিক সেন্টারের এক নিরাপত্তাকর্মীও ছিলেন। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠা ঠেকাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীর বয়স আনুমানিক ১৭ ও ১৯ বছর। তবে তাদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। হামলায় নিহত বাকি তিনজনই প্রাপ্তবয়স্ক। এ ঘটনায় কোনো শিশু শারীরিকভাবে আহত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পর ইসলামিক সেন্টারের ইমাম তাহা হাসানে বলেন, এই কেন্দ্রটি শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং সব ধর্মের মানুষের জন্য উন্মুক্ত একটি উপাসনা ও শিক্ষার স্থান।
এমন জায়গাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো অত্যন্ত ন্যক্কারজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সান ডিয়েগোর মেয়র টড গ্লোরিয়া স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, “এই শহরে ঘৃণার কোনো স্থান নেই।”
একইসঙ্গে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাস দেন তিনি।
এ দিকে হামলার পর নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগও শহরের মসজিদগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। যদিও নিউইয়র্কের সঙ্গে এই ঘটনার সরাসরি কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি, তবুও অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাজনৈতিক নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের কার্যালয় জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনাকে “ভয়াবহ” বলে উল্লেখ করেছেন। একইসঙ্গে এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, তদন্তে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।
বিষয়: