জবাবদিহিতাবিহীন নিরাপত্তা কখনো স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না: স্পিকার
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ০৬:৫২ পিএমআপডেট : ২০ মে ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
জবাবদিহিতাবিহীন নিরাপত্তা কখনো স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন,
প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান বিস্তারের কারণে নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে বিনিয়োগ করতে হবে। এটি একদিকে জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে আমাদের দায়িত্বশীলতাকে প্রমাণ করবে এবং অন্যদিকে জনগণের আস্থা ও ভরসাকে সুদৃঢ় করবে।
বুধবার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর ফ্যাকাল্টি অব সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (এফএসএসএস)-এর আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সিএফএস আন্তর্জাতিক সম্মেলনে একথ বলেন তিনি।
সম্মেলনের শেষ দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নিরাপত্তা শুধু অভ্যন্তরীণ শক্তির উপর নির্ভর করে না। বরং এটি জাতির অর্জিত জ্ঞান, প্রজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক সীমানার স্থিতিশীলতার উপরও নির্ভর করে।
বক্তব্যে পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা, কৌশলগত সংলাপ এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।
"নতুন বিশ্বব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা" শীর্ষক এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় ও গবেষণাভিত্তিক গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপালের ড. প্রমোদ জয়সওয়াল, শ্রীলঙ্কার সুভাশিনি আবেয়াসিংহে, পাকিস্তানের ড. সালমা মালিক এবং সুইডেনের ড. গ্রেগ সিমন্স। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্ট অধ্যাপক ও সংশ্লিষ্ট গবেষকগণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে শিক্ষাবিষয়ক একাধিক অধিবেশন, প্যানেল আলোচনা এবং গবেষণাপত্র উপস্থাপন করার মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা ও নীতিনির্ভর আলোচনায় প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
বিইউপিতে সিএফএস সম্মেলন ২০২৬
জবাবদিহিতাবিহীন নিরাপত্তা কখনো স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না: স্পিকার
প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান বিস্তারের কারণে নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে বিনিয়োগ করতে হবে। এটি একদিকে জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে আমাদের দায়িত্বশীলতাকে প্রমাণ করবে এবং অন্যদিকে জনগণের আস্থা ও ভরসাকে সুদৃঢ় করবে।