মূল্যস্ফীতিকে প্রাধান্য দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ পিএমআপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করলো বাংলাদেশ ব্যাংক। ছবি: বাংলাদেশ ব্যাংক
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুদহার আগের মতোই ১০ শতাংশ রাখা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যালয়ে মঙ্গলবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস, অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
মূল্যস্ফীতি কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বাড়ানো, প্রকৃত বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করাকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে মুদ্রানীতিতে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কম বিনিয়োগ, জ্বালানি অনিশ্চয়তা এবং উচ্চ খেলাপি ঋণের চাপের মধ্যে আছে। এ অবস্থায় চাহিদা নিয়ন্ত্রণমূলক নীতির পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতাও মূল্যস্ফীতির একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মুদ্রানীতিতে নীতিগত সুদের হার (পলিসি রেপো রেট) ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। একই সাথে আন্তব্যাংক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ১১ দশমিক ৫ শতাংশ ও স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) ৭ দশমিক ৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
উচ্চ সুদের হার বজায় রেখে অর্থনীতিতে অতিরিক্ত তারল্য কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হবে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
মূল্যস্ফীতিকে প্রাধান্য দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুদহার আগের মতোই ১০ শতাংশ রাখা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যালয়ে মঙ্গলবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস, অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
মূল্যস্ফীতি কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বাড়ানো, প্রকৃত বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করাকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে মুদ্রানীতিতে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কম বিনিয়োগ, জ্বালানি অনিশ্চয়তা এবং উচ্চ খেলাপি ঋণের চাপের মধ্যে আছে। এ অবস্থায় চাহিদা নিয়ন্ত্রণমূলক নীতির পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতাও মূল্যস্ফীতির একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মুদ্রানীতিতে নীতিগত সুদের হার (পলিসি রেপো রেট) ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। একই সাথে আন্তব্যাংক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ১১ দশমিক ৫ শতাংশ ও স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) ৭ দশমিক ৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
উচ্চ সুদের হার বজায় রেখে অর্থনীতিতে অতিরিক্ত তারল্য কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হবে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বিষয়: