জামিন পেলেও মুক্তি নেই: শ্যোন অ্যারেস্ট কি রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠছে? 

নতুন মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোয় আদালতের জামিন আদেশ কার্যকর হওয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, শ্যোন অ্যারেস্টের প্রয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করছে এবং বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাগুলোকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও অনেক মুক্তি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। জামিন কার্যকরের আগেই তাদের অন্য মামলায় ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে ফের আটক রাখার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে বিচারিক আদেশ বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং আইনের প্রয়োগ নিয়ে। 

গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেও দাবি করা হয়েছে, জামিন, কারামুক্তি এবং শ্যোন অ্যারেস্ট প্রক্রিয়াকে ঘিরে একটি জটিল ও দীর্ঘ প্রশাসনিক ধাপ তৈরি হয়েছে, যেখানে প্রতিটি স্তরে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগও রয়েছে। 

এই পরিস্থিতিতে সাবেক মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সাংবাদিক বিভিন্ন পেশার আসামিদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটার অভিযোগ সামনে এসেছে, যা আইন প্রয়োগ ও ন্যায়বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

অনেক মামলায় আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও কারামুক্তি মিলছে না অনেক আসামির। জামিনের পর কারামুক্তির আগেই দেখানো হচ্ছে অন্য কোনো মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট। 

গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী,  কাগজে-কলমে জামিন, অর্থাৎ মুক্তি নিশ্চিত হলেও বাস্তবে কারাগারের দরজা খুলতে লাগছে পাঁচ স্তরের অদৃশ্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স। অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, জামিন, কারামুক্তি ও শ্যোন অ্যারেস্ট ঘিরে প্রতিটি ধাপেই অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ।  

২০২৬ সালের মে মাসে দৈনিক যুগান্তর রাজধানীর বিভিন্ন থানার ২০টি মামলা বিশ্লেষণ করে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, জামিন পেলেও সহজেই আসামিদের মুক্তি মিলছে না। কারামুক্তির জন্য তৈরি হয়েছে ‘পুলিশের পাঁচ স্তরের ক্লিয়ারেন্স’ প্রক্রিয়া। 

প্রথমে আদালতের জামিন আদেশ ডিএমপির ডিসি প্রসিকিউশন হয়ে কারাগারে পৌঁছায়। এরপর সেটি যায় বিভাগীয় পুলিশের কার্যালয়, সেখান থেকে যায় সংশ্লিষ্ট থানায়। সবশেষে আবার কারাগারে ফিরে আসে নিশ্চিতকরণের জন্য। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি স্তরেই ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ‘একেকটি ধাপ পার হতে আলাদা করে ‘ম্যানেজ’ করতে হয়। না হলে পরবর্তী সময়ে অন্য মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। যার ফলে আসামি কারামুক্ত হতে পারেন না।

শ্যোন অ্যারেস্ট কী

সিআরপিসি অনুযায়ী এবং সুপ্রিমকোর্টের বিভিন্ন নজির অনুযায়ী আদালত জামিন মঞ্জুর করার পর তা কার্যকর করা প্রশাসনের দায়িত্ব। জামিন পাওয়া আসামিকে অযথা কারাগারে আটকে রাখা বা কারামুক্তিতে বিলম্ব আইনের পরিপন্থি। যার ফলে প্রশ্ন উঠছে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন নিয়ে।

২০২৫ সালের আগে আইনের পরিভাষায় ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ নামে সরাসরি কোনো শব্দ ছিলো না। অবশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫ সালের ১০ অগাস্ট ‘কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডন্যান্স-২০২৫’ নামে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। 

ওই অধ্যাদেশের ‘১৬৭ এ’ ধারায় ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ শব্দটি যুক্ত করা হয়। এর তিনটি উপধারায় শ্যোন অ্যারেস্ট আসামির ক্ষেত্রে আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার কথা উল্লেখ ছিলো। তবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই অধ্যাদেশ রহিত করে ‘কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২৬’ (২০২৬ সনের ১১ নম্বর আইন) তৈরি করে। তাতে শ্যোন অ্যারেস্টের বিষয়ে ‘১৬৭ এ’ ধারার সন্নিবেশ রয়েছে।

সাংবাদিক আজহার আলী সরকারসহ যাদেরকে বারবার গ্রেপ্তার

এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো আমলযোগ্য আদালতে বিচার বা অনুসন্ধানের সময় যদি সাক্ষ্য-প্রমাণে প্রতীয়মান হয় যে, আদালতে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি একটি অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তবে আদালত সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তিকে আটক করার বা গ্রেপ্তার দেখানোর ক্ষমতা রাখেন, যা শ্যোন অ্যারেস্ট নামে পরিচিত। কিন্তু পুলিশ সাধারণত জামিন হলেই সংশ্লিষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে এই শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করছে।

কেন আলোচনায় এই আইন

দেড় বছর পর হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করলেও কারামুক্ত হতে পারেননি সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী। তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট করে আটকে রাখা হয়। 

কাজী কেরামত আলীর আইনজীবীরা জানান, ২০২৪ সালের ৩০এ অগাস্ট দায়ের করা মামলার ২ নম্বর আসামি হিসেবে ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল রাজধানী ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ২রা সেপ্টেম্বর দায়ের হওয়া মামলাতেও তাকে আসামি দেখিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২৫ সালের ১৭ই নভেম্বর এবং ৪ঠা জুন হাইকোর্ট থেকে জামিন পান কাজী কেরামত আলী। জামিন পাওয়ার পর গত ৯ই জুন তার কারামুক্ত হওয়ার কথা ছিলো। তবে ওই দিনই পুলিশ তাকে অপর একটি মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করে। এরপর বৃহস্পতিবার রাজবাড়ীর ১ নম্বর আমলি আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে পুনরায় কাজী কেরামত আলীকে কারাগারে পাঠানো হয়।

একই ঘটনা ঘটেছে সাংবাদিক আজহার আলীর সঙ্গে। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর রাতে রাজধানীর বনশ্রী এলাকা থেকে আজহার আলীকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর তাকে একাধিক মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। 

দৈনিক আমাদের সময়ের সাবেক এই সাংবাদিক জামিন পেয়েও মুক্তি পাননি। শ্যোন অ্যারেস্ট এর কারণে বন্দী আছেন কারাগারে। 

সোমবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজধানীর শাহবাগ থানায় করা এক মামলায় আজহার আলীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত বছর ‘মঞ্চ ৭১’–এর একটি গোলটেবিল বৈঠক ঘিরে করা হয়েছিল এই মামলা। সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীও এই মামলার আসামি।

এ ছাড়া ৪ মাস আগেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ইন্টিরিয়র মিস্ত্রি সেলিম মণ্ডল হত্যা মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছিল পুলিশ। ২৭এ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে আইভীকে এই শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। 

সাবেক মেয়র আইভীর সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে আইভীকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন। বিষয়টি আদালত গ্রহণ করে আইভীকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখায়।

অপব্যবহারের শঙ্কা ও বিচারিক গাইডলাইনের দাবি

আইন বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকদের মতে, শ্যোন অ্যারেস্টের বর্তমান প্রয়োগ নিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক বাস্তবতার মধ্যে একটি স্পষ্ট ব্যবধান তৈরি হয়েছে। 

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী কাওসার আহ্‌মেদ বলেন, “আমাদের দেশে যেভাবে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়, অনেক ক্ষেত্রেই এটি এবিউজ অব প্রসেস (প্রক্রিয়ার অপব্যবহার) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন আসামি যখন সব মামলায় জামিন পেয়ে যাচ্ছেন, ঠিক সেই সময়ই তাকে নতুন মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হচ্ছে, প্রশ্ন হচ্ছে, এটা আগে কেন করা হচ্ছে না?

আদালতে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাতে হলে যথাযথ তদন্ত ও প্রাথমিকভাবে দৃশ্যমান কিছু প্রমাণ থাকা উচিত। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে অজ্ঞাতনামা মামলায়ও ব্যক্তিদের নাম যুক্ত করা হচ্ছে, যেখানে তাদের সংশ্লিষ্টতার সুস্পষ্ট ভিত্তি থাকে না।

এটি রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের একটি ঝুঁকিও তৈরি করছে মন্তব্য করে এই আইনজীবী বলেন,  সুপ্রিম কোর্টের উচিত শ্যোন অ্যারেস্টের ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট গাইডলাইন দেওয়া, যেমন ৫৪ ধারার গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে দেওয়া হয়েছিল। 

তিনি বলেন, “ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে বিষয়টি আরও কঠোরভাবে যাচাই করা দরকার, যাতে আদালতের প্রক্রিয়া অপব্যবহারের সুযোগ না থাকে।”

বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, মানবাধিকার কর্মী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির। আলাপকে তিনি বলেন, এই আইনের প্রয়োগ যখন ব্যক্তির স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং জামিনের অধিকারকে কার্যত অকার্যকর করে তোলে, তখন অবশ্যই এটা উদ্বেগজনক। 

তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পরপরই যদি ধারাবাহিকভাবে অন্য মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে কারাগারে রাখা হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে যে এটি কি সত্যিকারের তদন্তের প্রয়োজন, নাকি আইনের অপব্যবহার?

এই মানবাধিকার কর্মী মনে করেন, সাম্প্রতিক সময়ে শ্যোন অ্যারেস্টকে ঘিরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যবহার, হয়রানি এবং ক্ষমতার অপপ্রয়োগের অভিযোগও উঠেছে। এসব অভিযোগ অবশ্যই নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। 

এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির অভিযোগ বিচারব্যবস্থা ও আইনের প্রতি জনগণের আস্থা দুর্বল করে বলে মত দেন তিনি। 

ফয়জুল কবির বলেন, “আইনের শাসনের মৌলিক নীতি হলো, ব্যক্তির স্বাধীনতা সীমিত করার প্রতিটি সিদ্ধান্ত হতে হবে প্রয়োজনীয়, যুক্তিসঙ্গত এবং আদালতের কার্যকর তত্ত্বাবধানে। তাই শোন অ্যারেস্টের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, বিচারিক নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।”

তিনি আরও যোগ করে জানান, “আইন কখনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার হাতিয়ার হতে পারে না; এর একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষা।”

প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদও। 

আলাপকে তিনি বলেন, “অতীতের ইতিহাস দেখলে আমরা দেখি যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে শ্যোন অ্যারেস্ট বা পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়টি দৃশ্যমান ছিলো। অর্থাৎ এটি নতুন কিছু নয়।”

তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী কাউকে গ্রেপ্তার করা হলে তার কারণ দেখানো বা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। যদি পুরো প্রক্রিয়াটি আইনানুগভাবে অনুসরণ করা হয়, তাহলে সেটি ভিন্ন বিষয়।

তবে আগেও রাজনৈতিক কারণে কেউ জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরপরই অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুনরায় আটকের ইতিহাস আছে উল্লেখ করে এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন,  বিষয়টি অনেক সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হয়। আবার যদি পুরো প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়, তাহলে সেটি আইনি কাঠামোর মধ্যেই পড়ে।

তিনি মনে করেন, সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন প্রক্রিয়াটি খুব দ্রুত বা অসমভাবে প্রয়োগ করা হয়। তখনই প্রশ্ন ওঠে যে এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব আছে কি-না। এই ধরনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে আইন অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে কি-না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এমন উদাহরণ আগেও দেখা গেছে। অনেক সময় দেখা যায়, ঘটনাস্থলে ব্যক্তি উপস্থিত না থাকলেও তাকে মামলায় জড়ানো হয়।”

তিনি মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে জনমনে সন্দেহ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক যে এখানে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছে।