মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:২৯ পিএমআপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে তাকে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই রায় ঘোষণা করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যাসহ আটটি অভিযোগ করা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। তার মধ্যে একটি অভিযোগের তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হয়।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, মঈনুল করিম, আবদুস সোবহান তরফদারসহ অন্যরা।
জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে ২০২৪ সালের ৫ই অগাস্ট কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। গুলিতে নিহত হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। আহত হন বহু নিরীহ মানুষ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ইনুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়।
ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে তিন নম্বর অভিযোগে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ করে মোট দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং উভয় চার্জে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায়ের সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে তাকে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই রায় ঘোষণা করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যাসহ আটটি অভিযোগ করা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। তার মধ্যে একটি অভিযোগের তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হয়।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, মঈনুল করিম, আবদুস সোবহান তরফদারসহ অন্যরা।
জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে ২০২৪ সালের ৫ই অগাস্ট কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। গুলিতে নিহত হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। আহত হন বহু নিরীহ মানুষ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ইনুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়।
ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে তিন নম্বর অভিযোগে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ করে মোট দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং উভয় চার্জে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায়ের সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
বিষয়: