প্রি-পেইড মিটারে ডিমান্ড চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা, কিন্তু বিলে বহাল কাটতি
সরকারের মন্ত্রী প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও নতুন বিইআরসি ট্যারিফে আগের মতোই ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া বহাল থাকায় গ্রাহকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। এদিকে বিদ্যুতের দাম পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানোর পর লাইফলাইন গ্রাহকের ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম আগের দামে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
মেরাজ মেভিজ
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:১৭ পিএমআপডেট : ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
মিটার চার্জ ও ডিমান্ড চার্জ এখনও বহাল
প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের মাসিক চার্জ তুলে দেওয়ার ঘোষণা এসেছিল সরকারের পক্ষ থেকে। এমনকি বিএনপির মিডিয়া সেলও বুধবার সেই সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরে।
কিন্তু নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফ ঘোষণার পর দেখা যাচ্ছে, গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের বিতর্কিত মিটার চার্জ ও ডিমান্ড চার্জ এখনও বহাল রয়েছে।
বিদ্যুত বিভাগের এই ঘোষণার পরও নতুন ট্যারিফে চার্জ বহাল থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “আমি চেক করে দেখছি। এরপর জানাব।”
তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে তার কাছ থেকে আর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে বিদ্যুত বিভাগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) নতুন ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিশেষ করে লাইফলাইন বা প্রান্তিক গ্রাহকদের ওপর বাড়তি ব্যয়ের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে ট্যারিফ সংশোধনের দাবি তুলেছে বিভাগটি।
ঘোষণার পরও কেন রইল চার্জ?
চলতি বছরের ২৯এ মার্চ বিদ্যুত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রিপেইড বিদ্যুত মিটারের মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
এরপর বুধবার বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টি পুনরায় তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, বিএনপি সরকারের ১০০ দিনের মধ্যে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করতে প্রিপেইড বিদ্যুত মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মিডিয়া সেলের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি জনদুর্ভোগ কমানোর সরকারের প্রতিশ্রুতির অংশ।
তবে একই সময়ে বিইআরসি বিদ্যুতের নতুন পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা ট্যারিফ ঘোষণা করলে সেখানে আগের মতোই ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়ার বিধান বহাল দেখা যায়।
এতে গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে- ঘোষণা অনুযায়ী চার্জ প্রত্যাহার হয়েছে, নাকি এখনও কার্যকর রয়েছে?
বিষয়টি নিয়ে বিইআরসি, ডিপিডিসি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।
একজন গ্রাহক কত টাকা দেন?
বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল-ফেজ সংযোগে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা আদায় করা হয়।
এসব চার্জের ওপর অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাটও যুক্ত হয়।
ধরা যাক, একজন আবাসিক গ্রাহকের অনুমোদিত লোড ১ কিলোওয়াট এবং তার সিঙ্গেল-ফেজ সংযোগ রয়েছে।
সে ক্ষেত্রে মাসে তাকে দিতে হয়-
ডিমান্ড চার্জ: ৪২ টাকা
মিটার ভাড়া: ৪০ টাকা
মোট স্থির চার্জ: ৮২ টাকা
৫% ভ্যাট: ৪.১০ টাকা
অর্থাৎ কোনো ইউনিট বিদ্যুত ব্যবহার না করলেও তাকে অন্তত ৮৬ টাকা ১০ পয়সা পরিশোধ করতে হয়।
বিদ্যুৎ খাতের ভাষায় ডিমান্ড চার্জ হলো অবকাঠামো, ট্রান্সফরমার, বিতরণ লাইন ও সংযোগ প্রস্তুত রাখার জন্য নির্ধারিত ফি। অন্যদিকে মিটার ভাড়া নেওয়া হয় মিটার পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাবদ।
এতে বলা হয়, বিভিন্ন ধাপের (স্লাব) গ্রাহকদের মধ্যে সবচেয়ে কম ১৫ শতাংশ ও সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন এ দাম জুন থেকেই কার্যকর হচ্ছে বলেও জানানো হয়।
এরপর বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুতের নতুন দাম নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে নতুন ট্যারিফ পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিইআরসি সম্প্রতি বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ করেছে। কিন্তু সেই ট্যারিফে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) যে লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য বিশেষ প্রস্তাব পাঠিয়েছিল, তার প্রতিফলন ঘটেনি।
বিদ্যুত বিভাগের মতে, এর ফলে বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে এবং তাদের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ কারণে লাইফলাইন গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে নতুন ট্যারিফ পুনর্বিবেচনা করার জন্য বিইআরসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়।
যা আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলেই র্শূণ্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম আগের দামে রাখার ঘোষণা দেয় বিইআরসি।
ঘোষণায় বলা হয়, সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কোম্পানির আবাসিক গ্রাহকশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত লাইফ লাইনের (০-৫০ ইউনিট) এনার্জি রেট ৪ টাকা ৬৩ পয়সা এবং আবাসিক প্রথম ধাপের (০-৭৫ ইউনিট) এনার্জি রেট ৫ টাকা ২৬ পয়সা বিল জুন মাস থেকে কার্যকর থাকবে।
বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
গ্রাহক ও খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউনিটভিত্তিক বিদ্যুতের দাম কম বা অপরিবর্তিত থাকলেও স্থির চার্জ বহাল থাকলে কম বিদ্যুত ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ওপর তুলনামূলক বেশি চাপ পড়ে।
তাদের মতে, লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া পুরোপুরি প্রত্যাহার বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো।
এদিকে সরকার একদিকে চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিচ্ছে, অন্যদিকে নতুন ট্যারিফে তা বহাল থাকায় গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
এখন দেখার অপেক্ষা প্রি-পেইড মিটারের ডিমান্ড চার্জ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে কি না।
প্রি-পেইড মিটারে ডিমান্ড চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা, কিন্তু বিলে বহাল কাটতি
সরকারের মন্ত্রী প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও নতুন বিইআরসি ট্যারিফে আগের মতোই ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া বহাল থাকায় গ্রাহকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। এদিকে বিদ্যুতের দাম পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানোর পর লাইফলাইন গ্রাহকের ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম আগের দামে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের মাসিক চার্জ তুলে দেওয়ার ঘোষণা এসেছিল সরকারের পক্ষ থেকে। এমনকি বিএনপির মিডিয়া সেলও বুধবার সেই সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরে।
কিন্তু নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফ ঘোষণার পর দেখা যাচ্ছে, গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের বিতর্কিত মিটার চার্জ ও ডিমান্ড চার্জ এখনও বহাল রয়েছে।
বিদ্যুত বিভাগের এই ঘোষণার পরও নতুন ট্যারিফে চার্জ বহাল থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “আমি চেক করে দেখছি। এরপর জানাব।”
তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে তার কাছ থেকে আর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে বিদ্যুত বিভাগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) নতুন ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিশেষ করে লাইফলাইন বা প্রান্তিক গ্রাহকদের ওপর বাড়তি ব্যয়ের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে ট্যারিফ সংশোধনের দাবি তুলেছে বিভাগটি।
ঘোষণার পরও কেন রইল চার্জ?
চলতি বছরের ২৯এ মার্চ বিদ্যুত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রিপেইড বিদ্যুত মিটারের মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
এরপর বুধবার বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টি পুনরায় তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, বিএনপি সরকারের ১০০ দিনের মধ্যে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করতে প্রিপেইড বিদ্যুত মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মিডিয়া সেলের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি জনদুর্ভোগ কমানোর সরকারের প্রতিশ্রুতির অংশ।
তবে একই সময়ে বিইআরসি বিদ্যুতের নতুন পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা ট্যারিফ ঘোষণা করলে সেখানে আগের মতোই ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়ার বিধান বহাল দেখা যায়।
এতে গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে- ঘোষণা অনুযায়ী চার্জ প্রত্যাহার হয়েছে, নাকি এখনও কার্যকর রয়েছে?
বিষয়টি নিয়ে বিইআরসি, ডিপিডিসি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।
একজন গ্রাহক কত টাকা দেন?
বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল-ফেজ সংযোগে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা আদায় করা হয়।
এসব চার্জের ওপর অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাটও যুক্ত হয়।
ধরা যাক, একজন আবাসিক গ্রাহকের অনুমোদিত লোড ১ কিলোওয়াট এবং তার সিঙ্গেল-ফেজ সংযোগ রয়েছে।
সে ক্ষেত্রে মাসে তাকে দিতে হয়-
ডিমান্ড চার্জ: ৪২ টাকা
মিটার ভাড়া: ৪০ টাকা
মোট স্থির চার্জ: ৮২ টাকা
৫% ভ্যাট: ৪.১০ টাকা
অর্থাৎ কোনো ইউনিট বিদ্যুত ব্যবহার না করলেও তাকে অন্তত ৮৬ টাকা ১০ পয়সা পরিশোধ করতে হয়।
বিদ্যুৎ খাতের ভাষায় ডিমান্ড চার্জ হলো অবকাঠামো, ট্রান্সফরমার, বিতরণ লাইন ও সংযোগ প্রস্তুত রাখার জন্য নির্ধারিত ফি। অন্যদিকে মিটার ভাড়া নেওয়া হয় মিটার পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাবদ।
বিইআরসিকে চিঠি দিল বিদ্যুৎ বিভাগ
বুধবার সংবাদ সম্মেলনে নতুন দাম ঘোষণা করে বিইআরসি।
এতে বলা হয়, বিভিন্ন ধাপের (স্লাব) গ্রাহকদের মধ্যে সবচেয়ে কম ১৫ শতাংশ ও সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন এ দাম জুন থেকেই কার্যকর হচ্ছে বলেও জানানো হয়।
এরপর বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুতের নতুন দাম নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে নতুন ট্যারিফ পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিইআরসি সম্প্রতি বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ করেছে। কিন্তু সেই ট্যারিফে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) যে লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য বিশেষ প্রস্তাব পাঠিয়েছিল, তার প্রতিফলন ঘটেনি।
বিদ্যুত বিভাগের মতে, এর ফলে বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে এবং তাদের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ কারণে লাইফলাইন গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে নতুন ট্যারিফ পুনর্বিবেচনা করার জন্য বিইআরসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়।
যা আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলেই র্শূণ্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম আগের দামে রাখার ঘোষণা দেয় বিইআরসি।
ঘোষণায় বলা হয়, সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কোম্পানির আবাসিক গ্রাহকশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত লাইফ লাইনের (০-৫০ ইউনিট) এনার্জি রেট ৪ টাকা ৬৩ পয়সা এবং আবাসিক প্রথম ধাপের (০-৭৫ ইউনিট) এনার্জি রেট ৫ টাকা ২৬ পয়সা বিল জুন মাস থেকে কার্যকর থাকবে।
বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
গ্রাহক ও খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউনিটভিত্তিক বিদ্যুতের দাম কম বা অপরিবর্তিত থাকলেও স্থির চার্জ বহাল থাকলে কম বিদ্যুত ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ওপর তুলনামূলক বেশি চাপ পড়ে।
তাদের মতে, লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া পুরোপুরি প্রত্যাহার বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো।
এদিকে সরকার একদিকে চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিচ্ছে, অন্যদিকে নতুন ট্যারিফে তা বহাল থাকায় গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
এখন দেখার অপেক্ষা প্রি-পেইড মিটারের ডিমান্ড চার্জ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে কি না।