জুলাই আন্দোলনে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের ‘গোপন’ ভূমিকার কথা জানালেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জামাল হায়দার

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:০২ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কীভাবে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন? ৩রা অগাস্ট সেনানিবাসের গুরুত্বপূর্ণ দরবারে "গুলি না চালানোর" সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো প্রভাব ছিল কি? ৫i অগাস্টের আগে ও পরে সেনাবাহিনীর ভেতরে কী ঘটছিল?

জুলাইয়ের ভেতরের গল্প জানতেই আলাপ-এর বিশেষ আয়োজন ভয়েস অব জুলাই

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার উত্থান এবং আন্দোলনের নেপথ্যের ইতিহাস নিয়ে সাক্ষাৎকারভিত্তিক এই পডকাস্ট সিরিজে অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন আন্দোলনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রাজনীতিক, শিক্ষাবিদ, লেখক, সংগঠক ও বিশ্লেষকেরা।

উঠে এসেছে আন্দোলনের অজানা গল্প, এক দফার জন্ম, ক্ষমতার পালাবদলের নেপথ্য ঘটনা, নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান, অন্তর্বর্তী সরকারের চ্যালেঞ্জ, জুলাইয়ের অর্জন-অপূর্ণতা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

ভয়েস অব জুলাই-এর এই পর্বে অতিথি গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জামাল হায়দার। সাংবাদিক রেজোয়ানুল হক-এর সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সংগঠিত হওয়ার শুরুটা, ১৭ই জুলাই থেকে ৫ই অগাস্ট পর্যন্ত নেপথ্যের ঘটনাপ্রবাহ, দেয়াল লিখন, মিছিল ও কারফিউ উপেক্ষা করে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা, ৩রা অগাস্টের সেনা দরবার, সেনাপ্রধানকে পাঠানো বার্তা ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা, ৫ই অগাস্ট রাওয়া ক্লাব, জাহাঙ্গীর গেট ও রাজধানীর ঘটনাপ্রবাহ, জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশ নিয়ে তার মূল্যায়ন।