সাংবাদিক রুপা-বাবুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবি সিপিজের
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএমআপডেট : ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম
সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা।
বাংলাদেশে সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং তাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানিয়েছে কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সাংবাদিক হিসাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা অগ্রহণযোগ্য বলে দাবি সংস্থাটির।
সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সিপিজে জানায়, একই দিন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) ফারজানা রূপা ও মোজাম্মেল বাবুসহ মোট ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও রয়েছেন। মামলাটি ২০১৩ সালের মে মাসে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে পরিচালিত অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে অভিযোগ অনুযায়ী ৫৮ জন নিহত হন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মোজাম্মেল বাবুর নির্দেশনায় ফারজানা রুপা শাপলা চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাত্তর টেলিভিশনের জন্য একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেন, যেখানে দাবি করা হয় যে ওই ঘটনায় কেউ নিহত হয়নি। অভিযোগপত্রে এটিকে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিপিজের এশিয়া-প্যাসিফিক কর্মসূচির সমন্বয়ক কুনাল মজুমদার জানিয়েছেন, “সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে তাদের কাজ করার কারণে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। কর্তৃপক্ষের উচিত এসব অভিযোগ প্রত্যাহার করা এবং সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চক্রের অবসান ঘটানো।”
অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। কারণ, সুনির্দিষ্ট অপরাধের জন্য ট্রাইব্যুনালে পৃথক সাজা নির্ধারণের কোনো নির্দেশিকা নেই বলেও সিপিজের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়।
সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত আলাদা হত্যা মামলায় ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকেই কারাগারে রয়েছেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু। যদিও হাইকোর্ট তাদের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সেই আদেশ স্থগিত করেন। এমনকি সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই মামলায় তাদের কারাগারে আটক রাখা হয়।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে বাংলাদেশের আইন মন্ত্রণালয় এবং প্রধান কৌঁসুলির কার্যালয়ে ই-মেইল পাঠানো হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলেও জানায় সিপিজে।
ফারজানা রুপা একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সংবাদদাতা ও উপস্থাপক এবং মোজাম্মেল বাবু চ্যানেলটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান সম্পাদক। তারা চলতি বছরের ১৪ই মে এই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার হন।
সাংবাদিক রুপা-বাবুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবি সিপিজের
বাংলাদেশে সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং তাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানিয়েছে কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সাংবাদিক হিসাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা অগ্রহণযোগ্য বলে দাবি সংস্থাটির।
সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সিপিজে জানায়, একই দিন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) ফারজানা রূপা ও মোজাম্মেল বাবুসহ মোট ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও রয়েছেন। মামলাটি ২০১৩ সালের মে মাসে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে পরিচালিত অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে অভিযোগ অনুযায়ী ৫৮ জন নিহত হন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মোজাম্মেল বাবুর নির্দেশনায় ফারজানা রুপা শাপলা চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাত্তর টেলিভিশনের জন্য একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেন, যেখানে দাবি করা হয় যে ওই ঘটনায় কেউ নিহত হয়নি। অভিযোগপত্রে এটিকে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিপিজের এশিয়া-প্যাসিফিক কর্মসূচির সমন্বয়ক কুনাল মজুমদার জানিয়েছেন, “সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে তাদের কাজ করার কারণে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। কর্তৃপক্ষের উচিত এসব অভিযোগ প্রত্যাহার করা এবং সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চক্রের অবসান ঘটানো।”
অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। কারণ, সুনির্দিষ্ট অপরাধের জন্য ট্রাইব্যুনালে পৃথক সাজা নির্ধারণের কোনো নির্দেশিকা নেই বলেও সিপিজের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়।
সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত আলাদা হত্যা মামলায় ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকেই কারাগারে রয়েছেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু। যদিও হাইকোর্ট তাদের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সেই আদেশ স্থগিত করেন। এমনকি সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই মামলায় তাদের কারাগারে আটক রাখা হয়।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে বাংলাদেশের আইন মন্ত্রণালয় এবং প্রধান কৌঁসুলির কার্যালয়ে ই-মেইল পাঠানো হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলেও জানায় সিপিজে।
ফারজানা রুপা একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সংবাদদাতা ও উপস্থাপক এবং মোজাম্মেল বাবু চ্যানেলটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান সম্পাদক। তারা চলতি বছরের ১৪ই মে এই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার হন।
বিষয়: