এই অঞ্চল বিশ্বের তেল ও গ্যাসের অন্যতম মূল উৎপাদনকেন্দ্র হওয়ায় শঙ্কা আরও বাড়ছে।
মেরাজ মেভিজ
প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৭ পিএমআপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
মধ্যপ্রাচ্য বিশ্বের তেল ও গ্যাসের অন্যতম মূল উৎপাদনকেন্দ্র হওয়ায় বাড়ছে শঙ্কা
মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনায় ফের অস্থিরতা ফিরে এসেছে বিশ্ববাজারে। এই অঞ্চল বিশ্বের তেল ও গ্যাসের অন্যতম মূল উৎপাদনকেন্দ্র হওয়ায় শঙ্কা আরও বাড়ছে।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ইতোমধ্যেই তেলের দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী, নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বাড়ছে সোনায় দাম, আর শেয়ারবাজারে দেখা দিয়েছে নেগেটিভ ট্রেন্ড।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সংকট দীর্ঘায়িত হলে আরো তপ্ত হবে জ্বালানির মূল্য, সেই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়বে সব খাতে এবং নতুন করে অস্থিরতা দেখা দেবে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতিতে।
তেল আমদানি করা দেশগুলোর ভেতরের পরিবহণ ব্যয়ই নয়, জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত এই খরচ বাড়িয়ে দেবে আমদানি ব্যয়।
এই চক্রে বেড়িয়ে যাবে অতিরিক্ত ডলার। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়বে ডলারের চাহিদা ও দাম।
তেলের বাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া
প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যে যার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার কোটি ডলার। বছরের হিসাবে হরমুজ দিয়ে পরিবাহিত হয় বিশ্বের মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ।
এই প্রণালির মাধ্যমে প্রধানত ইরান, ইরাক, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তেল ও এলএনজি বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হলেও এর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কেবল ইরানের হাতে।
আর ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার পর পরই হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে না দেশটি।
এরপর থেকে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার ছুটছে রেসের ঘোড়ার মতো। মাত্র একদিনের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ওঠা নামা করছে সাড়ে সাত থেকে সাড়ে আট শতাংশের মধ্যে।
ট্রেন্ডিং ইকোনোমিকসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ব্যারেল প্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ছয় ডলারের মতো।
হরমুজে তৈরি হওয়া যে কোনো সামরিক ঝুঁকি সরাসরি বিশ্ববাজারে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম।
“বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। তাই দীর্ঘ মেয়াদে যুদ্ধ চললে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে পুরো বিশ্বের জ্বালানিতে প্রভাব পড়বে,” আলাপকে বলেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়ার পর ব্রেন্ট ক্রুড বা অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ওঠা-নামা করছে ৮০ ডলারের আশপাশে। তবে এটা উঠবে আরও।
বিশ্বখ্যাত এনার্জি কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির রিফাইনিং, কেমিক্যালস অ্যান্ড অয়েল মার্কেটস এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালান গেল্ডার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রাথমিক দিনগুলিতে, যখন রাশিয়ান সরবরাহ হ্রাসের ভয় “তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২৫ ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল” তার উদাহরণ টেনে বলেছেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে, ট্রানজিট প্রবাহ দ্রুত পুনরুদ্ধার না করা হলে তেলের দাম ১০০ ডলারেরও বেশি হতে পারে।”
এদিকে তেলের বাজারে চলমান তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় আগাম অবস্থান নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা- এমনটাই বলছে বাজারভিত্তিক তথ্য পোর্টাল ইনভেস্টিং এর বিশ্লেষণ।
সোনায় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ
রাজনৈতিক ও সামরিক অনিশ্চয়তার সময় সোনা ঐতিহ্যগতভাবেই বিবেচিত হয় ‘সেফ হ্যাভেন’ হিসেবে। তাই যুদ্ধের পর থেকে সোনার মার্কেটে আস্থা খুঁজছেন বিনিয়োগকারীরা।
আর এতে সোনা ফের আকাশমুখী।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বেড়েছে আড়াই শতাংশ, বলছে গোল্ড প্রাইস এর ডেটা।
আর বাংলাদেশের মার্কেটে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভরি প্রতি সোনার দাম বেড়েছে ১৩ হাজার টাকার বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে সোনা ও স্বল্প ঝুঁকির বন্ডে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।
যদি উত্তেজনা অব্যাহত থাকে, তাহলে সোনা রেকর্ড দামে পৌঁছে যেতে পারে বলে মনে করছেন সিটি ইনডেক্স এবং ফরেক্স ডট কমের বাজার বিশ্লেষক ফাওয়াদ রাজাকজাদা।
তার ভাষায়, “নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হতে পারে, যার ফলে দাম আবার প্রায় ৫,৫০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে এবং জানুয়ারির প্রায় ৫,৬০০ ডলারের শিখর ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড উচ্চতাও ছুঁতে পারে।”
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে আউন্স প্রতি সোনার দাম ছিল ৫,৪০০ ডলারের কাছাকাছি।
শেয়ারবাজার ও অন্যান্য সূচক
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের একাধিক শেয়ারসূচক নিম্নমুখী হয়েছে। বিশেষ করে বিমান ও ভ্রমণ খাতের শেয়ারে চাপ বেশি দেখা গেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে রয়টার্স।
অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বিমান সংস্থা কানতাস এয়ারওয়েজের শেয়ার দাম সোমবার ১০ শতাংশেরও বেশি নেমেছে।
অন্যদিকে শেয়ার বাজারে নিম্নমুখী রয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার দর।
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় তেল-সোনার দরে ঝাঁকুনি, শেয়ারবাজারে চাপ
এই অঞ্চল বিশ্বের তেল ও গ্যাসের অন্যতম মূল উৎপাদনকেন্দ্র হওয়ায় শঙ্কা আরও বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনায় ফের অস্থিরতা ফিরে এসেছে বিশ্ববাজারে। এই অঞ্চল বিশ্বের তেল ও গ্যাসের অন্যতম মূল উৎপাদনকেন্দ্র হওয়ায় শঙ্কা আরও বাড়ছে।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ইতোমধ্যেই তেলের দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী, নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বাড়ছে সোনায় দাম, আর শেয়ারবাজারে দেখা দিয়েছে নেগেটিভ ট্রেন্ড।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সংকট দীর্ঘায়িত হলে আরো তপ্ত হবে জ্বালানির মূল্য, সেই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়বে সব খাতে এবং নতুন করে অস্থিরতা দেখা দেবে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতিতে।
তেল আমদানি করা দেশগুলোর ভেতরের পরিবহণ ব্যয়ই নয়, জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত এই খরচ বাড়িয়ে দেবে আমদানি ব্যয়।
এই চক্রে বেড়িয়ে যাবে অতিরিক্ত ডলার। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়বে ডলারের চাহিদা ও দাম।
তেলের বাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া
প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যে যার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার কোটি ডলার। বছরের হিসাবে হরমুজ দিয়ে পরিবাহিত হয় বিশ্বের মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ।
এই প্রণালির মাধ্যমে প্রধানত ইরান, ইরাক, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তেল ও এলএনজি বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হলেও এর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কেবল ইরানের হাতে।
আর ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার পর পরই হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে না দেশটি।
এরপর থেকে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার ছুটছে রেসের ঘোড়ার মতো। মাত্র একদিনের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ওঠা নামা করছে সাড়ে সাত থেকে সাড়ে আট শতাংশের মধ্যে।
ট্রেন্ডিং ইকোনোমিকসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ব্যারেল প্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ছয় ডলারের মতো।
হরমুজে তৈরি হওয়া যে কোনো সামরিক ঝুঁকি সরাসরি বিশ্ববাজারে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম।
“বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। তাই দীর্ঘ মেয়াদে যুদ্ধ চললে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে পুরো বিশ্বের জ্বালানিতে প্রভাব পড়বে,” আলাপকে বলেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়ার পর ব্রেন্ট ক্রুড বা অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ওঠা-নামা করছে ৮০ ডলারের আশপাশে। তবে এটা উঠবে আরও।
বিশ্বখ্যাত এনার্জি কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির রিফাইনিং, কেমিক্যালস অ্যান্ড অয়েল মার্কেটস এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালান গেল্ডার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রাথমিক দিনগুলিতে, যখন রাশিয়ান সরবরাহ হ্রাসের ভয় “তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২৫ ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল” তার উদাহরণ টেনে বলেছেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে, ট্রানজিট প্রবাহ দ্রুত পুনরুদ্ধার না করা হলে তেলের দাম ১০০ ডলারেরও বেশি হতে পারে।”
এদিকে তেলের বাজারে চলমান তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় আগাম অবস্থান নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা- এমনটাই বলছে বাজারভিত্তিক তথ্য পোর্টাল ইনভেস্টিং এর বিশ্লেষণ।
সোনায় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ
রাজনৈতিক ও সামরিক অনিশ্চয়তার সময় সোনা ঐতিহ্যগতভাবেই বিবেচিত হয় ‘সেফ হ্যাভেন’ হিসেবে। তাই যুদ্ধের পর থেকে সোনার মার্কেটে আস্থা খুঁজছেন বিনিয়োগকারীরা।
আর এতে সোনা ফের আকাশমুখী।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বেড়েছে আড়াই শতাংশ, বলছে গোল্ড প্রাইস এর ডেটা।
আর বাংলাদেশের মার্কেটে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভরি প্রতি সোনার দাম বেড়েছে ১৩ হাজার টাকার বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে সোনা ও স্বল্প ঝুঁকির বন্ডে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।
যদি উত্তেজনা অব্যাহত থাকে, তাহলে সোনা রেকর্ড দামে পৌঁছে যেতে পারে বলে মনে করছেন সিটি ইনডেক্স এবং ফরেক্স ডট কমের বাজার বিশ্লেষক ফাওয়াদ রাজাকজাদা।
তার ভাষায়, “নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হতে পারে, যার ফলে দাম আবার প্রায় ৫,৫০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে এবং জানুয়ারির প্রায় ৫,৬০০ ডলারের শিখর ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড উচ্চতাও ছুঁতে পারে।”
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে আউন্স প্রতি সোনার দাম ছিল ৫,৪০০ ডলারের কাছাকাছি।
শেয়ারবাজার ও অন্যান্য সূচক
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের একাধিক শেয়ারসূচক নিম্নমুখী হয়েছে। বিশেষ করে বিমান ও ভ্রমণ খাতের শেয়ারে চাপ বেশি দেখা গেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে রয়টার্স।
অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বিমান সংস্থা কানতাস এয়ারওয়েজের শেয়ার দাম সোমবার ১০ শতাংশেরও বেশি নেমেছে।
অন্যদিকে শেয়ার বাজারে নিম্নমুখী রয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার দর।
অ্যাপেল, টেসলা, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন, মেটা, এনভিডিয়া।
ট্রেন্ডিং ইকোনোমিকসের রিয়েল টাইম ট্রেডিংয়ে সোমবার দুপুর পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার দাম ছিল আড়াই থেকে সাড়ে বারো ডলার নেগেটিভ।
সোমবার ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজের সাথে যুক্ত ফিউচারগুলিও প্রারম্ভিক লেনদেনে ৬২৭ পয়েন্ট বা প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের আচরণে এখন ঝুঁকি না নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট।
অর্থাৎ উচ্চ ঝুঁকির শেয়ার থেকে সরে নিরাপদ সম্পদে ঝুঁকছেন তারা।
সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আপাতত আর্থিক বাজারে সতর্ক সংকেত ছড়িয়েছে।
এখন নজর থাকবে সংঘাত কতটা বিস্তৃত হয় এবং সরবরাহ চেইনে বাস্তবিক বিঘ্ন ঘটে কিনা।
আর সেটা হলে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির পারদ বাড়বে। যা আবার ঠিক করবে তেল, সোনা ও বৈশ্বিক সূচকের পরবর্তী দিকনির্দেশনা।