ভিসা আবেদনে ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট ঠেকাতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কিউআর কোড
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ০৭:১৩ পিএমআপডেট : ১২ মে ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম
ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আর্থিক সনদে থাকতে হবে কিউআর কোড
বিদেশে ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে জমা দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেট যাচাই সহজ করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এখন থেকে এসব নথিতে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর (QR) কোড যুক্ত করতে হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর কারণ হিসাবে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দূতাবাস ও ভিসা সেন্টার তাৎক্ষণিকভাবে নথির সত্যতা যাচাই করতে না পারায় ভিসা প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এতে সময় ও প্রশাসনিক ব্যয়ও বাড়ছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসা আবেদনের জন্য গ্রাহককে দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আর্থিক সনদে এমন কিউআর কোড থাকতে হবে, যা স্ক্যান করলে অন্তত পাঁচটি তথ্য দেখা যাবে।
এগুলো হলো অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, শুরুর স্থিতি, শেষ স্থিতি এবং স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখ।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এই তথ্যগুলো অন্তত ছয় মাস সংরক্ষণ ও অনলাইনে যাচাইযোগ্য রাখতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা চালু করতে হবে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষাসংক্রান্ত বিদ্যমান সব নিয়ম মেনে চলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এই ব্যবস্থা চালু হলে ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আর্থিক তথ্য ব্যবহার কমবে এবং বিদেশি দূতাবাসগুলো দ্রুত ও সহজে তথ্য যাচাই করতে পারবে।
ভিসা আবেদনে ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট ঠেকাতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কিউআর কোড
বিদেশে ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে জমা দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেট যাচাই সহজ করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এখন থেকে এসব নথিতে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর (QR) কোড যুক্ত করতে হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর কারণ হিসাবে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দূতাবাস ও ভিসা সেন্টার তাৎক্ষণিকভাবে নথির সত্যতা যাচাই করতে না পারায় ভিসা প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এতে সময় ও প্রশাসনিক ব্যয়ও বাড়ছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসা আবেদনের জন্য গ্রাহককে দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আর্থিক সনদে এমন কিউআর কোড থাকতে হবে, যা স্ক্যান করলে অন্তত পাঁচটি তথ্য দেখা যাবে।
এগুলো হলো অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, শুরুর স্থিতি, শেষ স্থিতি এবং স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখ।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এই তথ্যগুলো অন্তত ছয় মাস সংরক্ষণ ও অনলাইনে যাচাইযোগ্য রাখতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা চালু করতে হবে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষাসংক্রান্ত বিদ্যমান সব নিয়ম মেনে চলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এই ব্যবস্থা চালু হলে ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আর্থিক তথ্য ব্যবহার কমবে এবং বিদেশি দূতাবাসগুলো দ্রুত ও সহজে তথ্য যাচাই করতে পারবে।