প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৩ পিএমআপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৩ পিএম
একজন মানুষকে আদালত মৃ'ত্যু'দণ্ডের আদেশ দিলো। নির্ধারিত দিনে কারাগারের ভেতর সেই মৃ'ত্যু'দণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়াও শুরু হলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষটি মারা গেলেন না। তাহলে কি তিনি মুক্তি পাবেন? নাকি আবারও তাকে মৃ'ত্যু'দণ্ড দেওয়ার চেষ্টা করা হবে?
যুক্তরাষ্ট্রে অপরাধীর মৃ'ত্যু'দণ্ড কার্যকর করতে ফাঁ'সি, ইলেক্ট্রিক শক, প্রাণঘাতী ইনজেকশন, বিষাক্ত গ্যাস বা ফা'য়া'রিং স্কোয়াড ব্যবহার করা হয়। কিন্তু মৃ'ত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা করার পর যদি আসামী মৃ'ত্যুবরণ না করেন, তাহলে কী হবে?
আমেরিকায় অনেকবারই এমন হয়েছে। বেশিরভাগ সময় আবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, আবার কখনো কখনো মুক্তি পেয়েছেন আসামী।
একজন মানুষকে একই অপরাধের পর দুইবার কষ্টকর শাস্তি দেওয়া কি মানবিক? এটি কি আদৌ আইনসম্মত?
এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো আইনে নেই। এগুলো জড়িয়ে আছে মানবাধিকার, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এবং মৃত্যুদণ্ডের নৈতিকতার সঙ্গে।
একজন মানুষকে আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিলো। নির্ধারিত দিনে কারাগারের ভেতর সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়াও শুরু হলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষটি মারা গেলেন না।
তাহলে কী হবে? তিনি কি মুক্তি পাবেন? নাকি আবারও তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার চেষ্টা করা হবে?
রাষ্ট্র যদি একবার কাউকে মৃত্যুদণ্ড দিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়, মানুষটি যদি মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসে, তাহলে দ্বিতীয়বার কি সেই একই শাস্তি কার্যকর করা আইনসম্মত?
এমন ঘটনা বাংলাদেশে বিরল হলেও, দৃষ্টান্ত রয়েছে অন্য দেশে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে। একবার-দুবার নয়, ঘটেছে বেশ কয়েকবার। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টার পরও বেঁচে ফিরেছিলেন কেউ কেউ। পরে তাদের সঙ্গে কী ঘটেছিলো?
মৃ’ত্য’দণ্ড কার্যকরের সময় বেঁচে গেলে কী হবে?
একজন মানুষকে আদালত মৃ'ত্যু'দণ্ডের আদেশ দিলো। নির্ধারিত দিনে কারাগারের ভেতর সেই মৃ'ত্যু'দণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়াও শুরু হলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষটি মারা গেলেন না। তাহলে কি তিনি মুক্তি পাবেন? নাকি আবারও তাকে মৃ'ত্যু'দণ্ড দেওয়ার চেষ্টা করা হবে?
যুক্তরাষ্ট্রে অপরাধীর মৃ'ত্যু'দণ্ড কার্যকর করতে ফাঁ'সি, ইলেক্ট্রিক শক, প্রাণঘাতী ইনজেকশন, বিষাক্ত গ্যাস বা ফা'য়া'রিং স্কোয়াড ব্যবহার করা হয়। কিন্তু মৃ'ত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টা করার পর যদি আসামী মৃ'ত্যুবরণ না করেন, তাহলে কী হবে?
আমেরিকায় অনেকবারই এমন হয়েছে। বেশিরভাগ সময় আবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, আবার কখনো কখনো মুক্তি পেয়েছেন আসামী।
একজন মানুষকে একই অপরাধের পর দুইবার কষ্টকর শাস্তি দেওয়া কি মানবিক? এটি কি আদৌ আইনসম্মত?
এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো আইনে নেই। এগুলো জড়িয়ে আছে মানবাধিকার, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এবং মৃত্যুদণ্ডের নৈতিকতার সঙ্গে।
একজন মানুষকে আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিলো। নির্ধারিত দিনে কারাগারের ভেতর সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়াও শুরু হলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষটি মারা গেলেন না।
তাহলে কী হবে? তিনি কি মুক্তি পাবেন? নাকি আবারও তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার চেষ্টা করা হবে?
রাষ্ট্র যদি একবার কাউকে মৃত্যুদণ্ড দিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়, মানুষটি যদি মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসে, তাহলে দ্বিতীয়বার কি সেই একই শাস্তি কার্যকর করা আইনসম্মত?
এমন ঘটনা বাংলাদেশে বিরল হলেও, দৃষ্টান্ত রয়েছে অন্য দেশে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে। একবার-দুবার নয়, ঘটেছে বেশ কয়েকবার। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টার পরও বেঁচে ফিরেছিলেন কেউ কেউ। পরে তাদের সঙ্গে কী ঘটেছিলো?