বিসিবির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্কটিশ ক্রিকেট কর্তৃপক্ষও নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে কথা বলছে না।
আলাপ স্পোর্টস
প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৯ এএমআপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম
আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় পুরুষদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে এখনো স্কটিশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। তবে সুযোগ এলে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসিকে জানিয়েছে আগামী মাসে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতে চায় না দেশটি। এ কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ম্যাচগুলো অন্য কোথাও, সুনির্দিষ্টভাবে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের অনুরোধ করেছে।
বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়া দলগুলোর মধ্যে স্কটল্যান্ডই বর্তমানে সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংয়ে আছে। তাই আইসিসি যদি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে বিকল্প দল নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে স্কটল্যান্ডই হতে পারে সম্ভাব্য প্রার্থী।
তবে বিবিসি স্পোর্টকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো আইসিসি ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। একই সঙ্গে বিসিবির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্কটিশ ক্রিকেট কর্তৃপক্ষও নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে কথা বলছে না।
গত গ্রীষ্মে ইউরোপ কোয়ালিফায়ারে চতুর্থ হওয়ায় ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ হারায় স্কটল্যান্ড। ওই টুর্নামেন্ট থেকে নেদারল্যান্ডস ও ইতালি ইউরোপ অঞ্চল থেকে দুটি টিকিট নিশ্চিত করে।
এর মধ্যেই স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটাররা অনুশীলনে ফিরেছেন। আগামী মার্চে নামিবিয়া ও ওমানকে নিয়ে উইন্ডহুকে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।
এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না এবং ভারতে যেতে রাজি হবে কি-না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার নেওয়া হতে পারে।
বিবিসি স্পোর্ট জানতে চেয়েছে, কোনো দল সরে দাঁড়ালে বা বহিষ্কৃত হলে তাদের পরিবর্তে দল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কী মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে, এ বিষয়ে আইসিসির অবস্থান কী।
২০০৯ সালে রাজনৈতিক কারণে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে জিম্বাবুয়ে সরে দাঁড়ালে, বৈশ্বিক বাছাইপর্বে ‘পরবর্তী সেরা দল’ হিসেবে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
২০২৪ সাল থেকে বিশ্বকাপ ২০ দলে সম্প্রসারিত হওয়া এবং আঞ্চলিক ভিত্তিতে বাছাই হওয়ায় এবার বিষয়টি এতটা সহজ হবে না। ফলে সিদ্ধান্তটি আইসিসির বিবেচনার ওপরই নির্ভর করবে।
বর্তমানে আইসিসির টি–টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে স্কটল্যান্ডের অবস্থান ১৪ নম্বরে।
আইসিসি চাইলে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের কম সংবেদনশীল কোনো ভেন্যুতে আয়োজন করতে পারে, অথবা সহআয়োজক শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ স্থানান্তর করতে পারে।
ইএসপিএনক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিবি আইসিসির কাছে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ বদলের অনুরোধ করেছে। আয়ারল্যান্ড তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলার কথা।
তবে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের এক মুখপাত্র বিবিসি স্পোর্টকে জানিয়েছেন, তাদের সূচিতে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না বলে তারা আশ্বস্ত হয়েছেন, যদিও পুরো পরিস্থিতি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
আইপিএলের ১৯তম আসরের নিলামে গত ১৬ই ডিসেম্বর আবুধাবিতে কোলকাতা নাইট রাইডার্স ৯ কোটি ২০ লাখ রূপিতে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয়।
নিলামের পরপরই ভারতের কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এর বিরোধিতা করে প্রতিবাদ শুরু করে এবং কেকেআর ও শাহরুখ খানের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালায়।
কিছু এক্স অ্যাকাউন্টে মোস্তাফিজকে সন্ত্রাসী বলেও আক্রমণ করা হয়। তারা বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে এই সিদ্ধান্তকে ‘ভারতীয়দের আবেগবিরোধী’ বলে দাবি করে।
এই ইস্যুতে গত মাসে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের দিকেও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ৩ জানুয়ারি বিসিসিআই কেকেআরকে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
বিসিসিআই নির্দিষ্ট কারণ না জানালেও ‘সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার’ কথা উল্লেখ করে। একই দিনে কেকেআরও বিষয়টি নিশ্চিত করে।
এর পরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিসিবি দুই দফা বৈঠক করে এবং জানায়, আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল ভারতে যাবে না। পাশাপাশি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের জন্য আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়।
স্কটল্যান্ডের সাথে এখনো আলোচনা হয়নি আইসিসির
বিসিবির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্কটিশ ক্রিকেট কর্তৃপক্ষও নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে কথা বলছে না।
আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় পুরুষদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে এখনো স্কটিশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। তবে সুযোগ এলে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসিকে জানিয়েছে আগামী মাসে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতে চায় না দেশটি। এ কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ম্যাচগুলো অন্য কোথাও, সুনির্দিষ্টভাবে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের অনুরোধ করেছে।
বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়া দলগুলোর মধ্যে স্কটল্যান্ডই বর্তমানে সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংয়ে আছে। তাই আইসিসি যদি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে বিকল্প দল নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে স্কটল্যান্ডই হতে পারে সম্ভাব্য প্রার্থী।
তবে বিবিসি স্পোর্টকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো আইসিসি ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। একই সঙ্গে বিসিবির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্কটিশ ক্রিকেট কর্তৃপক্ষও নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে কথা বলছে না।
গত গ্রীষ্মে ইউরোপ কোয়ালিফায়ারে চতুর্থ হওয়ায় ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ হারায় স্কটল্যান্ড। ওই টুর্নামেন্ট থেকে নেদারল্যান্ডস ও ইতালি ইউরোপ অঞ্চল থেকে দুটি টিকিট নিশ্চিত করে।
এর মধ্যেই স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটাররা অনুশীলনে ফিরেছেন। আগামী মার্চে নামিবিয়া ও ওমানকে নিয়ে উইন্ডহুকে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।
এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না এবং ভারতে যেতে রাজি হবে কি-না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার নেওয়া হতে পারে।
বিবিসি স্পোর্ট জানতে চেয়েছে, কোনো দল সরে দাঁড়ালে বা বহিষ্কৃত হলে তাদের পরিবর্তে দল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কী মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে, এ বিষয়ে আইসিসির অবস্থান কী।
২০০৯ সালে রাজনৈতিক কারণে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে জিম্বাবুয়ে সরে দাঁড়ালে, বৈশ্বিক বাছাইপর্বে ‘পরবর্তী সেরা দল’ হিসেবে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
২০২৪ সাল থেকে বিশ্বকাপ ২০ দলে সম্প্রসারিত হওয়া এবং আঞ্চলিক ভিত্তিতে বাছাই হওয়ায় এবার বিষয়টি এতটা সহজ হবে না। ফলে সিদ্ধান্তটি আইসিসির বিবেচনার ওপরই নির্ভর করবে।
বর্তমানে আইসিসির টি–টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে স্কটল্যান্ডের অবস্থান ১৪ নম্বরে।
আইসিসি চাইলে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের কম সংবেদনশীল কোনো ভেন্যুতে আয়োজন করতে পারে, অথবা সহআয়োজক শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ স্থানান্তর করতে পারে।
ইএসপিএনক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিবি আইসিসির কাছে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ বদলের অনুরোধ করেছে। আয়ারল্যান্ড তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলার কথা।
তবে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের এক মুখপাত্র বিবিসি স্পোর্টকে জানিয়েছেন, তাদের সূচিতে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না বলে তারা আশ্বস্ত হয়েছেন, যদিও পুরো পরিস্থিতি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
আইপিএলের ১৯তম আসরের নিলামে গত ১৬ই ডিসেম্বর আবুধাবিতে কোলকাতা নাইট রাইডার্স ৯ কোটি ২০ লাখ রূপিতে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয়।
নিলামের পরপরই ভারতের কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এর বিরোধিতা করে প্রতিবাদ শুরু করে এবং কেকেআর ও শাহরুখ খানের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালায়।
কিছু এক্স অ্যাকাউন্টে মোস্তাফিজকে সন্ত্রাসী বলেও আক্রমণ করা হয়। তারা বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে এই সিদ্ধান্তকে ‘ভারতীয়দের আবেগবিরোধী’ বলে দাবি করে।
এই ইস্যুতে গত মাসে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের দিকেও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ৩ জানুয়ারি বিসিসিআই কেকেআরকে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
বিসিসিআই নির্দিষ্ট কারণ না জানালেও ‘সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার’ কথা উল্লেখ করে। একই দিনে কেকেআরও বিষয়টি নিশ্চিত করে।
এর পরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিসিবি দুই দফা বৈঠক করে এবং জানায়, আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল ভারতে যাবে না। পাশাপাশি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের জন্য আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়।
(বিবিসি স্পোর্টস অবলম্বনে)