আমেরিকায় সন্তান জন্ম দিতে ইচ্ছুক পর্যটকদের জন্য দুঃসংবাদ
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫৩ পিএমআপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫৩ পিএম
সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করলে তা বাতিল করবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলার কর্মকর্তার মনে হয় যে, কারো ভ্রমণের প্রধান উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেয়া এবং এর মাধ্যমে শিশুর জন্য সেখানকার নাগরিকত্ব অর্জন করা, তাহলে তারা সেই পর্যটন ভিসার আবেদন বাতিল করবেন।
বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মার্কিন দূতাবাস প্রায়ই এ সংক্রান্ত সতর্কতা মনে করিয়ে দেয়।
এ ধরনের আবেদন ‘বার্থ ট্যুরিজম’ হিসাবে পরিচিত, যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুকের এ সংক্রান্ত পোস্টে বলা হয়, “অনেক বিদেশি অভিভাবক কেবল সন্তান জন্ম দিতে আমেরিকায় আসেন এবং চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে সরকারি অর্থ সহায়তা নেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এই অভিভাবকেরা ভবিষ্যতে তাদের ভিসা নবায়নের যোগ্যতাও হারাতে পারেন।” মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীতে বলা হয়েছে, "যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া বা নাগরিকত্ব পাওয়া সব ব্যক্তি এবং এর এখতিয়ারের আওতায় থাকা ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক"। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভের চেষ্টা করেন।
ভিসার এমন অপব্যবহার ঠেকাতে ভিসার আবেদন যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সরকার বলছে এই ধরনের কাজ ভিসার শর্তের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। যাদের যুক্তরাষ্ট্রের ট্যুরিস্ট ভিসা আছে তাদের ক্ষেত্রে যদি এমন প্রবণতা দেখা যায় তবে ভিসা বাতিলসহ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায়ও পড়তে পারেন। গত জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করা পিতামাতার সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সুবিধা বন্ধ করে আদেশ জারি করেছিলেন। কিন্তু পরে সেটি কয়েকটি নিম্ন আদালতে আটকে যায়। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় দেশটির সরকার। যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুর নাগরিকত্ব পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার আছে কি-না তা নিয়ে শুনানি করতে সম্মত হয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। তবে শুনানির কোনো তারিখ এখনও ঠিক হয়নি। রায় পেতেও লাগতে পারে কয়েক মাস।
আমেরিকায় সন্তান জন্ম দিতে ইচ্ছুক পর্যটকদের জন্য দুঃসংবাদ
সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করলে তা বাতিল করবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলার কর্মকর্তার মনে হয় যে, কারো ভ্রমণের প্রধান উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেয়া এবং এর মাধ্যমে শিশুর জন্য সেখানকার নাগরিকত্ব অর্জন করা, তাহলে তারা সেই পর্যটন ভিসার আবেদন বাতিল করবেন।
বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মার্কিন দূতাবাস প্রায়ই এ সংক্রান্ত সতর্কতা মনে করিয়ে দেয়।
এ ধরনের আবেদন ‘বার্থ ট্যুরিজম’ হিসাবে পরিচিত, যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুকের এ সংক্রান্ত পোস্টে বলা হয়, “অনেক বিদেশি অভিভাবক কেবল সন্তান জন্ম দিতে আমেরিকায় আসেন এবং চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে সরকারি অর্থ সহায়তা নেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এই অভিভাবকেরা ভবিষ্যতে তাদের ভিসা নবায়নের যোগ্যতাও হারাতে পারেন।”
মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীতে বলা হয়েছে, "যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া বা নাগরিকত্ব পাওয়া সব ব্যক্তি এবং এর এখতিয়ারের আওতায় থাকা ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক"। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভের চেষ্টা করেন।
ভিসার এমন অপব্যবহার ঠেকাতে ভিসার আবেদন যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সরকার বলছে এই ধরনের কাজ ভিসার শর্তের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। যাদের যুক্তরাষ্ট্রের ট্যুরিস্ট ভিসা আছে তাদের ক্ষেত্রে যদি এমন প্রবণতা দেখা যায় তবে ভিসা বাতিলসহ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায়ও পড়তে পারেন। গত জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করা পিতামাতার সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সুবিধা বন্ধ করে আদেশ জারি করেছিলেন। কিন্তু পরে সেটি কয়েকটি নিম্ন আদালতে আটকে যায়। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় দেশটির সরকার। যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুর নাগরিকত্ব পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার আছে কি-না তা নিয়ে শুনানি করতে সম্মত হয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। তবে শুনানির কোনো তারিখ এখনও ঠিক হয়নি। রায় পেতেও লাগতে পারে কয়েক মাস।