প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৩৩ পিএমআপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২৪ পিএম
প্রধান উপদেষ্টার সাথে দেখা করে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং মাহফুজ আলম
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং মাহফুজ আলম পদত্যাগ করেছেন। এতে উপদেষ্টা পরিষদে আর কোনও ছাত্র প্রতিনিধি রইলো না।
১০ই ডিসেম্বর বুধবার তারা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
দুই উপদেষ্টার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের মঙ্গল কামনা করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ''অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে তোমরা যেভাবে জাতিকে ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পথে অবদান রেখেছ তা জাতি মনে রাখবে। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও বিকাশে তোমরা একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।”
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাহফুজ আলম ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। কয়েক সপ্তাহ ধরেই তাদের দুই জনের পদত্যাগের গুঞ্জন ছিল। ১১ই ডিসেম্বর বুধবার তফসিল ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের পর সন্ধ্যায়ই তাদের পদত্যাগের খবর জানা যায়।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পতন হয় শেখ হাসিনার সরকারের। আন্দোলন ওই সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম ছিলেন অন্যতম। ২০২৪ এর ৮ই অগাস্ট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে এতে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে প্রাথমিকভাবে আসিফ মাহমুদ এবং নাহিদ ইসলাম উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। পরে নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করলে বিশেষ সহকারী থেকে উপদেষ্টা হন মাহফুজ আলম।
আসিফ মাহমুদ ১০ই ডিসেম্বর বিকালে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তবে তিনি কোন দলের মনোনয়ন নিচ্ছেন, তা পরে জানাবেন।
ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং মাহফুজ আলম পদত্যাগ করেছেন। এতে উপদেষ্টা পরিষদে আর কোনও ছাত্র প্রতিনিধি রইলো না।
১০ই ডিসেম্বর বুধবার তারা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
দুই উপদেষ্টার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের মঙ্গল কামনা করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ''অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে তোমরা যেভাবে জাতিকে ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পথে অবদান রেখেছ তা জাতি মনে রাখবে। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও বিকাশে তোমরা একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।”
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাহফুজ আলম ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। কয়েক সপ্তাহ ধরেই তাদের দুই জনের পদত্যাগের গুঞ্জন ছিল। ১১ই ডিসেম্বর বুধবার তফসিল ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের পর সন্ধ্যায়ই তাদের পদত্যাগের খবর জানা যায়।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পতন হয় শেখ হাসিনার সরকারের। আন্দোলন ওই সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম ছিলেন অন্যতম। ২০২৪ এর ৮ই অগাস্ট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে এতে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে প্রাথমিকভাবে আসিফ মাহমুদ এবং নাহিদ ইসলাম উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। পরে নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করলে বিশেষ সহকারী থেকে উপদেষ্টা হন মাহফুজ আলম।
আসিফ মাহমুদ ১০ই ডিসেম্বর বিকালে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তবে তিনি কোন দলের মনোনয়ন নিচ্ছেন, তা পরে জানাবেন।