কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৪৫ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৭টি থানা এলাকায় বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, বাজার, রেলস্টেশন, মাঠ এবং পরিত্যক্ত ও নির্জন স্থানে এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, অভিযানে কিশোরদের সম্ভাব্য আড্ডাস্থলে নজরদারি চালিয়ে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। এ সময় মোট ৩৫৪ জন কিশোরকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই বাছাই করা হয়।
যাচাই বাছাই শেষে অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় ২৯৩ জন কিশোরকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ৬১ জনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া মাদক ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও ৯১ জনকে আটক করা হয়। সব মিলিয়ে বিশেষ অভিযানে ৪৪৫ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান শেষে অভিভাবকদের থানায় ডেকে সন্তানদের বিষয়ে আরও সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। সন্তান কখন, কোথায় ও কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে, নির্ধারিত সময়ে বাড়ি ফিরছে কি না এবং কার সঙ্গে মেলামেশা করছে, এসব বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ রাখতে বলা হয়। পাশাপাশি পড়াশোনা, চলাফেরা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়েও নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ বলছে, কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
কিশোর অপরাধ ঠেকাতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৪৫ জন আটক
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৪৫ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৭টি থানা এলাকায় বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, বাজার, রেলস্টেশন, মাঠ এবং পরিত্যক্ত ও নির্জন স্থানে এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, অভিযানে কিশোরদের সম্ভাব্য আড্ডাস্থলে নজরদারি চালিয়ে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। এ সময় মোট ৩৫৪ জন কিশোরকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই বাছাই করা হয়।
যাচাই বাছাই শেষে অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় ২৯৩ জন কিশোরকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ৬১ জনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া মাদক ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও ৯১ জনকে আটক করা হয়। সব মিলিয়ে বিশেষ অভিযানে ৪৪৫ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান শেষে অভিভাবকদের থানায় ডেকে সন্তানদের বিষয়ে আরও সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। সন্তান কখন, কোথায় ও কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে, নির্ধারিত সময়ে বাড়ি ফিরছে কি না এবং কার সঙ্গে মেলামেশা করছে, এসব বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ রাখতে বলা হয়। পাশাপাশি পড়াশোনা, চলাফেরা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়েও নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ বলছে, কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
বিষয়: