প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ এএমআপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ এএম
রবিবার বিকালে আশুলিয়ার শ্রীপুরে তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
সাভারের আশুলিয়ায় পরিচালনা পর্ষদের বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার বিকালে আশুলিয়ার শ্রীপুরে তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
মাদ্রাসায় হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। আশুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাদ্রাসা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলেও জানান তিনি।
মাদ্রাসার উপপরিচালক (প্রশাসন) ও আশরাফ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সদস্য সৈয়দ সানজিদের অভিযোগ, ইমাম হাসান ও ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা চালায়।
তার দাবি, হামলাকারীরা মাদ্রাসার অফিস কক্ষে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি কম্পিউটার, নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
সানজিদ বলেন, মাদ্রাসার সামনে ট্রাস্টের জায়গায় মহাসড়কের পাশে নির্মিত একটি মার্কেট দখলকে কেন্দ্র করে ইমাম হাসানের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়। সম্প্রতি তাকে ওই স্থান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগেও জাকির হোসেনের নেতৃত্বে মাদ্রাসায় হামলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে গণমাধ্যমের কাছে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন। তার দাবি, সানজিদের মাদ্রাসার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠানটি দখল করে রেখেছেন। এলাকাবাসী তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
জাকির নিজেকে মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদ ও দারুল এহসান ট্রাস্টের সদস্য দাবি করে বলেন, তার ছেলে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং তিনি একজন অভিভাবক। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর তিনি সেখানে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার অনুরোধ করে চলে আসেন বলেও জানান।
সানজিদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা অভিযোগ করার অভিযোগও করেন জাকির। একই সঙ্গে এর আগে সানজিদের বিরুদ্ধে মামলা করার কথাও জানান তিনি
আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর-লুটের অভিযোগ
সাভারের আশুলিয়ায় পরিচালনা পর্ষদের বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার বিকালে আশুলিয়ার শ্রীপুরে তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
মাদ্রাসায় হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। আশুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাদ্রাসা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলেও জানান তিনি।
মাদ্রাসার উপপরিচালক (প্রশাসন) ও আশরাফ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সদস্য সৈয়দ সানজিদের অভিযোগ, ইমাম হাসান ও ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা চালায়।
তার দাবি, হামলাকারীরা মাদ্রাসার অফিস কক্ষে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি কম্পিউটার, নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
সানজিদ বলেন, মাদ্রাসার সামনে ট্রাস্টের জায়গায় মহাসড়কের পাশে নির্মিত একটি মার্কেট দখলকে কেন্দ্র করে ইমাম হাসানের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়। সম্প্রতি তাকে ওই স্থান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগেও জাকির হোসেনের নেতৃত্বে মাদ্রাসায় হামলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে গণমাধ্যমের কাছে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন। তার দাবি, সানজিদের মাদ্রাসার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠানটি দখল করে রেখেছেন। এলাকাবাসী তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
জাকির নিজেকে মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদ ও দারুল এহসান ট্রাস্টের সদস্য দাবি করে বলেন, তার ছেলে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং তিনি একজন অভিভাবক। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর তিনি সেখানে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার অনুরোধ করে চলে আসেন বলেও জানান।
সানজিদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা অভিযোগ করার অভিযোগও করেন জাকির। একই সঙ্গে এর আগে সানজিদের বিরুদ্ধে মামলা করার কথাও জানান তিনি
বিষয়: