প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএমআপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২১ পিএম
কিশোর গাড়িচালকের ভুলে প্রাণ গেল নির্মাণশ্রমিকের।
ঢাকা বারিধারার ১ নম্বর সড়কে দ্রুতগতির একটি অনিয়ন্ত্রিত প্রাইভেট কার ফুটপাথে উঠে গেলে তার চাপায় প্রাণ হারিয়েছেন মেহেদী নামের একজন নির্মাণশ্রমিক। ঘটনার সময় তিনি ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। তিনি পাশের একটি ভবনে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।
মঙ্গলবার বিকেলে বারিধারার ডিপ্লোম্যাটিক জোনের জার্মান দূতাবাসের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত মেহেদীকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক জানান, মেহেদীর মাথা, ঘাড় ও পিঠে গুরুতর আঘাত ছিলো।
সিসিটিভি ফুটেজে একজন কিশোরকে গাড়ির চালকের আসনে দেখা গেলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে অন্য একজনকে। এ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চালক ওই কিশোর সেখান থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে উপস্থিত লোকজন তাকে ধরে ফেলে।
পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর জনরোষ থেকে ওই কিশোরকে রক্ষা করতে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিলো। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার চাচার জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
জানা যায়, ওই কিশোর গুলশানের একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ও লেভেলের শিক্ষার্থী। গুলশান থানা পুলিশ তার নাম প্রকাশ করেনি।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, তার বাবা বিমান বাংলাদেশের একজন ক্যাপ্টেন। তার নাম আব্বাস আলী শরীফ।
দুর্ঘটনায় পড়া প্রাইভেট কারটিও আব্বাস আলী শরীফের স্ত্রীর নামে নিবন্ধিত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদির ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন। তবে মামলায় চালক হিসেবে আসামি করা হয়েছে ৪৪ বছর বয়সী আকাশ নামে এক ব্যক্তিকে।
পুলিশ বলছে, ওই ব্যক্তি এখন পলাতক। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তার ফোনও বন্ধ রয়েছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কে গাড়ি চালাচ্ছিলেন এবং দুর্ঘটনার জন্য কে দায়ী, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ফুটপাতে গাড়ি চাপায় প্রাণ গেলো নির্মাণশ্রমিকের, আসামি বদলে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন
ঢাকা বারিধারার ১ নম্বর সড়কে দ্রুতগতির একটি অনিয়ন্ত্রিত প্রাইভেট কার ফুটপাথে উঠে গেলে তার চাপায় প্রাণ হারিয়েছেন মেহেদী নামের একজন নির্মাণশ্রমিক। ঘটনার সময় তিনি ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। তিনি পাশের একটি ভবনে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।
মঙ্গলবার বিকেলে বারিধারার ডিপ্লোম্যাটিক জোনের জার্মান দূতাবাসের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত মেহেদীকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক জানান, মেহেদীর মাথা, ঘাড় ও পিঠে গুরুতর আঘাত ছিলো।
সিসিটিভি ফুটেজে একজন কিশোরকে গাড়ির চালকের আসনে দেখা গেলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে অন্য একজনকে। এ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চালক ওই কিশোর সেখান থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে উপস্থিত লোকজন তাকে ধরে ফেলে।
পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর জনরোষ থেকে ওই কিশোরকে রক্ষা করতে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিলো। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার চাচার জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
জানা যায়, ওই কিশোর গুলশানের একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ও লেভেলের শিক্ষার্থী। গুলশান থানা পুলিশ তার নাম প্রকাশ করেনি।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, তার বাবা বিমান বাংলাদেশের একজন ক্যাপ্টেন। তার নাম আব্বাস আলী শরীফ।
দুর্ঘটনায় পড়া প্রাইভেট কারটিও আব্বাস আলী শরীফের স্ত্রীর নামে নিবন্ধিত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদির ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন। তবে মামলায় চালক হিসেবে আসামি করা হয়েছে ৪৪ বছর বয়সী আকাশ নামে এক ব্যক্তিকে।
পুলিশ বলছে, ওই ব্যক্তি এখন পলাতক। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তার ফোনও বন্ধ রয়েছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কে গাড়ি চালাচ্ছিলেন এবং দুর্ঘটনার জন্য কে দায়ী, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বিষয়: