কোন অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, কী বলছে ফুডপান্ডা

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম

ফুডপান্ডা বাংলাদেশের এমডিসহ শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন ঢাকা আদালত। তবে ফুডপান্ডা কর্তৃপক্ষ বলছে, পরোয়ানা জারির আগেই হাইকোর্টের কাছে আগাম জামিন পেয়েছেন তারা। বাদীপক্ষের অভিযোগকে অস্বীকার করে করে ফেইসবুকে পোস্ট করেছেন ফুডপান্ডা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আম্বারিন রেজা।

প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে  ফুডপান্ডার পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন ব্যবসায়ী শিহাব মাহমুদ বশির। ২৩এ সেপ্টেম্বর বুধবার মামলার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন, ফুডপান্ডা বাংলাদেশের এমডি আম্বারিন রেজা, পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, পরিচালক মো. তাবরেজ খান, হেড অফ ক্যাটাগোরি দিলারা ফারুক, সিনিয়র ম্যানেজার মোহাম্মদ সাজেদুল হক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদী আইপিএলই ইলেকট্রনিক্সের মাধ্যমে হাউজহোল্ড ও কিচেন অ্যাকসেসরিজ, মোবাইল অ্যাকসেসরিজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টের কাছে সরবরাহ করতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার পণ্য সরবরাহ করেন তিনি। এর মধ্যে শুধু ১ লাখ ৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হলেও প্রায় ১ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত বছরের ২৬এ জুন বাদীর প্রতিনিধি আসামিদের অফিসে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাকে ভয় দেখানো ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এছাড়া, সরবরাহ করা পণ্য নষ্ট হয়েছে দেখিয়ে ভুয়া ফেরত চালান তৈরি করে পাওনা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে। পাশাপাশি চুক্তির শর্ত ভেঙে ভ্যাট, ট্যাক্স ও বিজ্ঞাপন বাবদ প্রায় ১০ লাখ টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন বাদী।

তবে ফুডপান্ডা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আম্বারিন রেজা বুধবার ২৩এ সেপ্টেম্বর এক ফেইসবুক পোস্টে লেখেন, ইতিমধ্যে হাইকোর্ট থেকে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর জামিন মঞ্জুর হয়েছে। এছাড়া, তাদের ও পান্ডামার্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেন তিনি।কোন অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, কী বলছে ফুডপান্ডা

স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী শিহাব মাহমুদ বশিরের কাছ থেকে টাকা পাওনা রয়েছে পান্ডামার্টের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ডেলিভারি হিরো স্টোরস বাংলাদেশের। আম্বারিন রেজার দাবি, ফুডপান্ডার দাবি, বাদী শিহাব মাহমুদ বশিরের দেওয়া একটি চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়া এবং তার কাছে কোম্পানির পাওনা টাকা নিয়ে বাণিজ্যিক বিরোধের জেরেই মামলা করা হয়েছে।