প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৮ এএমআপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৮ এএম
ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
ইসরায়েলে একটি ‘ডানপন্থি শক্তিশালী জাতীয় সরকার’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে তার নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি জোট এগিয়ে থাকার পর সমর্থকদের সামনে এ ঘোষণা দেন তিনি।
তবে কোনো পক্ষই ১২০ আসনের নেসেটে (ইসরায়েলের পার্লামেন্ট) সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি।
বুধবার জেরুজালেমে নিজ দল লিকুদ পার্টির সমর্থকদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, “লিকুদ দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। আমরা একটি শক্তিশালী নতুন জাতীয় সরকার গড়বো।”
২৭এ অক্টোবর ইসরায়েলে শুরু হওয়া এই নির্বাচনের এক্সিট পোলের শুরুতে বিরোধী জোট এগিয়ে থাকার কথা জানা গেলেও পরে চিত্র বদলে যায়।
দেশটির সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টুয়েলভের দেওয়া বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল পর্যন্ত দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের জোট এগিয়ে আছে ৪৯টি আসনে। আরব লিস্ট এগিয়ে রয়েছে ১৯টি আসনে। একক দল হিসেবেও এগিয়ে আছে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি।
তবে নির্বাচনে এগিয়ে থাকলেও নেতানিয়াহুর পক্ষে সরকার গঠনের পথ তেমন সহজ হবে না । একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার গঠনে অন্য দলগুলোর সমর্থন প্রয়োজন হবে। ফলে পরবর্তী সরকার গঠনে রাজনৈতিক সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সমর্থকদের সামনে বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, চূড়ান্ত ফল পাওয়ার আগে সরকার গঠন নিয়ে কথা বলা আগাম হয়ে যাবে। ভোটের আসল ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করবেন বলেও জানান তিনি। তবে আরবদের সমর্থন নিয়ে সরকার পরিচালনা করা হবে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি।
এবারের নির্বাচনে আরবদের প্রতিনিধিত্ব করা দলগুলোর আসনসংখ্যা সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কোনো জোটই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তাদের সমর্থন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে, বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকট দাবি করেছেন, দেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে এবং নেতানিয়াহুর শাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। তিনি চূড়ান্ত ফলের জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনকে বড় ভুল উল্লেখ করে সবাইকে নিয়ে একটি দায়িত্বশীল জায়োনিস্ট সরকার গঠনেরও কথা জানান তিনি।
আজ জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এবং পরবর্তী রাজনৈতিক সমঝোতাই এখন নির্ধারণ করবে, শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের সরকার গঠনের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে।
শক্তিশালী জাতীয় সরকার গড়ার ঘোষণা নেতানিয়াহুর
ইসরায়েলে একটি ‘ডানপন্থি শক্তিশালী জাতীয় সরকার’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে তার নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি জোট এগিয়ে থাকার পর সমর্থকদের সামনে এ ঘোষণা দেন তিনি।
তবে কোনো পক্ষই ১২০ আসনের নেসেটে (ইসরায়েলের পার্লামেন্ট) সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি।
বুধবার জেরুজালেমে নিজ দল লিকুদ পার্টির সমর্থকদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, “লিকুদ দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। আমরা একটি শক্তিশালী নতুন জাতীয় সরকার গড়বো।”
২৭এ অক্টোবর ইসরায়েলে শুরু হওয়া এই নির্বাচনের এক্সিট পোলের শুরুতে বিরোধী জোট এগিয়ে থাকার কথা জানা গেলেও পরে চিত্র বদলে যায়।
দেশটির সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টুয়েলভের দেওয়া বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল পর্যন্ত দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের জোট এগিয়ে আছে ৪৯টি আসনে। আরব লিস্ট এগিয়ে রয়েছে ১৯টি আসনে। একক দল হিসেবেও এগিয়ে আছে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি।
তবে নির্বাচনে এগিয়ে থাকলেও নেতানিয়াহুর পক্ষে সরকার গঠনের পথ তেমন সহজ হবে না । একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার গঠনে অন্য দলগুলোর সমর্থন প্রয়োজন হবে। ফলে পরবর্তী সরকার গঠনে রাজনৈতিক সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সমর্থকদের সামনে বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, চূড়ান্ত ফল পাওয়ার আগে সরকার গঠন নিয়ে কথা বলা আগাম হয়ে যাবে। ভোটের আসল ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করবেন বলেও জানান তিনি। তবে আরবদের সমর্থন নিয়ে সরকার পরিচালনা করা হবে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি।
এবারের নির্বাচনে আরবদের প্রতিনিধিত্ব করা দলগুলোর আসনসংখ্যা সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কোনো জোটই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তাদের সমর্থন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে, বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকট দাবি করেছেন, দেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে এবং নেতানিয়াহুর শাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। তিনি চূড়ান্ত ফলের জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনকে বড় ভুল উল্লেখ করে সবাইকে নিয়ে একটি দায়িত্বশীল জায়োনিস্ট সরকার গঠনেরও কথা জানান তিনি।
আজ জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এবং পরবর্তী রাজনৈতিক সমঝোতাই এখন নির্ধারণ করবে, শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের সরকার গঠনের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে।
বিষয়: