প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪২ এএমআপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪২ এএম
কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩২ জন। আহত হয়েছেন ৪৮০ জনের বেশি। ধসে পড়া ভবনের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। দেশটির ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চোকো প্রদেশে ভূপৃষ্ঠের ১০৩ কিলোমিটার গভীরে ছিলো এর উৎপত্তিস্থল। ঘটনার পরপরই অন্তত ২১টি আফটারশক অনুভূত হয়, যার ধাক্কা প্রতিবেশী দেশ ইকুয়েডর ও পানামা পর্যন্ত পৌঁছায়।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমার গ্রামের কাছে হলেও সেখানে কোনো প্রাণহানি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পেরেইরা শহরে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরের এই শহরে নিহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন। ধসে পড়েছে ৬৫টি ভবন। এর মধ্যে ১৫টি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পেরেইরার কিছু এলাকায় মঙ্গলবার ভোর ৫টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে।
এদিকে পেরেইরা থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত কালি শহরেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেখানে ৩২টি ভবন ধসে পড়েছে।
মানিজালেস, কিবদো, মেডেলিনসহ আরও কয়েকটি শহর এবং চোকো ও ভায়া দেল কওকা অঞ্চলেও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। মানিজালেসে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া পেরেইরা, মানিজালেস, কিবদো, আরমেনিয়া, কার্তাগো ও বুয়েনাভেনতুরাসহ কয়েকটি বিমানবন্দরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবোলার্দো দে লা এসপ্রিয়েয়া দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ১ হাজার ৫০০টির বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন দেশ। ভূমিকম্পের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং কলম্বিয়াকে সহায়তা করতে প্রস্তুত। ইউরোপীয় ইউনিয়নও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করছে। এল সালভাদর উদ্ধারকাজে জনবল ও সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস- এর হিসাবে, প্রায় ১৫ লাখ মানুষ শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেছেন।
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ১৩২
কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩২ জন। আহত হয়েছেন ৪৮০ জনের বেশি। ধসে পড়া ভবনের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। দেশটির ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চোকো প্রদেশে ভূপৃষ্ঠের ১০৩ কিলোমিটার গভীরে ছিলো এর উৎপত্তিস্থল। ঘটনার পরপরই অন্তত ২১টি আফটারশক অনুভূত হয়, যার ধাক্কা প্রতিবেশী দেশ ইকুয়েডর ও পানামা পর্যন্ত পৌঁছায়।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমার গ্রামের কাছে হলেও সেখানে কোনো প্রাণহানি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পেরেইরা শহরে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরের এই শহরে নিহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন। ধসে পড়েছে ৬৫টি ভবন। এর মধ্যে ১৫টি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পেরেইরার কিছু এলাকায় মঙ্গলবার ভোর ৫টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে।
এদিকে পেরেইরা থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত কালি শহরেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেখানে ৩২টি ভবন ধসে পড়েছে।
মানিজালেস, কিবদো, মেডেলিনসহ আরও কয়েকটি শহর এবং চোকো ও ভায়া দেল কওকা অঞ্চলেও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। মানিজালেসে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া পেরেইরা, মানিজালেস, কিবদো, আরমেনিয়া, কার্তাগো ও বুয়েনাভেনতুরাসহ কয়েকটি বিমানবন্দরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবোলার্দো দে লা এসপ্রিয়েয়া দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ১ হাজার ৫০০টির বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন দেশ। ভূমিকম্পের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং কলম্বিয়াকে সহায়তা করতে প্রস্তুত। ইউরোপীয় ইউনিয়নও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করছে। এল সালভাদর উদ্ধারকাজে জনবল ও সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস- এর হিসাবে, প্রায় ১৫ লাখ মানুষ শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেছেন।
(তথ্যসূত্র- দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস)
বিষয়: