প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩৩ পিএমআপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০২:০১ পিএম
ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি আশা করা হচ্ছে এবং শিগগিরই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধের ফলে পাঁচ মাস কার্যত বন্ধ রয়েছে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ। বিশ্ব জ্বালানির এক পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়া এই নৌপথ ফের চালু হলে তেল রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান ও ওমানের মধ্যে চুক্তির বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এটা হলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার হবে এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে মার্কিন পদক্ষেপগুলো কতটা কার্যকর হবে, ইরানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার ওপর নির্ভর করবে বলেও জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মিলে সই করেছে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। মক্কায় হওয়া এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর আক্রমণ হলে তা সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হবে।
তুরস্ক জানিয়েছে, এই চুক্তিটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং আত্মরক্ষামূলক।
কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত বন্ধেও। মার্কিন মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ যাচাই করতে শান্তিরক্ষী সেনা পাঠাতে রাজিও হয়েছে দুই দেশ।
ইরানের কট্টরপন্থিদের বিরোধিতার মুখেও বিরোধ নিষ্পত্তিতে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
রাষ্ট্রীয় টিভিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান বলেন, আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় অধিকার আদায় সম্ভব হলে সংঘাতে জড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই।
দ্রুতই হরমুজ প্রণালি চালুর আশা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি আশা করা হচ্ছে এবং শিগগিরই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধের ফলে পাঁচ মাস কার্যত বন্ধ রয়েছে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ। বিশ্ব জ্বালানির এক পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়া এই নৌপথ ফের চালু হলে তেল রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান ও ওমানের মধ্যে চুক্তির বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এটা হলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার হবে এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে মার্কিন পদক্ষেপগুলো কতটা কার্যকর হবে, ইরানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার ওপর নির্ভর করবে বলেও জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মিলে সই করেছে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। মক্কায় হওয়া এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর আক্রমণ হলে তা সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হবে।
তুরস্ক জানিয়েছে, এই চুক্তিটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং আত্মরক্ষামূলক।
কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত বন্ধেও। মার্কিন মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ যাচাই করতে শান্তিরক্ষী সেনা পাঠাতে রাজিও হয়েছে দুই দেশ।
ইরানের কট্টরপন্থিদের বিরোধিতার মুখেও বিরোধ নিষ্পত্তিতে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
রাষ্ট্রীয় টিভিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান বলেন, আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় অধিকার আদায় সম্ভব হলে সংঘাতে জড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই।
বিষয়: