নতুন তিনটি আইন মানবাধিকার সুরক্ষা নষ্ট করছে: এইচআরডব্লিউ
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক এলাইন পিয়ারসন বলেন, “অতীতের ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে নিরাপত্তা খাতের সত্যিকারের সংস্কার এবং স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন প্রয়োজন। কিন্তু নতুন সরকারের এই পদক্ষেপে বোঝা যায় তারা নিরাপত্তা বাহিনীকে জবাবদিহিতা থেকে আড়াল করার চেষ্টা করছে।”
প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ পিএমআপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম
বাংলাদেশে পাস হওয়া নতুন তিনটি আইন মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট করেছে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এইআরডব্লিউ। মানবাধিকার কমিশন, র্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি ও গুম সংক্রান্ত আইনের মাধ্যমে অপরাধের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। এইচআরডব্লিউ মনে করে, এই আইনগুলো করে বিএনপি তার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে পাস হওয়া এই নতুন আইনগুলোর মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দুর্বল করা হয়েছে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে বিলুপ্ত করার কথা বলা হলেও বাস্তবে শুধু নাম পরিবর্তন করে 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন' বা এসআরবি করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা দিলেও বর্তমান সরকার তা কমিয়ে আগের মতোই সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটি মনে করে নতুন আইন অনুযায়ী, কমিশন এখন সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করতে পারবে না। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সংস্কার করে তদন্তের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি ও ছাড়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির ক্ষেত্রেও আগের চেয়ে কঠোর প্রমাণ সাপেক্ষে শাস্তির বিধান করা হয়েছে, যা অপরাধীদের দায়মুক্তি দিতে পারে বলে মনে করছেন মানবাধিকার বিশ্লেষকরা। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক এলাইন পিয়ারসন বলেন, “অতীতের ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে নিরাপত্তা খাতের সত্যিকারের সংস্কার এবং স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন প্রয়োজন। কিন্তু নতুন সরকারের এই পদক্ষেপে বোঝা যায় তারা নিরাপত্তা বাহিনীকে জবাবদিহিতা থেকে আড়াল করার চেষ্টা করছে।” তিনি বলেন, “নতুন সরকারকে এত দ্রুত শেখ হাসিনার নিপীড়নের পথ অনুসরণ করতে দেখা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ আমরা দেখেছি এর পরিণতি কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে।”
নতুন তিনটি আইন মানবাধিকার সুরক্ষা নষ্ট করছে: এইচআরডব্লিউ
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক এলাইন পিয়ারসন বলেন, “অতীতের ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে নিরাপত্তা খাতের সত্যিকারের সংস্কার এবং স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন প্রয়োজন। কিন্তু নতুন সরকারের এই পদক্ষেপে বোঝা যায় তারা নিরাপত্তা বাহিনীকে জবাবদিহিতা থেকে আড়াল করার চেষ্টা করছে।”
বাংলাদেশে পাস হওয়া নতুন তিনটি আইন মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট করেছে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এইআরডব্লিউ।
মানবাধিকার কমিশন, র্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি ও গুম সংক্রান্ত আইনের মাধ্যমে অপরাধের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।
এইচআরডব্লিউ মনে করে, এই আইনগুলো করে বিএনপি তার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে পাস হওয়া এই নতুন আইনগুলোর মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দুর্বল করা হয়েছে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে বিলুপ্ত করার কথা বলা হলেও বাস্তবে শুধু নাম পরিবর্তন করে 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন' বা এসআরবি করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা দিলেও বর্তমান সরকার তা কমিয়ে আগের মতোই সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
সংস্থাটি মনে করে নতুন আইন অনুযায়ী, কমিশন এখন সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করতে পারবে না।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সংস্কার করে তদন্তের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি ও ছাড়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির ক্ষেত্রেও আগের চেয়ে কঠোর প্রমাণ সাপেক্ষে শাস্তির বিধান করা হয়েছে, যা অপরাধীদের দায়মুক্তি দিতে পারে বলে মনে করছেন মানবাধিকার বিশ্লেষকরা।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক এলাইন পিয়ারসন বলেন, “অতীতের ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে নিরাপত্তা খাতের সত্যিকারের সংস্কার এবং স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন প্রয়োজন। কিন্তু নতুন সরকারের এই পদক্ষেপে বোঝা যায় তারা নিরাপত্তা বাহিনীকে জবাবদিহিতা থেকে আড়াল করার চেষ্টা করছে।”
তিনি বলেন, “নতুন সরকারকে এত দ্রুত শেখ হাসিনার নিপীড়নের পথ অনুসরণ করতে দেখা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ আমরা দেখেছি এর পরিণতি কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে।”