প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৯ পিএমআপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইংয়ের জায়গায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে বলরুম তৈরির কাজ আটকে দিয়েছে দেশটির আদালত। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এই পরিকল্পনায় নির্মাণাধীন ভবনটির কাজ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির ফেডারেল আপিল আদালত।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ৭ই অগাস্ট ওয়াশিংটন ডিসির ইউএস কোর্ট অব আপিলস ফর দ্য ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার বিচারকরা ২-১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এই নির্দেশ দেন। বিচারকেরা বলেন, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের মতো ঐতিহাসিক ভবনে এত বড় পরিবর্তন করতে পারেন না।
বলরুমটি প্রায় ৯০ হাজার বর্গফুটের। এটি বানাতে গত বছর হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙে ফেলা হয়। এরপর কংগ্রেসের অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা করে ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন।
আদালত বলেছে, প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের মালিক নন, তিনি শুধু সেখানে দায়িত্ব পালন করেন। তাই এত বড় একটি ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত একা প্রেসিডেন্ট নিতে পারেন না।
রায়ের পর ট্রাম্প এটিকে ‘ভয়াবহ’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ সিদ্ধান্ত বলে সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, বলরুমে বোমা হামলা থেকে নিরাপদ থাকার জায়গা, চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকানোর ব্যবস্থা থাকবে। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এই প্রকল্প প্রয়োজন।
তবে আদালত বলরুম নির্মাণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেনি। ট্রাম্প প্রশাসনকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সুযোগ দিতে ১৪ দিনের জন্য রায় কার্যকর করা স্থগিত রাখা হয়েছে। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রশাসন জানিয়েছে, তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবে।
ট্রাম্পের ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বলরুম প্রজেক্ট আটকে দিলো আদালত
হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইংয়ের জায়গায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে বলরুম তৈরির কাজ আটকে দিয়েছে দেশটির আদালত। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এই পরিকল্পনায় নির্মাণাধীন ভবনটির কাজ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির ফেডারেল আপিল আদালত।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ৭ই অগাস্ট ওয়াশিংটন ডিসির ইউএস কোর্ট অব আপিলস ফর দ্য ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার বিচারকরা ২-১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এই নির্দেশ দেন। বিচারকেরা বলেন, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের মতো ঐতিহাসিক ভবনে এত বড় পরিবর্তন করতে পারেন না।
বলরুমটি প্রায় ৯০ হাজার বর্গফুটের। এটি বানাতে গত বছর হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙে ফেলা হয়। এরপর কংগ্রেসের অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা করে ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন।
আদালত বলেছে, প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের মালিক নন, তিনি শুধু সেখানে দায়িত্ব পালন করেন। তাই এত বড় একটি ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত একা প্রেসিডেন্ট নিতে পারেন না।
রায়ের পর ট্রাম্প এটিকে ‘ভয়াবহ’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ সিদ্ধান্ত বলে সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, বলরুমে বোমা হামলা থেকে নিরাপদ থাকার জায়গা, চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকানোর ব্যবস্থা থাকবে। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এই প্রকল্প প্রয়োজন।
তবে আদালত বলরুম নির্মাণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেনি। ট্রাম্প প্রশাসনকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সুযোগ দিতে ১৪ দিনের জন্য রায় কার্যকর করা স্থগিত রাখা হয়েছে। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রশাসন জানিয়েছে, তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবে।
বিষয়: