নিজস্ব যোগাযোগ চ্যানেল খুলতে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
কাতারের রাজধানী দোহায় বুধবার মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে পরোক্ষ বৈঠকে বসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি না হলেও, ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত যোগাযোগের জন্য একটি বিশেষ চ্যানেল চালুর সিদ্ধান্ত হয়।
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১১ পিএমআপডেট : ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
কাতারে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে নিজেদের মধ্যে একটি সরাসরি যোগাযোগ চ্যানেল চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ২রা জুলাই ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি।
কাতারের রাজধানী দোহায় বুধবার মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে পরোক্ষ বৈঠকে বসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি না হলেও, ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত যোগাযোগের জন্য একটি বিশেষ চ্যানেল চালুর সিদ্ধান্ত হয়।
কাজেম ঘারিবাবাদি জানান, বৈঠকে দুটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম অধিবেশনে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় দুই দেশ সিদ্ধান্ত নেয়, চুক্তি বাস্তবায়নের ৬০ দিনের মধ্যে কোনো পক্ষ শর্ত ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ উঠলে, তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনার জন্য একটি সরাসরি যোগাযোগ চ্যানেল ব্যবহার করা হবে।
দ্বিতীয় অধিবেশনে বিদেশে আটকে থাকা ইরানের ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। কাতারের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ অর্থের একটি অংশ কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়েও আলোচনা হয় বলে জানান ঘারিবাবাদি।
বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন কাজেম ঘারিবাবাদি। তবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ এতে উপস্থিত ছিলেন না।
অন্যদিকে, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন। কাতার জানায়, পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথভাবে তারা মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
বৈঠকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, জব্দ থাকা অর্থ এবং লেবাননের পরিস্থিতিও আলোচনায় এসেছে।
বৈঠক শেষে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে এবং দুই দেশ আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির শেষকৃত্য শেষ হওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকের সময় নির্ধারণ করা হবে। পাকিস্তানও একই ধরনের বিবৃতি দিয়েছে।
নিজস্ব যোগাযোগ চ্যানেল খুলতে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
কাতারের রাজধানী দোহায় বুধবার মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে পরোক্ষ বৈঠকে বসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি না হলেও, ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত যোগাযোগের জন্য একটি বিশেষ চ্যানেল চালুর সিদ্ধান্ত হয়।
বিষয়: