কাতারের বৃহত্তম গ্যাস স্থাপনায় বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত, আহত ৬৬
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ এএমআপডেট : ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
রবিবার রাতে রাস লাফান শিল্পাঞ্চলের বারজান গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে এ বিস্ফোরণটি ঘটে।
কাতারের বৃহত্তম গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ স্থাপনা রাস লাফানে বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৬৬ জন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে ‘প্রযুক্তিগত দুর্ঘটনা’ বলে বর্ণনা করেছে। তবে একইসঙ্গে এই ‘দুর্ঘটনা’র কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রবিবার রাতে রাস লাফান শিল্পাঞ্চলের বারজান গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে এ বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের পর আগুনের লেলিহান শিখায় আকাশ কমলা রঙ ধারণ করে।
বিস্ফোরণ এতোই তীব্র ছিলো যে ৭০ কিলোমিটারের দূরেও জানালার কাঁচ কেঁপে ওঠে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাসিন্দাদের মাঝে।
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ শেরিদা আল-কাবি বলেছেন, ঘটনাটি কোনো নাশকতা বা হামলার ফল নয়, বরং একটি দুর্ঘটনা। তবে কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি জানান, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ ছিলো। মাত্র দুই দিন আগে পুনরায় কার্যক্রম চালু করা হয় এবং সেই প্রক্রিয়ার মধ্যেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতদের পরিবারকে সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলো কাতারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরপরই জরুরি উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিবেশগত কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই।
বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম বন্দর ও এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত রাস লাফান সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবেও আলোচনায় আসে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের সময় ইরানের পালটা হামলায় বন্দরটির কিছু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো।
কাতারএনার্জির তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের কারণে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত এলএনজি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ কাতার। সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় দেশটি উৎপাদন স্থগিত করলে বিশ্বব্যাপী এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও নতুন এই দুর্ঘটনা জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
কাতারের বৃহত্তম গ্যাস স্থাপনায় বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত, আহত ৬৬
কাতারের বৃহত্তম গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ স্থাপনা রাস লাফানে বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৬৬ জন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে ‘প্রযুক্তিগত দুর্ঘটনা’ বলে বর্ণনা করেছে। তবে একইসঙ্গে এই ‘দুর্ঘটনা’র কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রবিবার রাতে রাস লাফান শিল্পাঞ্চলের বারজান গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে এ বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের পর আগুনের লেলিহান শিখায় আকাশ কমলা রঙ ধারণ করে।
বিস্ফোরণ এতোই তীব্র ছিলো যে ৭০ কিলোমিটারের দূরেও জানালার কাঁচ কেঁপে ওঠে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাসিন্দাদের মাঝে।
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ শেরিদা আল-কাবি বলেছেন, ঘটনাটি কোনো নাশকতা বা হামলার ফল নয়, বরং একটি দুর্ঘটনা। তবে কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি জানান, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ ছিলো। মাত্র দুই দিন আগে পুনরায় কার্যক্রম চালু করা হয় এবং সেই প্রক্রিয়ার মধ্যেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতদের পরিবারকে সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলো কাতারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরপরই জরুরি উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিবেশগত কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই।
বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম বন্দর ও এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত রাস লাফান সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবেও আলোচনায় আসে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের সময় ইরানের পালটা হামলায় বন্দরটির কিছু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো।
কাতারএনার্জির তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের কারণে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত এলএনজি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ কাতার। সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় দেশটি উৎপাদন স্থগিত করলে বিশ্বব্যাপী এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও নতুন এই দুর্ঘটনা জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
বিষয়: