রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে অবস্থিত তেল শোধনাগারে একই সপ্তাহে দ্বিতীয় হামলা চালিয়েছে উক্রেইন; পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠেছে কিভ। যুদ্ধ অবসানে পশ্চিমা সমর্থন জোরদারে তৎপর দেশটি।
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ০১:১৬ পিএমআপডেট : ১৮ জুন ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে অবস্থিত তেল শোধনাগারে একই সপ্তাহে দ্বিতীয় হামলা চালিয়েছে উক্রেইন।
যুদ্ধক্ষেত্রের উত্তাপ কমার যখন কোনো লক্ষণ মিলছে না, তখনই শান্তি আলোচনার জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
এর মধ্যেই রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে ফের ড্রোন হামলা চালিয়েছে উক্রেইন। জবাবে কিইভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া।
বৃহস্পতিবার মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, উক্রেইনের ব্যাপক ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল। অধিকাংশ ড্রোন ভূপাতিত করা হলেও কয়েকটি রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত মস্কো তেল শোধনাগারে আঘাত হানে।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার পর শোধনাগার এলাকা থেকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। চলতি সপ্তাহে এটি দ্বিতীয়বারের মতো ওই স্থাপনায় হামলার ঘটনা। মঙ্গলবারের হামলার পর শোধনাগারটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মুহুর্মুহু এই ড্রোন হামলায় রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে চাপ বাড়ছে। শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রাশিয়া এ মাসেই সমুদ্রপথে জ্বালানি আমদানির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হামলার প্রভাব রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও পড়ে। মস্কোর একটি আবাসিক ভবন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয় শেরেমেতিয়েভো বিমানবন্দরে।
বৃহস্পতিবার ভোরে কিয়েভে নতুন করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। উক্রেইনীয় কর্মকর্তারা নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজধানীতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে আলাদা ড্রোন হামলায় একজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে কিইভে রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হন। ওই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় উক্রেইনের প্রায় এক হাজার বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনাও।
এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগে নতুন গতি আনার চেষ্টা করছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তিনি জানিয়েছেন, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-সেভেন সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখোসহ একাধিক পশ্চিমা নেতার সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি।
জেলেনস্কির ভাষ্যমতে, এটি ছিল যুদ্ধের শেষ হওয়া এবং সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির বিষয়ে একটি সমন্বিত কূটনৈতিক আলোচনা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুদ্ধে উক্রেইনের তুলনায় বেশি সেনা হারাচ্ছে রাশিয়া। দুই পক্ষই সমাধানের পথ খুঁজতে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।
তবে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে জেলেনস্কির সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়টি উত্থাপিত হয়নি।
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-উক্রেইন যুদ্ধের মধ্যে নতুন এই হামলা-পালটা হামলা এবং কূটনৈতিক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, সংঘাতের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনা এগোলেও যুদ্ধক্ষেত্রে উত্তেজনা কমেনি।
মস্কোয় এক সপ্তাহে দুইবার হামলা উক্রেইনের
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে অবস্থিত তেল শোধনাগারে একই সপ্তাহে দ্বিতীয় হামলা চালিয়েছে উক্রেইন; পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠেছে কিভ। যুদ্ধ অবসানে পশ্চিমা সমর্থন জোরদারে তৎপর দেশটি।
যুদ্ধক্ষেত্রের উত্তাপ কমার যখন কোনো লক্ষণ মিলছে না, তখনই শান্তি আলোচনার জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
এর মধ্যেই রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে ফের ড্রোন হামলা চালিয়েছে উক্রেইন। জবাবে কিইভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া।
বৃহস্পতিবার মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, উক্রেইনের ব্যাপক ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল। অধিকাংশ ড্রোন ভূপাতিত করা হলেও কয়েকটি রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত মস্কো তেল শোধনাগারে আঘাত হানে।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার পর শোধনাগার এলাকা থেকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। চলতি সপ্তাহে এটি দ্বিতীয়বারের মতো ওই স্থাপনায় হামলার ঘটনা। মঙ্গলবারের হামলার পর শোধনাগারটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মুহুর্মুহু এই ড্রোন হামলায় রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে চাপ বাড়ছে। শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রাশিয়া এ মাসেই সমুদ্রপথে জ্বালানি আমদানির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হামলার প্রভাব রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও পড়ে। মস্কোর একটি আবাসিক ভবন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয় শেরেমেতিয়েভো বিমানবন্দরে।
বৃহস্পতিবার ভোরে কিয়েভে নতুন করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। উক্রেইনীয় কর্মকর্তারা নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজধানীতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে আলাদা ড্রোন হামলায় একজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে কিইভে রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হন। ওই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় উক্রেইনের প্রায় এক হাজার বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনাও।
এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগে নতুন গতি আনার চেষ্টা করছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তিনি জানিয়েছেন, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-সেভেন সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখোসহ একাধিক পশ্চিমা নেতার সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি।
জেলেনস্কির ভাষ্যমতে, এটি ছিল যুদ্ধের শেষ হওয়া এবং সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির বিষয়ে একটি সমন্বিত কূটনৈতিক আলোচনা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুদ্ধে উক্রেইনের তুলনায় বেশি সেনা হারাচ্ছে রাশিয়া। দুই পক্ষই সমাধানের পথ খুঁজতে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।
তবে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে জেলেনস্কির সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়টি উত্থাপিত হয়নি।
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-উক্রেইন যুদ্ধের মধ্যে নতুন এই হামলা-পালটা হামলা এবং কূটনৈতিক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, সংঘাতের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনা এগোলেও যুদ্ধক্ষেত্রে উত্তেজনা কমেনি।
বিষয়: