সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজার সংলগ্ন দিঘিতে গোসল করতে নেমে কুমিরের হামলার শিকার হয় সাত বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিরটি শিশুটির পা ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার ভোরে দিঘির মহিলা ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ০৪:০৭ পিএমআপডেট : ০৩ জুন ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
বাগেরহাটের হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দিঘিতে থাকা কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাত বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনার দুই দিন পর বুধবার সকালে কুমিরটিকে খুলনার বয়রা রেসকিউ সেন্টারে স্থানান্তর করে বন বিভাগ। বিষয়টি আলাপকে নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোসা: আতিয়া খাতুন
আলাপকে তিনি জানান, বন বিভাগের বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের একটি দল সকালে মাজার এলাকায় গিয়ে কুমিরটিকে আটক করে উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
তিনি বলেন, “কুমির অপসারণের বিষয়ে বুধবার একটি সভা হওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় মঙ্গলবার রাতেই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে খুলনার বয়রা রেসকিউ সেন্টারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”
এর আগে সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজার সংলগ্ন দিঘিতে গোসল করতে নেমে কুমিরের হামলার শিকার হয় সাত বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিরটি শিশুটির পা ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার ভোরে দিঘির মহিলা ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হলে কুমিরটি অপসারণের দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে কুমিরটিকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।
সরিয়ে নেওয়া হলো মাজারের সেই কুমির
সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজার সংলগ্ন দিঘিতে গোসল করতে নেমে কুমিরের হামলার শিকার হয় সাত বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিরটি শিশুটির পা ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার ভোরে দিঘির মহিলা ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাগেরহাটের হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দিঘিতে থাকা কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাত বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনার দুই দিন পর বুধবার সকালে কুমিরটিকে খুলনার বয়রা রেসকিউ সেন্টারে স্থানান্তর করে বন বিভাগ। বিষয়টি আলাপকে নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোসা: আতিয়া খাতুন
আলাপকে তিনি জানান, বন বিভাগের বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের একটি দল সকালে মাজার এলাকায় গিয়ে কুমিরটিকে আটক করে উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
তিনি বলেন, “কুমির অপসারণের বিষয়ে বুধবার একটি সভা হওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় মঙ্গলবার রাতেই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে খুলনার বয়রা রেসকিউ সেন্টারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”
এর আগে সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজার সংলগ্ন দিঘিতে গোসল করতে নেমে কুমিরের হামলার শিকার হয় সাত বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিরটি শিশুটির পা ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার ভোরে দিঘির মহিলা ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হলে কুমিরটি অপসারণের দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে কুমিরটিকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।
বিষয়: