প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএমআপডেট : ০২ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ (পেন্টাগন) তাদের প্রেস অফিসকে ‘ক্লাসিফায়েড স্পেস’ ঘোষণা করে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। সামরিক বাহিনী ও সরকারি কার্যক্রমে মিডিয়া অ্যাক্সেস সীমাবদ্ধ করার ধারাবাহিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রেস সেক্রেটারি জোয়েল ভালদেজ নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এ সিদ্ধান্তের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রেস অফিসটিকে সেন্সিটিভ কমপার্টমেন্টেড ইনফরমেশন ফ্যাসিলিটি (এসসিআইএফ) হিসেবে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে, কারণ সেখানে এমন স্পিচরাইটাররা কাজ করেন যাদের শ্রেণিবদ্ধ সরকারি তথ্য সংগ্রহের অনুমতি রয়েছে।
জোয়েল ভালদেজ আরও বলেন, “জনসংযোগবিষয়ক সহকারী সচিব ও প্রেস সেক্রেটারির কার্যালয়ে প্রবেশ এখন শুধুমাত্র পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে সম্ভব হবে।”
এর আগে ২০২৬ সালের শুরুতে পেন্টাগনে সাংবাদিকদের চলাচলে সরকারি এসকর্ট বাধ্যতামূলক করা হয়। এ নীতিকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থি আখ্যা দিয়ে পেন্টাগনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল নিউ ইয়র্ক টাইমস।
দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকরা বিশেষ প্রেস পাসের মাধ্যমে পেন্টাগনে অবাধে চলাচল ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারলেও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ধাপে ধাপে সেই প্রবেশাধিকার সীমিত করেন। প্রথমে কিছু করিডোরে এবং পরে পুরো পেন্টাগন ভবনেই এসকর্ট বাধ্যতামূলক করা হয়।
পেন্টাগন প্রেস অফিসে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ (পেন্টাগন) তাদের প্রেস অফিসকে ‘ক্লাসিফায়েড স্পেস’ ঘোষণা করে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। সামরিক বাহিনী ও সরকারি কার্যক্রমে মিডিয়া অ্যাক্সেস সীমাবদ্ধ করার ধারাবাহিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রেস সেক্রেটারি জোয়েল ভালদেজ নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এ সিদ্ধান্তের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রেস অফিসটিকে সেন্সিটিভ কমপার্টমেন্টেড ইনফরমেশন ফ্যাসিলিটি (এসসিআইএফ) হিসেবে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে, কারণ সেখানে এমন স্পিচরাইটাররা কাজ করেন যাদের শ্রেণিবদ্ধ সরকারি তথ্য সংগ্রহের অনুমতি রয়েছে।
জোয়েল ভালদেজ আরও বলেন, “জনসংযোগবিষয়ক সহকারী সচিব ও প্রেস সেক্রেটারির কার্যালয়ে প্রবেশ এখন শুধুমাত্র পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে সম্ভব হবে।”
এর আগে ২০২৬ সালের শুরুতে পেন্টাগনে সাংবাদিকদের চলাচলে সরকারি এসকর্ট বাধ্যতামূলক করা হয়। এ নীতিকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থি আখ্যা দিয়ে পেন্টাগনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল নিউ ইয়র্ক টাইমস।
দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকরা বিশেষ প্রেস পাসের মাধ্যমে পেন্টাগনে অবাধে চলাচল ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারলেও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ধাপে ধাপে সেই প্রবেশাধিকার সীমিত করেন। প্রথমে কিছু করিডোরে এবং পরে পুরো পেন্টাগন ভবনেই এসকর্ট বাধ্যতামূলক করা হয়।
দ্য নিউ ইউর্ক টাইমস অবলম্বনে