অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে একের পর এক ফায়ার সার্ভিস ইউনিট পাঠানো হয়। উদ্ধার কাজে দুটি ওয়াটার ইঞ্জিন, দুটি ওয়াটার বাউজার, একটি কুইক রেসপন্স ভেহিকেলসহ একাধিক ইউনিট অংশ নেয়।
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএমআপডেট : ০৩ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএম
ভারতের রাজধানী দিল্লির মালভিয়া নগরে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার সকালে দিল্লির মালভিয়া নগরের মিকাসা ইন হোটেলের বেজমেন্টে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এরপর দ্রুতই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাঁচতলা ভবনজুড়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে একের পর এক ফায়ার সার্ভিস ইউনিট পাঠানো হয়। উদ্ধার কাজে দুটি ওয়াটার ইঞ্জিন, দুটি ওয়াটার বাউজার, একটি কুইক রেসপন্স ভেহিকেলসহ একাধিক ইউনিট অংশ নেয়।
ধারণা করা হচ্ছে, পাঁচতলা ভবনটিতে প্রায় ৪০ জন অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার কারণ এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
আগুন লাগার সময় বেশিরভাগ অতিথিই ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অনেকে প্রাণ বাঁচাতে জানালা দিয়ে নিচে লাফ দেন।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনাকে অত্যন্ত ‘দুঃখজনক’ বলে আখ্যায়িত করে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার রুপি জরুরি আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন।
দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে ২১ জনের প্রাণহানি
অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে একের পর এক ফায়ার সার্ভিস ইউনিট পাঠানো হয়। উদ্ধার কাজে দুটি ওয়াটার ইঞ্জিন, দুটি ওয়াটার বাউজার, একটি কুইক রেসপন্স ভেহিকেলসহ একাধিক ইউনিট অংশ নেয়।
ভারতের রাজধানী দিল্লির মালভিয়া নগরে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার সকালে দিল্লির মালভিয়া নগরের মিকাসা ইন হোটেলের বেজমেন্টে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এরপর দ্রুতই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাঁচতলা ভবনজুড়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে একের পর এক ফায়ার সার্ভিস ইউনিট পাঠানো হয়। উদ্ধার কাজে দুটি ওয়াটার ইঞ্জিন, দুটি ওয়াটার বাউজার, একটি কুইক রেসপন্স ভেহিকেলসহ একাধিক ইউনিট অংশ নেয়।
ধারণা করা হচ্ছে, পাঁচতলা ভবনটিতে প্রায় ৪০ জন অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার কারণ এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
আগুন লাগার সময় বেশিরভাগ অতিথিই ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অনেকে প্রাণ বাঁচাতে জানালা দিয়ে নিচে লাফ দেন।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনাকে অত্যন্ত ‘দুঃখজনক’ বলে আখ্যায়িত করে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার রুপি জরুরি আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন।
বিষয়: