নেতানিয়াহুর হুমকির পর আবারও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৬, ১২:২৬ পিএমআপডেট : ২৬ মে ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
ইসরায়েলি সেনা অবস্থান লক্ষ্য করে ২২টি ড্রোন ও রকেট হামলা চালিয়েছে হেজবুল্লাহ।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদারের ঘোষণা দেওয়ার পর লেবাননজুড়ে নতুন করে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে সীমান্ত অঞ্চলে চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, পূর্ব লেবাননের বেকা উপত্যকাসহ বিভিন্ন এলাকায় হেজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান ও স্থল হামলা চালানো হয়েছে, যা সিরিয়া সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
এর জবাবে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহ জানায়, তারা ইসরায়েলি সেনা অবস্থান লক্ষ্য করে ২২টি ড্রোন ও রকেট হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ছিলো সেনা ঘাঁটি, ট্যাংক ও ব্যারাক। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সোমবার এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল “হেজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে” এবং হামলার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে।
তিনি দাবি করেন, চলমান অভিযানে ৬০০-র বেশি যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
এরই মধ্যে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী দুই মন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ও ইতামার বেন-গভির বৈরুত পর্যন্ত অভিযান সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
হিজবুল্লাহ বলেছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা দক্ষিণ লেবানন ও উত্তর ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে, যদিও দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই- জানিয়েছে বিবিসি।
এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। সব মিলে আঞ্চলিক সংকট আরও জটিল রূপ নিচ্ছে।
লেবাননে চলমান সংঘাতে ৩ হাজারের বেশি নিহত হয়েছে, অন্যদিকে ইসরায়েলের নিহত হয়েছে ১০ সেনা। একই সঙ্গে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে।
নেতানিয়াহুর হুমকির পর আবারও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদারের ঘোষণা দেওয়ার পর লেবাননজুড়ে নতুন করে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে সীমান্ত অঞ্চলে চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, পূর্ব লেবাননের বেকা উপত্যকাসহ বিভিন্ন এলাকায় হেজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান ও স্থল হামলা চালানো হয়েছে, যা সিরিয়া সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
এর জবাবে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহ জানায়, তারা ইসরায়েলি সেনা অবস্থান লক্ষ্য করে ২২টি ড্রোন ও রকেট হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ছিলো সেনা ঘাঁটি, ট্যাংক ও ব্যারাক। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সোমবার এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল “হেজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে” এবং হামলার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে।
তিনি দাবি করেন, চলমান অভিযানে ৬০০-র বেশি যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
এরই মধ্যে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী দুই মন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ও ইতামার বেন-গভির বৈরুত পর্যন্ত অভিযান সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
চলতি মাসে ঘোষিত ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সীমান্তে সংঘর্ষ পুরোপুরি থামেনি।
হিজবুল্লাহ বলেছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা দক্ষিণ লেবানন ও উত্তর ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে, যদিও দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই- জানিয়েছে বিবিসি।
এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। সব মিলে আঞ্চলিক সংকট আরও জটিল রূপ নিচ্ছে।
লেবাননে চলমান সংঘাতে ৩ হাজারের বেশি নিহত হয়েছে, অন্যদিকে ইসরায়েলের নিহত হয়েছে ১০ সেনা। একই সঙ্গে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে।
বিষয়: