লেবাননে যুদ্ধবিরতি শুরু, ইরানের সাথে চুক্তি হলে পাকিস্তান যাবেন ট্রাম্প
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৪ পিএমআপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
ইসরায়েল-লেবাননের মধ্যে স্থায়ী নিরাপত্তা ও শান্তি চুক্তির আলোচনা চালাতে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষই সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। এই ১০ দিনের বিরতির সময় সীমান্ত নিরাপত্তা, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
লেবানন সরকার তাদের ভূখণ্ডে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে কাজ করবে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীকে একমাত্র বৈধ প্রতিরক্ষা শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে উদযাপনের অংশ হিসেবে গুলির শব্দ শোনা যায়। বিভিন্ন জায়গায় আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়। বাস্তুচ্যুত মানুষ দক্ষিণ লেবানন ও বৈরুতের উপকণ্ঠে ফিরতে শুরু করে। যদিও সরকার তাদের সতর্ক থাকতে বলেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, শান্তি আলোচনাকে এগিয়ে নিতে তিনি এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন।
তবে লেবাননের সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েল দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামে মাঝে মাঝে গোলাবর্ষণ করে চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তির খুব কাছাকাছি আছে যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য তিনি পাকিস্তানে যেতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।”
তিনি জানান, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এই সপ্তাহে তেহরানের সঙ্গে ফের আলোচনা শুরু হতে পারে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ইসলামাবাদে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে ওই বৈঠকে কোনো সমঝোতা হয়নি।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। এই আলোচনা আবার পাকিস্তানেই হতে পারে।
লেবাননে যুদ্ধবিরতি শুরু, ইরানের সাথে চুক্তি হলে পাকিস্তান যাবেন ট্রাম্প
ইসরায়েল-লেবাননের মধ্যে স্থায়ী নিরাপত্তা ও শান্তি চুক্তির আলোচনা চালাতে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষই সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। এই ১০ দিনের বিরতির সময় সীমান্ত নিরাপত্তা, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
লেবানন সরকার তাদের ভূখণ্ডে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে কাজ করবে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীকে একমাত্র বৈধ প্রতিরক্ষা শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে উদযাপনের অংশ হিসেবে গুলির শব্দ শোনা যায়। বিভিন্ন জায়গায় আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়। বাস্তুচ্যুত মানুষ দক্ষিণ লেবানন ও বৈরুতের উপকণ্ঠে ফিরতে শুরু করে। যদিও সরকার তাদের সতর্ক থাকতে বলেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, শান্তি আলোচনাকে এগিয়ে নিতে তিনি এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন।
তবে লেবাননের সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েল দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামে মাঝে মাঝে গোলাবর্ষণ করে চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তির খুব কাছাকাছি আছে যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য তিনি পাকিস্তানে যেতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।”
তিনি জানান, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এই সপ্তাহে তেহরানের সঙ্গে ফের আলোচনা শুরু হতে পারে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ইসলামাবাদে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে ওই বৈঠকে কোনো সমঝোতা হয়নি।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। এই আলোচনা আবার পাকিস্তানেই হতে পারে।
(এএফপি, আলজাজিরা অবলম্বনে)
বিষয়: