ইসরায়েল ও লেবাননভিত্তিক সশস্ত্রগোষ্ঠী হেজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের ঘোষণার পরও উভয় পক্ষ থেকেই হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং হেজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষই “সব ধরনের গোলাগুলি বন্ধ” করতে সম্মত হয়েছে।
তবে হেজবুল্লাহর সংসদ সদস্য হাসান ফাদলাল্লাহ জানিয়েছেন, বৈরুতকে রক্ষার বিনিময়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা বন্ধ করার প্রস্তাব তাদের সংগঠন প্রত্যাখ্যান করেছে।
অন্য দিকে ট্রাম্পের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে বোমা হামলার নির্দেশও দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
তবে ট্রাম্প বলেন, বৈরুতে কোনো সেনা পাঠানো হবে না এবং যেসব সেনা সেখানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ইরান সতর্ক করে বলেছিল, লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির সমালোচনা করেছেন ইউরোপীয় নেতারাও। যার মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির মতো দেশের প্রতিনিধিরা।
গত মাসে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হলেও ইসরায়েল ও হেজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ পুরোপুরি থামেনি। ঘোষণার পর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৮০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে হেজবুল্লাহও ইসরায়েলি বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা এবং উত্তর ইসরায়েলের দিকে রকেট নিক্ষেপ চলমান রেখেছে।



