যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানে মার্কিন হামলা, নতুন করে উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৬, ০৯:৫৩ এএমআপডেট : ২৬ মে ২০২৬, ১০:৪২ এএম
যুদ্ধবিরতি মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আত্মরক্ষামূলক ও নিজ সেনাবাহিনীর সুরক্ষায় এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
এ দিকে হরমুজ প্রণালির নিকটে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ও মাইন পেতে থাকা নৌযান লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি তেহরান।
সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র “সংযম” বজায় রেখে নিজেদের বাহিনীকে রক্ষার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বান্দার আব্বাসের কাছাকাছি এলাকা। সেখানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি রয়েছে এবং এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির সঙ্গে সংযুক্ত।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর দিলেও হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে তারা।
এদিকে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন।
হামলার পরে ইউএস সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও বলেন, এখনও সমঝোতার সুযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের শীর্ষ আলোচক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে।
তিনি জানান, খসড়া চুক্তির বিভিন্ন ভাষা ও শর্ত নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রুবিও আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প একটি “কার্যকর ও শক্ত” চুক্তি চান। “ভালো চুক্তি না হলে কোনো চুক্তিই হবে না,” বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেছেন, আলোচনায় অগ্রগতি হলেও তাৎক্ষণিক কোনো চুক্তির সম্ভাবনা নেই।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য সমঝোতায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন দফা আলোচনা শুরুর বিষয় রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই উত্তেজনা বিশ্ববাজারেও প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানে মার্কিন হামলা, নতুন করে উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে
যুদ্ধবিরতি মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আত্মরক্ষামূলক ও নিজ সেনাবাহিনীর সুরক্ষায় এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
এ দিকে হরমুজ প্রণালির নিকটে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ও মাইন পেতে থাকা নৌযান লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি তেহরান।
সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র “সংযম” বজায় রেখে নিজেদের বাহিনীকে রক্ষার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বান্দার আব্বাসের কাছাকাছি এলাকা। সেখানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি রয়েছে এবং এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির সঙ্গে সংযুক্ত।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর দিলেও হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে তারা।
এদিকে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন।
হামলার পরে ইউএস সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও বলেন, এখনও সমঝোতার সুযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের শীর্ষ আলোচক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে।
তিনি জানান, খসড়া চুক্তির বিভিন্ন ভাষা ও শর্ত নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রুবিও আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প একটি “কার্যকর ও শক্ত” চুক্তি চান। “ভালো চুক্তি না হলে কোনো চুক্তিই হবে না,” বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেছেন, আলোচনায় অগ্রগতি হলেও তাৎক্ষণিক কোনো চুক্তির সম্ভাবনা নেই।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য সমঝোতায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন দফা আলোচনা শুরুর বিষয় রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই উত্তেজনা বিশ্ববাজারেও প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিষয়: