প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৬, ০৮:৩৮ এএমআপডেট : ২৬ মে ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম
ছবিঃ সংগৃহীত
ট্রাফিক আইন ভঙ্গের কারণে জরিমানার ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে প্রতারণা নিয়ে সতর্ক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশ এমন কোনো এসএমএস পাঠাচ্ছে না বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে তারা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ট্রাফিক বিভাগের নামে পাঠানো অনেক এসএমএস সম্পূর্ণ বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর। এসব বার্তার মাধ্যমে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে পুলিশ।
কোনো যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা হলে মালিকের ঠিকানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর দেওয়া আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়। প্রয়োজনে শুধুমাত্র ০১৩২০০৪২২০৭ ও ০১৩২০০৪২২২৭ নম্বর থেকে এসএমএস পাঠানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জরিমানার টাকা মোবাইল ফ্যাইনান্সিয়াল অ্যাপ উপায় ও কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধ করা যায়। তবে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কারো কাছে পিন, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি চায় না।
এ ধরনের ভুয়া এসএমএস বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রতারণামূলক তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছে ডিএমপি। এআই বা ভিডিও মামলা সংক্রান্ত তথ্য জানতে নির্ধারিত নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জরিমানার ভুয়া এসএমএস, সতর্ক করলো ডিএমপি
ট্রাফিক আইন ভঙ্গের কারণে জরিমানার ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে প্রতারণা নিয়ে সতর্ক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশ এমন কোনো এসএমএস পাঠাচ্ছে না বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে তারা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ট্রাফিক বিভাগের নামে পাঠানো অনেক এসএমএস সম্পূর্ণ বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর। এসব বার্তার মাধ্যমে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে পুলিশ।
কোনো যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা হলে মালিকের ঠিকানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর দেওয়া আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়। প্রয়োজনে শুধুমাত্র ০১৩২০০৪২২০৭ ও ০১৩২০০৪২২২৭ নম্বর থেকে এসএমএস পাঠানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জরিমানার টাকা মোবাইল ফ্যাইনান্সিয়াল অ্যাপ উপায় ও কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধ করা যায়। তবে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কারো কাছে পিন, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি চায় না।
এ ধরনের ভুয়া এসএমএস বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রতারণামূলক তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছে ডিএমপি। এআই বা ভিডিও মামলা সংক্রান্ত তথ্য জানতে নির্ধারিত নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।