প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৫ পিএমআপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম
নিহত সাংবাদিক আমাল খলিল ছবি: লিংকডইন প্রোফাইল থেকে নেওয়া
লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) এর বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
বুধবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের তিরি গ্রামে একটি গাড়িতে প্রথম দফা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে গাড়িতে থাকা দুইজন নিহত হন।
এরপর একই এলাকায় একটি ভবনে বিমান হামলাও চালানো হয়। এতে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন আমাল খলিল ও জেয়নাব ফারাজ নামে দুজন স্থানীয় সাংবাদিক। জেয়নাবকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও আমালকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে জেয়নাবকে।
আল-জাজিরা জানিয়েছে, প্রথম হামলার ঘটনাস্থল কভার করতে গিয়ে এই দুই সাংবাদিক সেখানে গিয়েছিলেন। বিমান হামলায় তারা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন। হামলা অব্যাহত থাকায়, উদ্ধারকর্মীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছিলেন না।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন হেইডি পেট জানান, নিহত সাংবাদিক আমাল খালিল ইসরায়েল থেকে প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন। তাকে ইসরায়েলি একটি নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে তাকে রিপোর্টিং বন্ধ করতে বলা হয়েছিল এবং দেশ না ছাড়লে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আশ্রয় নেওয়ার পরও সাংবাদিকদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এমনকি প্রধান সড়কেও হামলা চালিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের পথ বাধাগ্রস্ত করা হয়।
এ ঘটনায় লেবাবননের তথ্যমন্ত্রী পল করকস তীব্র নিন্দা জানিয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহ সংশ্লিষ্ট সামরিক স্থাপনা থেকে বের হওয়া দুটি যানবাহনকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালানো হয়নি।
উদ্ধারকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছে তারা।
এ ছাড়া বুধবার দক্ষিণ ইয়োমর আল-সাকিফ এলাকাতেও পৃথক হামলায় আরও দুইজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় সাংবাদিকসহ নিহত ৫
লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) এর বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
বুধবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের তিরি গ্রামে একটি গাড়িতে প্রথম দফা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে গাড়িতে থাকা দুইজন নিহত হন।
এরপর একই এলাকায় একটি ভবনে বিমান হামলাও চালানো হয়। এতে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন আমাল খলিল ও জেয়নাব ফারাজ নামে দুজন স্থানীয় সাংবাদিক। জেয়নাবকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও আমালকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে জেয়নাবকে।
আল-জাজিরা জানিয়েছে, প্রথম হামলার ঘটনাস্থল কভার করতে গিয়ে এই দুই সাংবাদিক সেখানে গিয়েছিলেন। বিমান হামলায় তারা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন। হামলা অব্যাহত থাকায়, উদ্ধারকর্মীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছিলেন না।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন হেইডি পেট জানান, নিহত সাংবাদিক আমাল খালিল ইসরায়েল থেকে প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন। তাকে ইসরায়েলি একটি নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে তাকে রিপোর্টিং বন্ধ করতে বলা হয়েছিল এবং দেশ না ছাড়লে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আশ্রয় নেওয়ার পরও সাংবাদিকদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এমনকি প্রধান সড়কেও হামলা চালিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের পথ বাধাগ্রস্ত করা হয়।
এ ঘটনায় লেবাবননের তথ্যমন্ত্রী পল করকস তীব্র নিন্দা জানিয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহ সংশ্লিষ্ট সামরিক স্থাপনা থেকে বের হওয়া দুটি যানবাহনকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালানো হয়নি।
উদ্ধারকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছে তারা।
এ ছাড়া বুধবার দক্ষিণ ইয়োমর আল-সাকিফ এলাকাতেও পৃথক হামলায় আরও দুইজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন।