প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএমআপডেট : ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের জিডিপির ১ দশমিক ০১ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। যা ছিলো জিডিপির ০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতায় প্রত্যেক নাগরিককে ন্যাশনাল হেলথ সিস্টেমের আওতায় আধুনিক "ই হেলথ কার্ড" প্রদান করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, একটি স্বাস্থ্যবান জাতি গঠন টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের পূর্বশর্ত। তবে ফ্যাসিবাদী সময়ে স্বাস্থ্য খাতে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ ও উপকরণ ক্রয়ে বিপুল ব্যয় হলেও সেবার মানে প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি।
সর্বজনীন ও ন্যায়সংগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, চিকিৎসাকেন্দ্রিক ব্যবস্থা থেকে প্রতিরোধকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তর, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও চিকিৎসা শিল্পের বিকাশ ঘটানো স্বাস্থ্যনীতির মূল উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের জিডিপির ১ দশমিক ০১ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। যা ছিলো জিডিপির ০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতায় প্রত্যেক নাগরিককে ন্যাশনাল হেলথ সিস্টেমের আওতায় আধুনিক "ই হেলথ কার্ড" প্রদান করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, একটি স্বাস্থ্যবান জাতি গঠন টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের পূর্বশর্ত। তবে ফ্যাসিবাদী সময়ে স্বাস্থ্য খাতে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ ও উপকরণ ক্রয়ে বিপুল ব্যয় হলেও সেবার মানে প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি।
সর্বজনীন ও ন্যায়সংগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, চিকিৎসাকেন্দ্রিক ব্যবস্থা থেকে প্রতিরোধকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তর, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও চিকিৎসা শিল্পের বিকাশ ঘটানো স্বাস্থ্যনীতির মূল উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়: