প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ পিএমআপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
ছবি: নিউজ মরিস থেকে নেওয়া।
মরিশাসে কনটেইনার দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিক মারা গেছেন। দেশটির প্লেইন-দেস-পাপায়েস এলাকায় একটি কনটেইনারের ভেতরে কাঠের বাক্স ও কাঁচের প্যানেলের নিচে চাপা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়।
বুধবার সন্ধ্যায় সেখানকার মসজিদ রোডের একটি মালামাল সংরক্ষণ করার জায়গায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিনজন হলেন মোহাম্মদ মিরাজ হোসেন, হোসেন মো. বালাল ও সিকদার জয়বায়েদ ইসলাম। তারা সেখানকার একটি অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
মরিশাসের সংবাদমাধ্যম নিউজ মরিস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওই তিন শ্রমিক দুর্ঘটনার সময় কনটেইনারের ভেতরে ছিলেন। এ সময় আট ফুট লম্বা ও ছয় ফুট চওড়া কাঠের বাক্স তাদের ওপর ভেঙে পড়ে। বাক্সগুলোর ভেতরে রাখা ছিল ৬ মিলিমিটার পুরু কাঁচের প্যানেল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকর্মীরা তাদের উদ্ধার করার পর ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।
নিউজ মরিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হওয়ার কথা জানিয়েছেন দেশটির শ্রমমন্ত্রী রেজা উতিম। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাবিধি যথাযথভাবে মানা হয়েছিল কি না এবং শ্রমিকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী বা পিপিই দেওয়া হয়েছিল কি না, তদন্তকারী দল তা খতিয়ে দেখবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক জানিয়ে রেজা উতিম বলেন, নিহতদের স্বজনদের ক্ষতিপূরণ দিতে নিয়োগকর্তাকে বাধ্য করা হবে। তিনি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হলে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হবে।
মরিশাসে কনটেইনার দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু
মরিশাসে কনটেইনার দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিক মারা গেছেন। দেশটির প্লেইন-দেস-পাপায়েস এলাকায় একটি কনটেইনারের ভেতরে কাঠের বাক্স ও কাঁচের প্যানেলের নিচে চাপা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়।
বুধবার সন্ধ্যায় সেখানকার মসজিদ রোডের একটি মালামাল সংরক্ষণ করার জায়গায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিনজন হলেন মোহাম্মদ মিরাজ হোসেন, হোসেন মো. বালাল ও সিকদার জয়বায়েদ ইসলাম। তারা সেখানকার একটি অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
মরিশাসের সংবাদমাধ্যম নিউজ মরিস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওই তিন শ্রমিক দুর্ঘটনার সময় কনটেইনারের ভেতরে ছিলেন। এ সময় আট ফুট লম্বা ও ছয় ফুট চওড়া কাঠের বাক্স তাদের ওপর ভেঙে পড়ে। বাক্সগুলোর ভেতরে রাখা ছিল ৬ মিলিমিটার পুরু কাঁচের প্যানেল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকর্মীরা তাদের উদ্ধার করার পর ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।
নিউজ মরিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হওয়ার কথা জানিয়েছেন দেশটির শ্রমমন্ত্রী রেজা উতিম। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাবিধি যথাযথভাবে মানা হয়েছিল কি না এবং শ্রমিকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী বা পিপিই দেওয়া হয়েছিল কি না, তদন্তকারী দল তা খতিয়ে দেখবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক জানিয়ে রেজা উতিম বলেন, নিহতদের স্বজনদের ক্ষতিপূরণ দিতে নিয়োগকর্তাকে বাধ্য করা হবে। তিনি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হলে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হবে।
বিষয়: