প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৪ পিএমআপডেট : ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
ওয়ার্ক পারমিট বাতিল হওয়া তায়ানি মোহাম্মদ রিসাদ ও ইসলাম শাহেদুল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগে সিঙ্গাপুরে দুই বাংলাদেশি কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্ট্রেইট টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্ত শেষে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির ইন্টারনাল সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (আইএসডি)। বৃহস্পতিবার ফেরত পাঠানো দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ করা হয়। তারা হলেন, ২৫ বছর বয়সী তায়ানি মোহাম্মদ রিসাদ এবং ৩৭ বছর বয়সী ইসলাম শাহেদুল।
আইএসডির তথ্যমতে, রিসাদ সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশের উগ্র ইসলামপন্থি লেখক শফিউর রহমান ফারাবীকে সমর্থন করে পোস্ট দিয়েছিলেন। ফারাবীর বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষ ও নাস্তিক ব্লগারদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল-ইরান সংঘাত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট করেছে শাহেদুল। পাশাপাশি তিনি ইসলামী শরিয়াহ আইনে অনুয়ায়ী পরিচালিত হতে না চাওয়া মুসলমানদের ‘কাফির’ উল্লেখ করে বিভাজনমূলক মন্তব্য করেছিলেন বলে জানায় আইএসডি।
এই দুই ব্যক্তি সিঙ্গাপুরে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বা হামলা করতে পারেন এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আইএসডি।
এর আগে গত ৮ই জুলাই ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন ও তিনটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। পরদিন তাদের আদালতে হাজির করে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
পুলিশ আদালতকে জানায়, সিঙ্গাপুরে অবস্থানকালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা তারা স্বীকার করেছেন।
শুনানিতে রিসাদ দাবি করেন, ২০২৩ সালে ফেসবুকে দেওয়া কিছু পোস্টের কারণে তাকে সিঙ্গাপুরে আটক করা হয়েছিল। ওই পোস্টগুলো বাংলাদেশের সংগঠন হেফাজতে ইসলাম ও এর নেতাকে ঘিরে ছিলো বলে তিনি আদালতকে জানান।
রিমান্ডের আবেদন করে বিচারক তাদের প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা রেমিট্যান্স যোদ্ধা, আপনারা কেন এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হলেন।”
সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি কর্মীদের উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। ২০২০ সালে এক বাংলাদেশি নির্মাণশ্রমিককে উগ্রপন্থায় জড়িয়ে সশস্ত্র হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
তার আগে ২০১৬ সালে সিঙ্গাপুরে জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছিল দেশটির পুলিশ। তারাও ইসলামিক স্টেটের সদস্য ছিলো। তাদের কাছ থেকে বোমা ও অস্ত্র তৈরির নথিও উদ্ধার করা হয়।
সেই ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে আরও পাঁচজন বাংলাদেশি কর্মীর সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছিলো পুলিশ।
সিঙ্গাপুরে দুই বাংলাদেশির ওয়ার্ক পারমিট বাতিল
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগে সিঙ্গাপুরে দুই বাংলাদেশি কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্ট্রেইট টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্ত শেষে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির ইন্টারনাল সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (আইএসডি)। বৃহস্পতিবার ফেরত পাঠানো দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ করা হয়। তারা হলেন, ২৫ বছর বয়সী তায়ানি মোহাম্মদ রিসাদ এবং ৩৭ বছর বয়সী ইসলাম শাহেদুল।
আইএসডির তথ্যমতে, রিসাদ সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশের উগ্র ইসলামপন্থি লেখক শফিউর রহমান ফারাবীকে সমর্থন করে পোস্ট দিয়েছিলেন। ফারাবীর বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষ ও নাস্তিক ব্লগারদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল-ইরান সংঘাত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট করেছে শাহেদুল। পাশাপাশি তিনি ইসলামী শরিয়াহ আইনে অনুয়ায়ী পরিচালিত হতে না চাওয়া মুসলমানদের ‘কাফির’ উল্লেখ করে বিভাজনমূলক মন্তব্য করেছিলেন বলে জানায় আইএসডি।
এই দুই ব্যক্তি সিঙ্গাপুরে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বা হামলা করতে পারেন এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আইএসডি।
এর আগে গত ৮ই জুলাই ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন ও তিনটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। পরদিন তাদের আদালতে হাজির করে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
পুলিশ আদালতকে জানায়, সিঙ্গাপুরে অবস্থানকালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা তারা স্বীকার করেছেন।
শুনানিতে রিসাদ দাবি করেন, ২০২৩ সালে ফেসবুকে দেওয়া কিছু পোস্টের কারণে তাকে সিঙ্গাপুরে আটক করা হয়েছিল। ওই পোস্টগুলো বাংলাদেশের সংগঠন হেফাজতে ইসলাম ও এর নেতাকে ঘিরে ছিলো বলে তিনি আদালতকে জানান।
রিমান্ডের আবেদন করে বিচারক তাদের প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা রেমিট্যান্স যোদ্ধা, আপনারা কেন এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হলেন।”
সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি কর্মীদের উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। ২০২০ সালে এক বাংলাদেশি নির্মাণশ্রমিককে উগ্রপন্থায় জড়িয়ে সশস্ত্র হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
তার আগে ২০১৬ সালে সিঙ্গাপুরে জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছিল দেশটির পুলিশ। তারাও ইসলামিক স্টেটের সদস্য ছিলো। তাদের কাছ থেকে বোমা ও অস্ত্র তৈরির নথিও উদ্ধার করা হয়।
সেই ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে আরও পাঁচজন বাংলাদেশি কর্মীর সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছিলো পুলিশ।
বিষয়: