ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখালো ডিবি

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫০ পিএম

বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসির সাবেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে জুলাই আন্দোলনের একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং চ্যানেলটির বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকে মধ্যরাতে ছেড়ে দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

বুধবার দিবাগত রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ২০২৪ সালের ২৬এ অগাস্ট যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কিছু না পাওয়ায় রাজীব ঘোষকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, উল্লেখ করেন তিনি।

ডিবিসির বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষ।

৪ই নভেম্বর বিকালে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজীব ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টেলিভিশন স্টেশনটির অফিস থেকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

দুইজনকে ডিবিতে নিয়ে যাওয়ায় বিষয়ে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বুধবার রাতে আলাপ-কে জানিয়েছিলেন, ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। “জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। সেখানে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সে কারণে আমরা তাকে জিজ্ঞাসা করার জন্য নিয়ে এসেছি।”

একইদিন ডিএমপির উপ কমিশনার (মিডিয়া) আকতার হোসেন জানান, “একটি নিউজ প্রচার নিয়ে সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন সেখান থেকে সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজিব ঘোষকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।”

ডিবিসির অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মুক্তাদীর অনিক প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মুক্তাদীর অনিক। “ডিবিসি অফিস থেকে যখন ইকবাল সোবহান চৌধুরী বের হচ্ছিলেন তখন তাকে রাস্তা থেকে নিয়ে গেছে ডিবি। কেন তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সে বিষয়ে আমরা ক্লিয়ার না।”

এদিকে ডিবিসির নিউজ পোর্টালে ইকবাল সোবহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মূলত ডিবিসি নিউজের চেয়ারম্যান পদ দাবি করে প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার কথা উল্লেখ করা হয়।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রসঙ্গে বুধবার বিকালে সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইনের খসড়া পর্যালোচনা সংক্রান্ত আন্তমন্ত্রণালয় সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন বলেন, "যদি তিনি আটক হয়ে থাকেন, তবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকার কারণেই প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি আইন অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হবে।"