রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক আদালতের রায় ১৯এ নভেম্বর
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ এএমআপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)।
রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলার রায় ১৯এ নভেম্বর ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অবস্থিত আদালতের পিস প্যালেসে এ রায় ঘোষণা করা হবে।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ৩রা নভেম্বর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২০১৯ সালের ১১এ নভেম্বর গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যা সনদ লঙ্ঘনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করে। গাম্বিয়ার অভিযোগ, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের কর্মকাণ্ড গণহত্যা সনদের অধীনে দেশটির দায়িত্বের লঙ্ঘন। মামলায় গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যা সনদ লঙ্ঘনের ঘোষণা, বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধ, ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ না করার নিশ্চয়তা চেয়েছে।
মামলার শুরুতেই গাম্বিয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানায়। ২০২০ সালের ২৩এ জানুয়ারি আদালত মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং গণহত্যার অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন।
পরে মিয়ানমার আদালতের এখতিয়ার ও মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আপত্তি জানায়। ২০২২ সালের ২২এ জুলাই আদালত সেই আপত্তি খারিজ করে মামলাটি বিচার করার এখতিয়ার আছে বলে সিদ্ধান্ত দেন। এরপর উভয়পক্ষ লিখিত বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্য জমা দেয়। চলতি বছরের ১২ থেকে ২৯এ জানুয়ারি মামলার মূল বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে সাক্ষী ও বিশেষজ্ঞের বক্তব্যও নেওয়া হয়।
মামলায় ১১টি দেশ হস্তক্ষেপের ঘোষণা দেয়। কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে এবং মালদ্বীপ, স্লোভেনিয়া, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, বেলজিয়াম ও আয়ারল্যান্ড পৃথকভাবে হস্তক্ষেপের ঘোষণা দেয়। আদালত এসব ঘোষণা গ্রহণ করেন।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায় মিয়ানমারের জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হবে। তবে রায় বাস্তবায়ন এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা ও মিয়ানমারের পদক্ষেপের ওপরও নির্ভর করবে।
রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক অভিযানের পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন এখনো অনিশ্চিত। মামলার রায় রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার এবং মিয়ানমারের জবাবদিহির প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক আদালতের রায় ১৯এ নভেম্বর
রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলার রায় ১৯এ নভেম্বর ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অবস্থিত আদালতের পিস প্যালেসে এ রায় ঘোষণা করা হবে।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ৩রা নভেম্বর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২০১৯ সালের ১১এ নভেম্বর গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যা সনদ লঙ্ঘনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করে। গাম্বিয়ার অভিযোগ, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের কর্মকাণ্ড গণহত্যা সনদের অধীনে দেশটির দায়িত্বের লঙ্ঘন। মামলায় গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যা সনদ লঙ্ঘনের ঘোষণা, বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধ, ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ না করার নিশ্চয়তা চেয়েছে।
মামলার শুরুতেই গাম্বিয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানায়। ২০২০ সালের ২৩এ জানুয়ারি আদালত মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং গণহত্যার অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন।
পরে মিয়ানমার আদালতের এখতিয়ার ও মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আপত্তি জানায়। ২০২২ সালের ২২এ জুলাই আদালত সেই আপত্তি খারিজ করে মামলাটি বিচার করার এখতিয়ার আছে বলে সিদ্ধান্ত দেন। এরপর উভয়পক্ষ লিখিত বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্য জমা দেয়। চলতি বছরের ১২ থেকে ২৯এ জানুয়ারি মামলার মূল বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে সাক্ষী ও বিশেষজ্ঞের বক্তব্যও নেওয়া হয়।
মামলায় ১১টি দেশ হস্তক্ষেপের ঘোষণা দেয়। কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে এবং মালদ্বীপ, স্লোভেনিয়া, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, বেলজিয়াম ও আয়ারল্যান্ড পৃথকভাবে হস্তক্ষেপের ঘোষণা দেয়। আদালত এসব ঘোষণা গ্রহণ করেন।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায় মিয়ানমারের জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হবে। তবে রায় বাস্তবায়ন এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা ও মিয়ানমারের পদক্ষেপের ওপরও নির্ভর করবে।
রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক অভিযানের পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন এখনো অনিশ্চিত। মামলার রায় রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার এবং মিয়ানমারের জবাবদিহির প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিষয়: