তাজিয়া মিছিলে অস্ত্র ও আতশবাজি নিষিদ্ধ ঘোষণা ডিএমপির
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএমআপডেট : ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
মঙ্গলবার সকালে ডিএমপি সদরদপ্তরে নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমন্বয় সভায় অনুষ্ঠিত হয়।
আশুরা উপলক্ষে ঢাকায় তাজিয়া ও শোক মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বিশেষ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। যেখানে শোক মিছিলে দা, ছুরি, কাস্তে, বর্শা, বল্লম, তরবারি ও লাঠিসহ কোনো ধরনের দেশীয় অস্ত্র বহন করা যাবে না। একই সঙ্গে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ডিএমপি সদরদপ্তরে নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় কমিশনার বলেন, আশুরা উপলক্ষে আয়োজিত সব ধরনের কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক হোসাইনী দালান ইমামবাড়া ও আশপাশের পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হবে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে ডগ স্কোয়াড ও ম্যানুয়াল সুইপিং পরিচালনা করা হবে। প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীবাসী যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন এবং শোকের এ দিনটি নিরাপদ পরিবেশে পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে মতামত দেন।
তাজিয়া মিছিলে অস্ত্র ও আতশবাজি নিষিদ্ধ ঘোষণা ডিএমপির
আশুরা উপলক্ষে ঢাকায় তাজিয়া ও শোক মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বিশেষ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। যেখানে শোক মিছিলে দা, ছুরি, কাস্তে, বর্শা, বল্লম, তরবারি ও লাঠিসহ কোনো ধরনের দেশীয় অস্ত্র বহন করা যাবে না। একই সঙ্গে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ডিএমপি সদরদপ্তরে নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় কমিশনার বলেন, আশুরা উপলক্ষে আয়োজিত সব ধরনের কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক হোসাইনী দালান ইমামবাড়া ও আশপাশের পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হবে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে ডগ স্কোয়াড ও ম্যানুয়াল সুইপিং পরিচালনা করা হবে। প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীবাসী যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন এবং শোকের এ দিনটি নিরাপদ পরিবেশে পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে মতামত দেন।
বিষয়: