জামায়াত থাকা মানে আবারো আওয়ামী লীগ ফিরে আসা: ফরহাদ মজহার
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ পিএমআপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:০১ পিএম
সুপরিচিত চিন্তক, কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘‘জামায়াতে ইসলামী থাকা মানে আবারো আওয়ামী লীগ ফিরে আসা।’’ আলাপ-এর পডকাস্টে এ বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। একই কথা সম্প্রতি ঢাকার আরেকটি অনুষ্ঠানেও তিনি বলেছেন। জামায়াতে ইসলামী তার এহেন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
অনেকে মনে করেন, ২০২৪ সালের জুলাই অগাস্ট মাসে যে গণঅভ্যুত্থান হয় তার মাঠের নেতাদের আদর্শিক গুরু ফরহাদ মজহার। তার ‘গণঅভ্যুত্থান ও গঠন’ নামের বইটি থেকেই জুলাই অভ্যুত্থানের জন্ম এবং এ বইয়ে উল্লেখ করা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া অনুসারেই এগিয়েছে আন্দোলন।
ফরহাদ মজহার নিজেও বলেছেন, আন্দোলন শুরুর বহু আগে থেকে ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। এই ছাত্রনেতারা তার পাঠচক্রের নিয়মিত সদস্য ছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আলাপ-এর বিশেষ পডকাস্ট সিরিজ ভয়েস অব জুলাই-তে এসেছিলেন ফরহাদ মজহার। সাংবাদিক রেজোয়ানুল হকের সঙ্গে এক ঘণ্টারও বেশি সময় কথা বলেছেন তিনি।
এই আলাপচারিতায় তিনি জুলাই আন্দোলনের সময়কার এমন কিছু তথ্য সামনে এনেছেন, যা গত দুই বছর খুব একটা শোনা যায়নি। একই সঙ্গে তিনি বিস্তারিত তুলে ধরেছেন, কী করে এই আন্দোলন গড়ে উঠল, কীভাবে আন্দোলন পূর্ণতা পেল।
ফরহাদ মজহার ছাত্র আন্দোলনের ফলাফল হিসেবে পাওয়া অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান প্রফেসর ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করেন।
“ড. ইউনূস তো জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কেউ না,” মন্তব্য করে ফরহাদ মজহার বলেন, কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা ‘ডেলিভারি দেননি’ ড. ইউনূস।
গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়েছে বলেও মনে করেন ফরহাদ মজহার। তার বক্তব্য, ‘‘রাষ্ট্র গঠন না করে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থান পরাজিত হয়েছে।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘হাসিনা চলে গেছে, কিন্তু সিস্টেম তো রয়ে গেছে।’’
ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিদেশি দূতাবাসগুলোর কিছু ভূমিকা নিয়েও খোলাখুলি কথা বলেছেন ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু বিদেশি দূতাবাস ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে আন্দোলনকারীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য ‘সেফহাউজ’ পরিচালনা করেছিল।
ফরহাদ মজহার এও বলেন, তিনি একবার গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুরকে বলেছিলেন, “সরকার বদল যুক্তরাষ্ট্রই করে দেবে।”
জামায়াত থাকা মানে আবারো আওয়ামী লীগ ফিরে আসা: ফরহাদ মজহার
সুপরিচিত চিন্তক, কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘‘জামায়াতে ইসলামী থাকা মানে আবারো আওয়ামী লীগ ফিরে আসা।’’ আলাপ-এর পডকাস্টে এ বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। একই কথা সম্প্রতি ঢাকার আরেকটি অনুষ্ঠানেও তিনি বলেছেন। জামায়াতে ইসলামী তার এহেন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
অনেকে মনে করেন, ২০২৪ সালের জুলাই অগাস্ট মাসে যে গণঅভ্যুত্থান হয় তার মাঠের নেতাদের আদর্শিক গুরু ফরহাদ মজহার। তার ‘গণঅভ্যুত্থান ও গঠন’ নামের বইটি থেকেই জুলাই অভ্যুত্থানের জন্ম এবং এ বইয়ে উল্লেখ করা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া অনুসারেই এগিয়েছে আন্দোলন।
ফরহাদ মজহার নিজেও বলেছেন, আন্দোলন শুরুর বহু আগে থেকে ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। এই ছাত্রনেতারা তার পাঠচক্রের নিয়মিত সদস্য ছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আলাপ-এর বিশেষ পডকাস্ট সিরিজ ভয়েস অব জুলাই-তে এসেছিলেন ফরহাদ মজহার। সাংবাদিক রেজোয়ানুল হকের সঙ্গে এক ঘণ্টারও বেশি সময় কথা বলেছেন তিনি।
এই আলাপচারিতায় তিনি জুলাই আন্দোলনের সময়কার এমন কিছু তথ্য সামনে এনেছেন, যা গত দুই বছর খুব একটা শোনা যায়নি। একই সঙ্গে তিনি বিস্তারিত তুলে ধরেছেন, কী করে এই আন্দোলন গড়ে উঠল, কীভাবে আন্দোলন পূর্ণতা পেল।
ফরহাদ মজহার ছাত্র আন্দোলনের ফলাফল হিসেবে পাওয়া অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান প্রফেসর ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করেন।
“ড. ইউনূস তো জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কেউ না,” মন্তব্য করে ফরহাদ মজহার বলেন, কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা ‘ডেলিভারি দেননি’ ড. ইউনূস।
গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়েছে বলেও মনে করেন ফরহাদ মজহার। তার বক্তব্য, ‘‘রাষ্ট্র গঠন না করে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থান পরাজিত হয়েছে।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘হাসিনা চলে গেছে, কিন্তু সিস্টেম তো রয়ে গেছে।’’
ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিদেশি দূতাবাসগুলোর কিছু ভূমিকা নিয়েও খোলাখুলি কথা বলেছেন ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু বিদেশি দূতাবাস ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে আন্দোলনকারীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য ‘সেফহাউজ’ পরিচালনা করেছিল।
ফরহাদ মজহার এও বলেন, তিনি একবার গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুরকে বলেছিলেন, “সরকার বদল যুক্তরাষ্ট্রই করে দেবে।”