ইরান যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসে ৮৭ বিলিয়ন ডলার চাইলেন ট্রাম্প
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএমআপডেট : ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের খরচ মেটাতে কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত ৮৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার চেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই অর্থের বেশির ভাগই ইরান যুদ্ধের ‘জরুরি প্রয়োজন’ মেটাতে খরচ করা হবে।
মার্কিন কংগ্রেস ইরান যুদ্ধের সমালোচনা করে একটি প্রস্তাব পাস করার মাত্র এক দিন পরই এই অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ করেছে হোয়াইট হাউস।
হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, মোট অর্থের মধ্যে ৬৭ বিলিয়ন ডলার যাবে প্রতিরক্ষা বিভাগে পেন্টাগনে। এর মধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলার গোলাবারুদ কেনার জন্য, ১৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক অভিযান পরিচালনার খরচে এবং ১২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার গোপন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ।
বাকি অর্থের মধ্যে ১১ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ থাকবে মার্কিন কৃষকদের সহায়তার জন্য এবং ইবোলা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।
তবে এই প্রস্তাবটি মার্কিন কংগ্রেসে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কারণ সামনেই নভেম্বরে দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতের বিপক্ষে। কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই কম হওয়ায় এই বিশাল ব্যয় পরিকল্পনা অনুমোদন পেতে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থনের প্রয়োজন হবে।
ইরান যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসে ৮৭ বিলিয়ন ডলার চাইলেন ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের খরচ মেটাতে কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত ৮৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার চেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই অর্থের বেশির ভাগই ইরান যুদ্ধের ‘জরুরি প্রয়োজন’ মেটাতে খরচ করা হবে।
মার্কিন কংগ্রেস ইরান যুদ্ধের সমালোচনা করে একটি প্রস্তাব পাস করার মাত্র এক দিন পরই এই অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ করেছে হোয়াইট হাউস।
হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, মোট অর্থের মধ্যে ৬৭ বিলিয়ন ডলার যাবে প্রতিরক্ষা বিভাগে পেন্টাগনে। এর মধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলার গোলাবারুদ কেনার জন্য, ১৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক অভিযান পরিচালনার খরচে এবং ১২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার গোপন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ।
বাকি অর্থের মধ্যে ১১ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ থাকবে মার্কিন কৃষকদের সহায়তার জন্য এবং ইবোলা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।
তবে এই প্রস্তাবটি মার্কিন কংগ্রেসে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কারণ সামনেই নভেম্বরে দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতের বিপক্ষে। কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই কম হওয়ায় এই বিশাল ব্যয় পরিকল্পনা অনুমোদন পেতে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থনের প্রয়োজন হবে।
বিষয়: