অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএমআপডেট : ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে আলোচনায় আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িকভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি আলাপ-কে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম।
অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত অভিযোগ, পিএইচডি থিসিস নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্ন এবং সাম্প্রতিক অনলাইন কার্যক্রমসহ একাধিক বিষয় নিয়ে বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটি অভিযোগ উত্থাপন করে। এসব অভিযোগ পর্যালোচনার পর সিন্ডিকেট তার একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেয় বলে আলাপ-কে জানান ড. আবদুস সালাম।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম আলাপ-কে বলেন, “অভিযোগগুলোর মধ্যে একটি আর্থিক বিষয়ও রয়েছে, যা নিয়ে এর আগে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হাতে এসেছে। পাশাপাশি আরেকটি তদন্ত কমিটিও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় গান গাওয়ার বিষয়টি অভিযোগের ভেতর আছে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে ড. আবদুস সালাম বলেন, “এটিও ছিলো, এর সঙ্গে বাকি অভিযোগগুলোও যুক্ত হয়েছে।”
একই সিন্ডিকেট সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিতর্কিত ভূমিকা ও শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়। তারা হলেন, লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন এবং ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।
এ ছাড়া উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়াকে সাময়িকভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা লাভলু মোল্লা শিশিরকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে আলোচনায় আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িকভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি আলাপ-কে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম।
অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত অভিযোগ, পিএইচডি থিসিস নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্ন এবং সাম্প্রতিক অনলাইন কার্যক্রমসহ একাধিক বিষয় নিয়ে বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটি অভিযোগ উত্থাপন করে। এসব অভিযোগ পর্যালোচনার পর সিন্ডিকেট তার একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেয় বলে আলাপ-কে জানান ড. আবদুস সালাম।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম আলাপ-কে বলেন, “অভিযোগগুলোর মধ্যে একটি আর্থিক বিষয়ও রয়েছে, যা নিয়ে এর আগে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হাতে এসেছে। পাশাপাশি আরেকটি তদন্ত কমিটিও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় গান গাওয়ার বিষয়টি অভিযোগের ভেতর আছে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে ড. আবদুস সালাম বলেন, “এটিও ছিলো, এর সঙ্গে বাকি অভিযোগগুলোও যুক্ত হয়েছে।”
একই সিন্ডিকেট সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিতর্কিত ভূমিকা ও শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়। তারা হলেন, লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন এবং ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।
এ ছাড়া উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়াকে সাময়িকভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা লাভলু মোল্লা শিশিরকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বিষয়: