‘নন-ফ্যামিলি’ মিশন: শুধু শঙ্কা নাকি কূটনৈতিক বার্তা দিল ভারত
“আমরা এটা বিচার বিশ্লেষণ করে দেখতে পারি যে কেন এই সিদ্ধান্ত নিল। এই ধরনের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য যদি কিছু করণীয় থাকে সেটা করতে পারি।”
নাহিদ হোসেন
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২৫ পিএমআপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। দুই সরকারের পক্ষ থেকেই সুসম্পর্কের প্রত্যাশা জানানো হলেও বাস্তবতা ভিন্ন।
একের পর এক বক্তব্য পাল্টা বক্তব্যে আসছে। নেওয়া হয়েছে নানা সিদ্ধান্ত। টি-টোয়েন্টি নিয়ে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখনই ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম খবর দিলো বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ মিশন ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।
এ নিয়ে ভারত সরকার বা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে ভারতের প্রথম সারির একাধিক গণমাধ্যম সূত্রের বরাতে খবরটি প্রকাশ করেছে।
দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছে, “নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভারত আপাতত বাংলাদেশে তাদের কূটনৈতিক মিশনকে ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’হিসেবে ঘোষণা করেছে।”
সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় মিশন ও বিভিন্ন পোস্টে কর্মরত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরে যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেছেন, “নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায়, বিশেষ করে উগ্রবাদী ও চরমপন্থি গোষ্ঠীর হুমকির প্রেক্ষিতে নেওয়া এই সিদ্ধান্তটি কিছুদিন ধরেই প্রক্রিয়াধীন ছিল।”
এছাড়া টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দু, ইকোনমিক টাইমসসহ অন্যান্য গণমাধ্যমগুলো এই খবর জানিয়ে লিখেছে ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা শঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার।
শুধু শঙ্কা নাকি কূটনৈতিক বার্তা
ভারতের এমন সিদ্ধান্ত শুধু নিরাপত্তা শঙ্কায় নয়, বরং এখানে একটি কূটনৈতিক বার্তাও আছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের সাবেক দুই রাষ্ট্রদূত।
বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইন্সটিটিউটের প্রেসিডেন্ট এম হুমায়ুন কবির বলছিলেন, “যখন কোনো দেশ আরেক দেশে তাদের কূটনীতিকদের পরিবারকে রাখা নিরাপদ মনে করে না তখন এ ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে।”
“ভারত কী পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা আমাদের জানা নেই। তাদের মধ্যে একটা শঙ্কা কাজ করে থাকতে পারে।”
সাবেক রাষ্ট্রতদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে প্রথমেই বুঝতে হবে যে সম্পর্কটা ঠিকঠাক যাচ্ছে না কিংবা আগের চেয়ে খারাপ হচ্ছে। তিনি বলেন, “নিরাপত্তা শঙ্কা থাকতেই পারে। এর মধ্যে শুধু শঙ্কা নয়, চলমান সম্পর্কের বাস্তবতায় এটা এক ধরনের কূটনৈতিক বার্তাও।”
দিল্লির ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত মনে করেন এটি একটি ‘প্রিকশনারি মেজার’।
প্রফেসর শ্রীরাধা দত্ত বলেন, “নিরাপত্তা শঙ্কা দেখছে বলেই ভারত সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সামনে নির্বাচন সেই জায়গা থেকেই এই শঙ্কার উদ্রেক হচ্ছে।”
এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে কি-না এমন প্রশ্নের উত্তরে এম হুমায়ুন কবির বলেন, “অন্যরা যারা বিষয়টি দেখবে তখন তারা এটি নিয়ে ভাববে।”
ভারতের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও জানে না। তবে বাংলাদেশের এটা নিয়ে ভারতের সাথে কথা বলা উচিত বলে মনে করেন সাবেক দুই কূটনীতিক।
এম হুমায়ুন কবির বলছিলেন, “কথাতো হতেই পারে। কেন সিদ্ধান্ত নিলো তাদের কাছে জানতে চাইতে পারি। এটা একটা মেসেজতো বটেই। আমরা এটা বিচার বিশ্লেষণ করে দেখতে পারি যে কেন এই সিদ্ধান্ত নিল। এই ধরনের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য যদি কিছু করণীয় থাকে সেটা করতে পারি।”
মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলছেন, “আমাদের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলে জানা উচিত যে কেন তারা এই সিদ্ধান্ত নিল। নিরাপত্তা শঙ্কা থাকলে সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দেওয়া এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
তিনি বলছেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কতো ভালো থাকার বিকল্প নেই। কিন্তু পাল্টাপাল্টি ব্যবস্থা সুখকর ফল দেবে না। এখন একজন দায়িত্ব পালন করবে না বলে আমি করবো না সেটা হওয়া উচিত নয়।”
নিকট অতীতের ঘটনাবলী
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কার্যত খারাপ হতে শুরু করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে সেই সম্পর্ক তিক্ততায় রূপ নেয়।
ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে নানা মন্তব্যের জেরে ভারতের পক্ষ থেকেও আসে শক্ত প্রতিক্রিয়া। এসব নিয়ে কয়েক দফায় দুই দেশ হাইকমিশনারদের পাল্টাপাল্টি তলব করে।
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনমুখী বিক্ষোভ, চট্রগ্রামে সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে। বিপরীতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনমুখী বিক্ষোভ, আগে আগরতলায় কূটনৈতিক মিশনের হামলার ঘটনায় দুই দেশই উষ্মা জানায়।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসেন। দেখা করেন তারেক রহমানের সাথে।
এরপর আশার আলো দেখা গেলেও, ঠিক তার পরেই আইপিএল ইস্যুতে ফের ধাক্কা খায় দুই দেশের সম্পর্ক। অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরও বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া হয় বাংলাদেশে।
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে এ নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।
এতোসব টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ মিশন হিসাবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্ককে আরো শঙ্কার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
‘নন-ফ্যামিলি’ মিশন: শুধু শঙ্কা নাকি কূটনৈতিক বার্তা দিল ভারত
“আমরা এটা বিচার বিশ্লেষণ করে দেখতে পারি যে কেন এই সিদ্ধান্ত নিল। এই ধরনের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য যদি কিছু করণীয় থাকে সেটা করতে পারি।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। দুই সরকারের পক্ষ থেকেই সুসম্পর্কের প্রত্যাশা জানানো হলেও বাস্তবতা ভিন্ন।
একের পর এক বক্তব্য পাল্টা বক্তব্যে আসছে। নেওয়া হয়েছে নানা সিদ্ধান্ত। টি-টোয়েন্টি নিয়ে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখনই ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম খবর দিলো বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ মিশন ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।
এ নিয়ে ভারত সরকার বা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে ভারতের প্রথম সারির একাধিক গণমাধ্যম সূত্রের বরাতে খবরটি প্রকাশ করেছে।
দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছে, “নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভারত আপাতত বাংলাদেশে তাদের কূটনৈতিক মিশনকে ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’হিসেবে ঘোষণা করেছে।”
সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় মিশন ও বিভিন্ন পোস্টে কর্মরত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরে যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেছেন, “নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায়, বিশেষ করে উগ্রবাদী ও চরমপন্থি গোষ্ঠীর হুমকির প্রেক্ষিতে নেওয়া এই সিদ্ধান্তটি কিছুদিন ধরেই প্রক্রিয়াধীন ছিল।”
এছাড়া টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দু, ইকোনমিক টাইমসসহ অন্যান্য গণমাধ্যমগুলো এই খবর জানিয়ে লিখেছে ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা শঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার।
শুধু শঙ্কা নাকি কূটনৈতিক বার্তা
ভারতের এমন সিদ্ধান্ত শুধু নিরাপত্তা শঙ্কায় নয়, বরং এখানে একটি কূটনৈতিক বার্তাও আছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের সাবেক দুই রাষ্ট্রদূত।
বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইন্সটিটিউটের প্রেসিডেন্ট এম হুমায়ুন কবির বলছিলেন, “যখন কোনো দেশ আরেক দেশে তাদের কূটনীতিকদের পরিবারকে রাখা নিরাপদ মনে করে না তখন এ ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে।”
“ভারত কী পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা আমাদের জানা নেই। তাদের মধ্যে একটা শঙ্কা কাজ করে থাকতে পারে।”
সাবেক রাষ্ট্রতদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে প্রথমেই বুঝতে হবে যে সম্পর্কটা ঠিকঠাক যাচ্ছে না কিংবা আগের চেয়ে খারাপ হচ্ছে।
তিনি বলেন, “নিরাপত্তা শঙ্কা থাকতেই পারে। এর মধ্যে শুধু শঙ্কা নয়, চলমান সম্পর্কের বাস্তবতায় এটা এক ধরনের কূটনৈতিক বার্তাও।”
দিল্লির ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত মনে করেন এটি একটি ‘প্রিকশনারি মেজার’।
প্রফেসর শ্রীরাধা দত্ত বলেন, “নিরাপত্তা শঙ্কা দেখছে বলেই ভারত সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সামনে নির্বাচন সেই জায়গা থেকেই এই শঙ্কার উদ্রেক হচ্ছে।”
এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে কি-না এমন প্রশ্নের উত্তরে এম হুমায়ুন কবির বলেন, “অন্যরা যারা বিষয়টি দেখবে তখন তারা এটি নিয়ে ভাববে।”
ভারতের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও জানে না। তবে বাংলাদেশের এটা নিয়ে ভারতের সাথে কথা বলা উচিত বলে মনে করেন সাবেক দুই কূটনীতিক।
এম হুমায়ুন কবির বলছিলেন, “কথাতো হতেই পারে। কেন সিদ্ধান্ত নিলো তাদের কাছে জানতে চাইতে পারি। এটা একটা মেসেজতো বটেই। আমরা এটা বিচার বিশ্লেষণ করে দেখতে পারি যে কেন এই সিদ্ধান্ত নিল। এই ধরনের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য যদি কিছু করণীয় থাকে সেটা করতে পারি।”
মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলছেন, “আমাদের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলে জানা উচিত যে কেন তারা এই সিদ্ধান্ত নিল। নিরাপত্তা শঙ্কা থাকলে সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দেওয়া এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
তিনি বলছেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কতো ভালো থাকার বিকল্প নেই। কিন্তু পাল্টাপাল্টি ব্যবস্থা সুখকর ফল দেবে না। এখন একজন দায়িত্ব পালন করবে না বলে আমি করবো না সেটা হওয়া উচিত নয়।”
নিকট অতীতের ঘটনাবলী
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কার্যত খারাপ হতে শুরু করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে সেই সম্পর্ক তিক্ততায় রূপ নেয়।
ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে নানা মন্তব্যের জেরে ভারতের পক্ষ থেকেও আসে শক্ত প্রতিক্রিয়া। এসব নিয়ে কয়েক দফায় দুই দেশ হাইকমিশনারদের পাল্টাপাল্টি তলব করে।
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনমুখী বিক্ষোভ, চট্রগ্রামে সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে। বিপরীতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনমুখী বিক্ষোভ, আগে আগরতলায় কূটনৈতিক মিশনের হামলার ঘটনায় দুই দেশই উষ্মা জানায়।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসেন। দেখা করেন তারেক রহমানের সাথে।
এরপর আশার আলো দেখা গেলেও, ঠিক তার পরেই আইপিএল ইস্যুতে ফের ধাক্কা খায় দুই দেশের সম্পর্ক। অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরও বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া হয় বাংলাদেশে।
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে এ নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।
এতোসব টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ মিশন হিসাবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্ককে আরো শঙ্কার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।