মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষতি কাটাতে লাগবে দুই বছর
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৫ পিএমআপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে যে পরিমাণ জ্বালানির ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে প্রায় দুই বছর সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল।
শুক্রবার জুরিখার জাইটুং পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই পথে থাকা তেল ও গ্যাসের চালানগুলো এখন গন্তব্যে পৌঁছে গেছে। এতে ঘাটতির প্রভাব কিছুটা কমেছে বলে মনে করেন তিনি।
ফাতিহ বিরোল জানান, সৌদি আরবের তুলনায় ইরাকের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে বেশি সময় লাগবে। তবে সামগ্রিকভাবে যুদ্ধ-পূর্ব উৎপাদন স্তরে পৌঁছাতে গড়ে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে।
এ ছাড়াও বিরোল সতর্ক করেছেন যে হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় তেলের বাজারে যে প্রভাব পড়তে পারে সেই বিষয়ে এখনো পুরোপুরি গুরুত্ব দিচ্ছে না সংশ্লিষ্টরা।
তার মতে, সংঘাত শুরু হওয়ার আগে যে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজগুলো ইতিমধ্যে পথে ছিল, সেগুলো গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়ায় স্বল্পমেয়াদে সরবরাহ ঘাটতির প্রভাব কিছুটা কম মনে হয়েছে।
ফাতিহ বিরোলl জানিয়েছে, মার্চ মাসে নতুন করে কোনো ট্যাংকার লোড হয়নি। এশিয়ার বাজারেও নতুন করে তেল বা জ্বালানি সরবরাহ হচ্ছে না। ফলে জ্বালানির ঘাটতির বাস্তব চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
যদি হরমুজ প্রণালি দ্রুত পুনরায় চালু না হয়, তাহলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানান আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান।
তিনি জানান, পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে আইইএ’র জরুরি তেল মজুদ থেকে পুনরায় সরবরাহ ছাড়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং তারা প্রয়োজনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষতি কাটাতে লাগবে দুই বছর
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে যে পরিমাণ জ্বালানির ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে প্রায় দুই বছর সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল।
শুক্রবার জুরিখার জাইটুং পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই পথে থাকা তেল ও গ্যাসের চালানগুলো এখন গন্তব্যে পৌঁছে গেছে। এতে ঘাটতির প্রভাব কিছুটা কমেছে বলে মনে করেন তিনি।
ফাতিহ বিরোল জানান, সৌদি আরবের তুলনায় ইরাকের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে বেশি সময় লাগবে। তবে সামগ্রিকভাবে যুদ্ধ-পূর্ব উৎপাদন স্তরে পৌঁছাতে গড়ে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে।
এ ছাড়াও বিরোল সতর্ক করেছেন যে হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় তেলের বাজারে যে প্রভাব পড়তে পারে সেই বিষয়ে এখনো পুরোপুরি গুরুত্ব দিচ্ছে না সংশ্লিষ্টরা।
তার মতে, সংঘাত শুরু হওয়ার আগে যে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজগুলো ইতিমধ্যে পথে ছিল, সেগুলো গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়ায় স্বল্পমেয়াদে সরবরাহ ঘাটতির প্রভাব কিছুটা কম মনে হয়েছে।
ফাতিহ বিরোলl জানিয়েছে, মার্চ মাসে নতুন করে কোনো ট্যাংকার লোড হয়নি। এশিয়ার বাজারেও নতুন করে তেল বা জ্বালানি সরবরাহ হচ্ছে না। ফলে জ্বালানির ঘাটতির বাস্তব চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
যদি হরমুজ প্রণালি দ্রুত পুনরায় চালু না হয়, তাহলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানান আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান।
তিনি জানান, পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে আইইএ’র জরুরি তেল মজুদ থেকে পুনরায় সরবরাহ ছাড়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং তারা প্রয়োজনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।
(রয়টার্স অবলম্বনে)